চবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কিন্তু ঘোষিত কমিটিতে পদবাণিজ্য ও অছাত্রদের রাখার অভিযোগে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিতরা।
রবিবার (৩১ জুলাই) মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৩৭৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর থেকে ক্যাম্পাসের সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে বিক্ষোভ শুরু করে শাখা ছাত্রলীগের উপ-গ্রুপ বিজয়ের পদবঞ্চিত নেতা কর্মীরা। পরবর্তীতে রাত দেড়টায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা দেন শাখা ছাত্রলীগের উপ-গ্রুপ বিজয় ও সিএফসি গ্রুপের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
এসময় প্রধান ফটকের সামনে আগুন জ্বালিয়ে এ বিক্ষোভ করেন তারা। নেতা-কর্মীরা জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের এ দাবি আদায় না হবে, তাদের এ অবরোধ চলবে।
এছাড়া ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অসন্তুষ্ট হয়ে বিজয় গ্রুপের নেতা ইলিয়াসের কক্ষ ভাঙচুরসহ সোহরাওয়ার্দী হলের বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর করে তারা।
পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের প্রধান ফটক আটকে দেওয়ায় শহরের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়নি কোনো শিক্ষক বাস।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন ঝাউতলা স্টেশনে আটকে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।
চবি ছাত্রলীগ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি রেজাউল হক রুবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর সঙ্গে ৬৯ জন সহসভাপতি, ১১ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হয়েছে।
তাছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পাওয়া মইনুল ইসলাম রাসেল, সহ-সভাপতি, চবি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় রেজাউল হক রুবেলকে সভাপতি ও ইকবাল হোসেন টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে সর্বশেষ ২০১৬ সালে চবি ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।




