কক্সবাজার প্রতিনিধি: ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। দেশি-বিদেশি পর্যটকের আনা-গোনায় আবারও মুখরিত হয়ে ওঠেছে সৈকত নগরী। চাঙ্গা হয়ে ওঠছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠাগুলো। আজ সোমবার ১১জুলাই থেকে মঙ্গলবারপর্যন্ত কক্সবাজারে অন্তত চার লাখ পর্যটক সমাগম হবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন জানান, সকাল ১১টার পর থেকে সমুদ্র সৈকতে নামতে শুরু করে দর্শনার্থীরা। দুপুরের দিকে সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে ভরে যায়। বিকেলের দিকে আরো বেশি দর্শনার্থী সৈকতে নামে। তবে ঈদের দিন সৈকতে ঘুরে বেড়ানো দর্শনার্থীদের অধিকাংশই স্থানীয়। বুধবার থেকে দূর-দূরান্তের পর্যটকদের সমাগম ঘটবে কক্সবাজারে।
কক্সবাজার লাবনী পয়েন্ট ব্যবসায়ী সমিতির নেতা হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠছে। আজকে ঈদের দিনে কিছুটা ব্যবসা হয়েছে। আগামীকাল থেকে ব্যবসা জমে উঠবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে হোটেল কক্ষ বুকিংয়ে বেশ সাড়া মিলেছে। প্রতিটি হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে ৫০ থেকে ৮০ থেকে ৭০ শতাংশ কক্ষ অগ্রীম বুকিং হয়েছে। এর মধ্যে তারকা মানের হোটেলগুলোতে বুকিং বেশি।
এদিকে সম্প্রতি কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকতসহ হিমছড়ি, ইনানী, রামু, মহেশখালী ও আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ বলেন, পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শতভাগ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে রাতদিন টহলে থাকবে ট্যুরিস্ট পুলিশের দল। ঈদের পরে সাতদিন পর্যন্ত কক্সবাজার জেলাজুড়ে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।
তিনি আরো জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণসহ সার্বিক বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। কোনোভাবে যাতে সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।




