নগর প্রতিবেদক: ‘চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পরিচালনা নিয়ে যে সমস্যা, সেই সমস্যা গঠনতান্ত্রিক বিধিবিধানের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন, এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে, কিন্তু নিয়মের মধ্যে থেকে গঠনতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যা সমাধানে আমি সহযোগিতা করব।’

আজ বুধবার(০৪ মার্চ) বিকাল সোয়া তিনটায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন,‘চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব একটি প্রতিষ্ঠান। আমি জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন ক্লাব–প্রতিষ্ঠানে যাই। আমি জানি ক্লাব পরিচালনার একটা নিয়মকানুন আছে। নিয়মকানুন নিয়ে তর্ক হয়, বিতর্ক হয়, আবার সেটা নিয়মের মধ্যেই সমাধান করতে হয়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পরিচালনায় যে ব্যত্যয়গুলি ঘটেছে তা চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে। আমি অনতিবিলম্বে এই চট্টগ্রামের মুরব্বী, আমাদের সকলের নেতা, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সাথে পরামর্শ করে আপনাদের মধ্যে থেকে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের একটি প্রতিনিধিদলকে ঢাকায় ডাকব, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্ভুদত সমস্যার সমাধান অবশ্যই করব–ইনশাল্লাহ।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশে নানা সংকটের মূল কারণ হচ্ছে, আমরা এই রাষ্ট্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারিনি। যখন কোন প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ব্যক্তির ক্ষমতা বেড়ে যায়, তখন সেটা আর প্রতিষ্ঠান থাকে না। কারণ প্রতিটি ব্যক্তির আয়ু ক্ষণস্থায়ী, তার ক্ষমতাও ক্ষণস্থায়ী। গত ৫৫ বছরের বাংলাদেশে আমরা সেটা দেখেছি।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকেও আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় নিয়ে আসতে চাই। সেই কাজে যে ব্যত্যয়গুলি ঘটেছে আপনারা তা চিহ্নিত করবেন, আমি কথা দিচ্ছি আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। সব মত, সব চিন্তা নিয়ে সবাইকে মিলে একটা প্রেস ক্লাবেই থাকতে হবে–এটাই আসল সত্য।’

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা বলেন, ‘৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাংবাদিক নামধারী কতিপয় দুর্বৃত্ত হামলা ও মব সৃষ্টির মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব দখল করে। পরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি স্মারকবিহীন চিঠির মাধ্যমে প্রেস ক্লাবের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়, গঠন করা হয় অবৈধ অন্তবর্তী কমিটি। পরে শতাধিক অপেশাদার, মামলার আসামি ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত ভুয়া সাংবাদিকদের প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ দেওয়া হয়। গত দেড় বছর ধরে দখলদাররা প্রেস ক্লাবে জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে প্রশাসন জুয়ার আসর বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে প্রেস ক্লাবের ২৮৪ জন সদস্যের মধ্যে ৯০ শতাংশ সদস্য ক্লাবে যেতে পারছেন না।’

প্রেস ক্লাব সভাপতি তথ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমরা চাই, গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচন দেওয়া হোক, স্থায়ী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হোক, তারাই প্রেস ক্লাব পরিচালনা করবে।’

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘দাবি একটাই, প্রেসক্লাব জিম্মি মুক্ত করে পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের তালাবদ্ধ কার্যালয় খুলে দেওয়া হোক।’

আলোচনার পর সিইউজে এবং প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজের পক্ষে তথ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেষ্ট দিয়ে অভিনন্দিত করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সিইউজে সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মহসীন কাজী, সিইউজে’র প্রাক্তন সভাপতি যথাক্রমে অঞ্জন কুমার সেন, এম নাসিরুল হক, নাজিম উদ্দিন শ্যামল, মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের, সিইউজে সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক যীশু রায় চৌধুরী, দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার, দৈনিক পূর্বকোণের সিটি এডিটর নওশের আলী খান,বার্তা সম্পাদক হাসনাত মোর্শেদ, চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার, সিনিয়র সাংবাদিক রশিদ মামুন, দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান সারোয়ার সুমন, দৈনিক খবরের কাগজের ব্যুরো প্রধান এসএম ইফতেখারুল ইসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দৈনিক সমকালের সিনিয়র সাব এডিটর নাসির উদ্দিন হায়দার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক যায় যায় দিনের সিনিয়র রিপোর্টার খোরশেদ আলম শামীম, নির্বাহী সদস্য দৈনিক জনকণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেমুল হক, জসীম চৌধুরী সবুজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সিইউজে যুগ্ম সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য আহসান হাবীবুল আলম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত চট্টগ্রামের নবীন ও প্রবীণ সাংবাদিকরা ।

নগর প্রতিবেদক: ‘চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পরিচালনা নিয়ে যে সমস্যা, সেই সমস্যা গঠনতান্ত্রিক বিধিবিধানের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন, এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে, কিন্তু নিয়মের মধ্যে থেকে গঠনতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যা সমাধানে আমি সহযোগিতা করব।’

আজ বুধবার(০৪ মার্চ) বিকাল সোয়া তিনটায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন,‘চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব একটি প্রতিষ্ঠান। আমি জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন ক্লাব–প্রতিষ্ঠানে যাই। আমি জানি ক্লাব পরিচালনার একটা নিয়মকানুন আছে। নিয়মকানুন নিয়ে তর্ক হয়, বিতর্ক হয়, আবার সেটা নিয়মের মধ্যেই সমাধান করতে হয়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব পরিচালনায় যে ব্যত্যয়গুলি ঘটেছে তা চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে। আমি অনতিবিলম্বে এই চট্টগ্রামের মুরব্বী, আমাদের সকলের নেতা, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সাথে পরামর্শ করে আপনাদের মধ্যে থেকে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের একটি প্রতিনিধিদলকে ঢাকায় ডাকব, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্ভুদত সমস্যার সমাধান অবশ্যই করব–ইনশাল্লাহ।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশে নানা সংকটের মূল কারণ হচ্ছে, আমরা এই রাষ্ট্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারিনি। যখন কোন প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ব্যক্তির ক্ষমতা বেড়ে যায়, তখন সেটা আর প্রতিষ্ঠান থাকে না। কারণ প্রতিটি ব্যক্তির আয়ু ক্ষণস্থায়ী, তার ক্ষমতাও ক্ষণস্থায়ী। গত ৫৫ বছরের বাংলাদেশে আমরা সেটা দেখেছি।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকেও আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় নিয়ে আসতে চাই। সেই কাজে যে ব্যত্যয়গুলি ঘটেছে আপনারা তা চিহ্নিত করবেন, আমি কথা দিচ্ছি আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। সব মত, সব চিন্তা নিয়ে সবাইকে মিলে একটা প্রেস ক্লাবেই থাকতে হবে–এটাই আসল সত্য।’

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা বলেন, ‘৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাংবাদিক নামধারী কতিপয় দুর্বৃত্ত হামলা ও মব সৃষ্টির মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব দখল করে। পরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি স্মারকবিহীন চিঠির মাধ্যমে প্রেস ক্লাবের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়, গঠন করা হয় অবৈধ অন্তবর্তী কমিটি। পরে শতাধিক অপেশাদার, মামলার আসামি ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত ভুয়া সাংবাদিকদের প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ দেওয়া হয়। গত দেড় বছর ধরে দখলদাররা প্রেস ক্লাবে জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে প্রশাসন জুয়ার আসর বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে প্রেস ক্লাবের ২৮৪ জন সদস্যের মধ্যে ৯০ শতাংশ সদস্য ক্লাবে যেতে পারছেন না।’

প্রেস ক্লাব সভাপতি তথ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমরা চাই, গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচন দেওয়া হোক, স্থায়ী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হোক, তারাই প্রেস ক্লাব পরিচালনা করবে।’

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘দাবি একটাই, প্রেসক্লাব জিম্মি মুক্ত করে পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের তালাবদ্ধ কার্যালয় খুলে দেওয়া হোক।’

আলোচনার পর সিইউজে এবং প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজের পক্ষে তথ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেষ্ট দিয়ে অভিনন্দিত করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সিইউজে সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মহসীন কাজী, সিইউজে’র প্রাক্তন সভাপতি যথাক্রমে অঞ্জন কুমার সেন, এম নাসিরুল হক, নাজিম উদ্দিন শ্যামল, মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের, সিইউজে সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক যীশু রায় চৌধুরী, দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার, দৈনিক পূর্বকোণের সিটি এডিটর নওশের আলী খান,বার্তা সম্পাদক হাসনাত মোর্শেদ, চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার, সিনিয়র সাংবাদিক রশিদ মামুন, দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান সারোয়ার সুমন, দৈনিক খবরের কাগজের ব্যুরো প্রধান এসএম ইফতেখারুল ইসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দৈনিক সমকালের সিনিয়র সাব এডিটর নাসির উদ্দিন হায়দার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক যায় যায় দিনের সিনিয়র রিপোর্টার খোরশেদ আলম শামীম, নির্বাহী সদস্য দৈনিক জনকণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেমুল হক, জসীম চৌধুরী সবুজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সিইউজে যুগ্ম সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য আহসান হাবীবুল আলম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত চট্টগ্রামের নবীন ও প্রবীণ সাংবাদিকরা ।