উত্তরা সংবাদদাতা:   রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেইট এলাকার ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের সাথে চরম অন্যায়-অবিচার করে যাচ্ছে। প্রতিমাসে বেতন নিয়ে তালবাহানার কারণে বাড়ীওয়ালা, বাকীর দোকান, সন্তানদের স্কুলে সর্বত্রই অপমানিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন শ্রমিকরা। সোমবার (৪ জুলাই) থেকে ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ একি মালিকের দুইটি কারখানায় গত দুই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদের বোনাসের দাবিতে লাগাতারা অবস্থান কর্মসূচি চলছে। শ্রমিকদের আন্দোলন বানচাল করতে তিনদিন ধরে মোটর নষ্টের অজুহাতে কারখানার পানির লাইন বন্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে মন্তব্য করেন, ‘যদি চুক্তি ভঙ্গের জন্য কোন পুরস্কার দেওয়া হতো তাহলে এই কারখানার মালিক ইলিয়াস পাটোয়ারী পর্যায়ক্রমে বারবার চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিশ্ব রেকর্ডের পুরস্কার পেতেন।’
বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমীন তার বক্তব্যে বলেন, ‘এমন নির্লজ্জ ও বেহায়া মালিক আমি এর আগে কখনো দেখিনি। গত চার বছর যাবৎ এই মালিক প্রতিমাসে শ্রমিকদের পাওনা বেতন নিয়ে ওয়াদা এবং চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শ্রমিকরা কাজ করবে বিনিময়ে তারা পারিশ্রমিক নিবে। তারা রাস্তায় নামবে কেন? এই সমস্ত মালিকের কারনে শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামে। বিজিএমইএ মালিকদের সংগঠন, শ্রম ভবনও মালিকদের জন্য, তারা শ্রমিকদের কেউ না। তাই যদি না হতো তাহলে এই মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গের পরেও তারা ব্যবস্থা নেয় না কেন? এতেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার বোঝা যায়।’
শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমীন আরও বলেন, ঈদের আগে যদি এই দুই কারখানার ১৪০০ শ্রমিকের বেতন বোনাস পরিশোধ না করা হয় তাহলে উত্তরা এলাকার কোনো শ্রমিক ঈদ করবে না, সব শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরো কঠোর কর্মসূচি করবে। তাহলে মালিকরাও শান্তিতে ঈদ করতে পারবে না। তাই অবিলম্বে বেতন বোনাস পরিশোধ করার দাবি জানাই।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- আশিক ডেস লিঃ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ জাহানারা, এচিব ফ্যাশন কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোছাঃ সুমি আক্তার, গাজীপুর  বড়বাড়ি  ন্যাশনাল কেমিকেমিক্যালস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, গাজীপুর সালনা টেকনগড় পাড়া এবিকো ইন্ডাস্ট্রি লিঃ শ্রমিক  ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, কালিয়াকৈর  আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক  মোঃ এনামুল হক মনি, কালিয়াকৈর এপেক্স উইভিং  এন্ড ফিনিশিং মিলস শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া, ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
বক্তব্যে শ্রমিক নেতারা তুলে ধরেন, মালিকের করা ওয়াদা মোতাবেক ‘মে’ মাসের বেতন দেওয়ার কথা ছিল ১৫ জুন। প্রতিমাসেই এই কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলন করে বেতন নিতে হয় যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে গতমাসে ১৫ তারিখ বেতন না দিলে পরে শ্রম ভবনে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি ও শ্রম প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মালিকের সাথে করা চুক্তি অনুযায়ী ‘মে’ মাসের বেতন জুন মাসের ২৬ তারিখে দেওয়ার কথা থাকলেও বরাবরের মতো মালিক চুক্তি ভঙ্গ করে। ঐদিন মালিক অপারগতা প্রকাশ করে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মৌখিকভাবে আবার সময় চান। শ্রমিকরা মেনে নেয়। যদিও বিগত ৪ বছর ধরে প্রতিমাসে মালিক ওয়াদা ভঙ্গ করে আসছেন শুধুমাত্র তার ব্যাক্তিগত সমস্যার কারণে। কিন্তু জুন মাস পেরিয়ে জুলাই মাসের ৪ তারিখ কয়েকদিন পরে ঈদ এখনো মে মাসের বেতন পাওয়া অনিশ্চিত। এরই মধ্যে শ্রম মন্ত্রণালয় শ্রম প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে এক বিবৃতিতে আদেশ দিয়েছেন আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করতে হবে। যেখানে মে মাসের বেতনই দিচ্ছে না সেখানে অন্য পাওনা তো পাওয়ার আশা বাদই দিয়েছে ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর শ্রমিকরা।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকের কারণে প্রতিমাসেই শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে উত্তরা এলাকার পরিবেশ অশান্ত করে। ভাঙচুর, অবরোধে ক্ষতির মুখে পড়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা উক্ত কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।
এদিকে অবিলম্বে ইন্ট্রাকো লিঃ এর শ্রমিকদেরবকেয়া বেতনসহ পাওনা পরিশোধের দাবি করেছেন সিপিবি। সোমবার বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে শ্রমিকদের দুই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে জানতে পারলাম শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী মে মাসের বেতন ১৫ জুন পরিশোধ করার কথা থাকলেও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ ও ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এর মালিক পক্ষ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস বঞ্চিত রেখেছে। দুই মাসের বেতন বাকি রেখেই ক্ষান্ত হয়নি মালিক। পানির লাইন বন্ধ করায় প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবন যাপন করছে। এতে শ্রমিকরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।
শ্রমিকরা লাগাতার অবস্থান আন্দোলন করলেও মালিকের টনক নড়ছে না। নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে অবিলম্বে সকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের দায় সরকারকেই নিতে হবে।
উত্তরা সংবাদদাতা:   রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেইট এলাকার ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের সাথে চরম অন্যায়-অবিচার করে যাচ্ছে। প্রতিমাসে বেতন নিয়ে তালবাহানার কারণে বাড়ীওয়ালা, বাকীর দোকান, সন্তানদের স্কুলে সর্বত্রই অপমানিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন শ্রমিকরা। সোমবার (৪ জুলাই) থেকে ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ একি মালিকের দুইটি কারখানায় গত দুই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদের বোনাসের দাবিতে লাগাতারা অবস্থান কর্মসূচি চলছে। শ্রমিকদের আন্দোলন বানচাল করতে তিনদিন ধরে মোটর নষ্টের অজুহাতে কারখানার পানির লাইন বন্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে মন্তব্য করেন, ‘যদি চুক্তি ভঙ্গের জন্য কোন পুরস্কার দেওয়া হতো তাহলে এই কারখানার মালিক ইলিয়াস পাটোয়ারী পর্যায়ক্রমে বারবার চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিশ্ব রেকর্ডের পুরস্কার পেতেন।’
বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমীন তার বক্তব্যে বলেন, ‘এমন নির্লজ্জ ও বেহায়া মালিক আমি এর আগে কখনো দেখিনি। গত চার বছর যাবৎ এই মালিক প্রতিমাসে শ্রমিকদের পাওনা বেতন নিয়ে ওয়াদা এবং চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শ্রমিকরা কাজ করবে বিনিময়ে তারা পারিশ্রমিক নিবে। তারা রাস্তায় নামবে কেন? এই সমস্ত মালিকের কারনে শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামে। বিজিএমইএ মালিকদের সংগঠন, শ্রম ভবনও মালিকদের জন্য, তারা শ্রমিকদের কেউ না। তাই যদি না হতো তাহলে এই মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গের পরেও তারা ব্যবস্থা নেয় না কেন? এতেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার বোঝা যায়।’
শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমীন আরও বলেন, ঈদের আগে যদি এই দুই কারখানার ১৪০০ শ্রমিকের বেতন বোনাস পরিশোধ না করা হয় তাহলে উত্তরা এলাকার কোনো শ্রমিক ঈদ করবে না, সব শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরো কঠোর কর্মসূচি করবে। তাহলে মালিকরাও শান্তিতে ঈদ করতে পারবে না। তাই অবিলম্বে বেতন বোনাস পরিশোধ করার দাবি জানাই।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- আশিক ডেস লিঃ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ জাহানারা, এচিব ফ্যাশন কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোছাঃ সুমি আক্তার, গাজীপুর  বড়বাড়ি  ন্যাশনাল কেমিকেমিক্যালস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, গাজীপুর সালনা টেকনগড় পাড়া এবিকো ইন্ডাস্ট্রি লিঃ শ্রমিক  ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, কালিয়াকৈর  আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক  মোঃ এনামুল হক মনি, কালিয়াকৈর এপেক্স উইভিং  এন্ড ফিনিশিং মিলস শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া, ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
বক্তব্যে শ্রমিক নেতারা তুলে ধরেন, মালিকের করা ওয়াদা মোতাবেক ‘মে’ মাসের বেতন দেওয়ার কথা ছিল ১৫ জুন। প্রতিমাসেই এই কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলন করে বেতন নিতে হয় যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে গতমাসে ১৫ তারিখ বেতন না দিলে পরে শ্রম ভবনে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি ও শ্রম প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মালিকের সাথে করা চুক্তি অনুযায়ী ‘মে’ মাসের বেতন জুন মাসের ২৬ তারিখে দেওয়ার কথা থাকলেও বরাবরের মতো মালিক চুক্তি ভঙ্গ করে। ঐদিন মালিক অপারগতা প্রকাশ করে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মৌখিকভাবে আবার সময় চান। শ্রমিকরা মেনে নেয়। যদিও বিগত ৪ বছর ধরে প্রতিমাসে মালিক ওয়াদা ভঙ্গ করে আসছেন শুধুমাত্র তার ব্যাক্তিগত সমস্যার কারণে। কিন্তু জুন মাস পেরিয়ে জুলাই মাসের ৪ তারিখ কয়েকদিন পরে ঈদ এখনো মে মাসের বেতন পাওয়া অনিশ্চিত। এরই মধ্যে শ্রম মন্ত্রণালয় শ্রম প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে এক বিবৃতিতে আদেশ দিয়েছেন আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করতে হবে। যেখানে মে মাসের বেতনই দিচ্ছে না সেখানে অন্য পাওনা তো পাওয়ার আশা বাদই দিয়েছে ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর শ্রমিকরা।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকের কারণে প্রতিমাসেই শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে উত্তরা এলাকার পরিবেশ অশান্ত করে। ভাঙচুর, অবরোধে ক্ষতির মুখে পড়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা উক্ত কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।
এদিকে অবিলম্বে ইন্ট্রাকো লিঃ এর শ্রমিকদেরবকেয়া বেতনসহ পাওনা পরিশোধের দাবি করেছেন সিপিবি। সোমবার বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে শ্রমিকদের দুই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে জানতে পারলাম শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী মে মাসের বেতন ১৫ জুন পরিশোধ করার কথা থাকলেও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ ও ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এর মালিক পক্ষ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস বঞ্চিত রেখেছে। দুই মাসের বেতন বাকি রেখেই ক্ষান্ত হয়নি মালিক। পানির লাইন বন্ধ করায় প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবন যাপন করছে। এতে শ্রমিকরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।
শ্রমিকরা লাগাতার অবস্থান আন্দোলন করলেও মালিকের টনক নড়ছে না। নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে অবিলম্বে সকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের দায় সরকারকেই নিতে হবে।