নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (০৭ নভেম্বর) থেকে আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
চ
ট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন। এছাড়া পরোয়ানামূলে ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানামূলে ৩৪ জন, মাদক মামলায় ৭৬ জন মাদকসেবী এবং নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আটক ৫০ জনকে মাদক কারবারিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ১২৬ জনকে আটক করা হয়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এ সময় ৩৪টি মাদক মামলা হয়।

অন্যদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১২৯ সদস্যকে আটক করা হয়। এর মধ্যে চাঁদপুরে ৫৫, কুমিল্লায় ২৬, চট্টগ্রামে ১৫, নোয়াখালীতে ৯, লক্ষ্মীপুরে সাত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছয়, ফেনীতে দুই, রাঙামাটিতে দুই, খাগড়াছড়িতে ছয় এবং কক্সবাজারে একজন রয়েছেন। পরে তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক করা হয়েছে ৫৯৮ জনকে। তাদের মধ্যে ৩৯৩ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে কুমিল্লায় ২৬৪, চট্টগ্রামে ১১১, লক্ষ্মীপুরে ৫৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮, চাঁদপুর ও নোয়াখালীতে ২৭ জন করে, কক্সবাজারে ২৬, ফেনীতে ১৩, খাগড়াছড়িতে ১৩, বান্দরবানে ১২ এবং রাঙামাটিতে ১১ জনকে আটক করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (০৭ নভেম্বর) থেকে আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
চ
ট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন। এছাড়া পরোয়ানামূলে ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানামূলে ৩৪ জন, মাদক মামলায় ৭৬ জন মাদকসেবী এবং নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আটক ৫০ জনকে মাদক কারবারিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ১২৬ জনকে আটক করা হয়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এ সময় ৩৪টি মাদক মামলা হয়।

অন্যদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১২৯ সদস্যকে আটক করা হয়। এর মধ্যে চাঁদপুরে ৫৫, কুমিল্লায় ২৬, চট্টগ্রামে ১৫, নোয়াখালীতে ৯, লক্ষ্মীপুরে সাত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছয়, ফেনীতে দুই, রাঙামাটিতে দুই, খাগড়াছড়িতে ছয় এবং কক্সবাজারে একজন রয়েছেন। পরে তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক করা হয়েছে ৫৯৮ জনকে। তাদের মধ্যে ৩৯৩ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে কুমিল্লায় ২৬৪, চট্টগ্রামে ১১১, লক্ষ্মীপুরে ৫৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮, চাঁদপুর ও নোয়াখালীতে ২৭ জন করে, কক্সবাজারে ২৬, ফেনীতে ১৩, খাগড়াছড়িতে ১৩, বান্দরবানে ১২ এবং রাঙামাটিতে ১১ জনকে আটক করা হয়।