আকাশ ও মাটির মাঝামাঝি স্থানে রাত্রিযাপনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য পর্যটকদের গন্তব্য হতে পারে পেরুর স্কাইলজ এডভেঞ্চার সুইটস। ঐতিহাসিক সেক্রেড ভ্যালির ওপরে গ্রানাইট পাথরের খাড়া পাহাড়ের গায়ে মাটি থেকে ৩৬৫ মিটার বা ১,২০০ ফুট উচ্চতায় স্বচ্ছ কাচের তৈরি কয়েকটি ক্যাপসুল ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই হোটেলে ওঠার প্রক্রিয়াটি বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ এখানে কোনো সাধারণ সিঁড়ি বা লিফট নেই। অতিথিদের নিরাপত্তা বেল্ট পরে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে লোহার রড, তারের সেতু এবং মই বেয়ে ‘ভিয়া ফেরাতা’ শৈলীতে পাহাড় বেয়ে ওপরে উঠতে হয়। নিচে তাকালে দুইশত মিটারেরও বেশি শূন্যতা এবং দূরে বয়ে চলা উরুবাম্বা নদীর সবুজ স্রোতধারা চোখে পড়ে।

পেরুর কুজকো শহর থেকে প্রায় ৯০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত এই হোটেলটির প্রতি রাতের খরচ প্রায় ৪৮০ মার্কিন ডলার বা ৫৯ হাজার ৫১০ টাকা। এই খরচের মধ্যে যাতায়াত, গাইড, পাহাড়ে ওঠা এবং জিপলাইনে নেমে আসার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি ঝুলন্ত ক্যাপসুলে একটি ডাবল ও দুটি সিঙ্গেল বিছানা, ছয়টি বড় জানালা এবং পরিবেশবান্ধব শুকনো শৌচাগার রয়েছে। কাচের ছাদ দিয়ে রাতের আকাশ এবং ইনকাদের পবিত্র ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।

হোটেলের ডাইনিং পডে ঐতিহ্যবাহী পেরুভীয় চার পদের খাবার পরিবেশন করা হয়, যার মেন্যুতে থাকে পাম্পকিন স্যুপ, চিকেন রেমুলাদ, আন্দিজের আলু এবং প্যাশনফ্রুট বা মারাকুইয়া দেয়া কাকাও ব্রাউনি। গাইড এফ্রেন লোপেজের মতে, ইনকারা উরুবাম্বা নদীকে মিল্কি ওয়ের পার্থিব আয়না হিসেবে মনে করত। পরদিন সকালে নিচে নামার জন্য পর্যটকদের ১৫০ থেকে ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ছয়টি রুদ্ধশ্বাস জিপলাইনের মাধ্যমে পাহাড় থেকে নিরাপদে উপত্যকার সমতলে নেমে আসতে হয়।

আকাশ ও মাটির মাঝামাঝি স্থানে রাত্রিযাপনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য পর্যটকদের গন্তব্য হতে পারে পেরুর স্কাইলজ এডভেঞ্চার সুইটস। ঐতিহাসিক সেক্রেড ভ্যালির ওপরে গ্রানাইট পাথরের খাড়া পাহাড়ের গায়ে মাটি থেকে ৩৬৫ মিটার বা ১,২০০ ফুট উচ্চতায় স্বচ্ছ কাচের তৈরি কয়েকটি ক্যাপসুল ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই হোটেলে ওঠার প্রক্রিয়াটি বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ এখানে কোনো সাধারণ সিঁড়ি বা লিফট নেই। অতিথিদের নিরাপত্তা বেল্ট পরে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে লোহার রড, তারের সেতু এবং মই বেয়ে ‘ভিয়া ফেরাতা’ শৈলীতে পাহাড় বেয়ে ওপরে উঠতে হয়। নিচে তাকালে দুইশত মিটারেরও বেশি শূন্যতা এবং দূরে বয়ে চলা উরুবাম্বা নদীর সবুজ স্রোতধারা চোখে পড়ে।

পেরুর কুজকো শহর থেকে প্রায় ৯০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত এই হোটেলটির প্রতি রাতের খরচ প্রায় ৪৮০ মার্কিন ডলার বা ৫৯ হাজার ৫১০ টাকা। এই খরচের মধ্যে যাতায়াত, গাইড, পাহাড়ে ওঠা এবং জিপলাইনে নেমে আসার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি ঝুলন্ত ক্যাপসুলে একটি ডাবল ও দুটি সিঙ্গেল বিছানা, ছয়টি বড় জানালা এবং পরিবেশবান্ধব শুকনো শৌচাগার রয়েছে। কাচের ছাদ দিয়ে রাতের আকাশ এবং ইনকাদের পবিত্র ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।

হোটেলের ডাইনিং পডে ঐতিহ্যবাহী পেরুভীয় চার পদের খাবার পরিবেশন করা হয়, যার মেন্যুতে থাকে পাম্পকিন স্যুপ, চিকেন রেমুলাদ, আন্দিজের আলু এবং প্যাশনফ্রুট বা মারাকুইয়া দেয়া কাকাও ব্রাউনি। গাইড এফ্রেন লোপেজের মতে, ইনকারা উরুবাম্বা নদীকে মিল্কি ওয়ের পার্থিব আয়না হিসেবে মনে করত। পরদিন সকালে নিচে নামার জন্য পর্যটকদের ১৫০ থেকে ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ছয়টি রুদ্ধশ্বাস জিপলাইনের মাধ্যমে পাহাড় থেকে নিরাপদে উপত্যকার সমতলে নেমে আসতে হয়।