সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বোঝাতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। এ বিষয়ে নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করে তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া তার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন এবং বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চান তিনি। গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তাঁদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। সেখানে তার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।
মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি তার শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ এবং তাঁদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।




