বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্র্য আনতে ব্যাপক উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে তরুণ ও যুবকদের প্রশিক্ষণের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকারের বৈশ্বিক কর্মসংস্থান কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হলো অপ্রথাগত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগানো। এই কৌশলের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সরকার এক কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

নতুন ও উন্নত বাজার সৃষ্টিতে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের প্রথাগত বাজারের বাইরে ইউরোপের ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া এবং জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত দেশের শ্রমবাজারে জায়গা করে নিতে চায়। উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে এবং দালালচক্র নির্মূল করতে সরকার বৈধ সরকারি চ্যানেল ও আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে। এর মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে বিদেশগমনের খরচ বা অভিবাসন ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার কাজ চলছে। এছাড়া প্রবাসীরা যাতে কর্মক্ষেত্রে শোষণমুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ পান, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্মপরিবেশ ও আইনি ব্যবস্থাপনার মান কঠোরভাবে যাচাই করে কর্মী পাঠাতে চায় সরকার। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের এই সময়ে বৈদেশিক আয়ের ভিত্তি সুদৃঢ় করে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), আধুনিক ড্রাইভিং, নার্সিং, কেয়ারগিভিং, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল এবং হসপিটালিটিসহ মোট ৫৫টি কারিগরি কোর্সে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের প্রধান শর্ত হিসেবে ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, জার্মান ও আরবি ভাষার ওপর বিশেষায়িত ভাষাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্র্য আনতে ব্যাপক উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে তরুণ ও যুবকদের প্রশিক্ষণের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকারের বৈশ্বিক কর্মসংস্থান কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হলো অপ্রথাগত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগানো। এই কৌশলের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সরকার এক কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

নতুন ও উন্নত বাজার সৃষ্টিতে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের প্রথাগত বাজারের বাইরে ইউরোপের ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া এবং জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত দেশের শ্রমবাজারে জায়গা করে নিতে চায়। উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে এবং দালালচক্র নির্মূল করতে সরকার বৈধ সরকারি চ্যানেল ও আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে। এর মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে বিদেশগমনের খরচ বা অভিবাসন ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার কাজ চলছে। এছাড়া প্রবাসীরা যাতে কর্মক্ষেত্রে শোষণমুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ পান, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্মপরিবেশ ও আইনি ব্যবস্থাপনার মান কঠোরভাবে যাচাই করে কর্মী পাঠাতে চায় সরকার। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের এই সময়ে বৈদেশিক আয়ের ভিত্তি সুদৃঢ় করে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), আধুনিক ড্রাইভিং, নার্সিং, কেয়ারগিভিং, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল এবং হসপিটালিটিসহ মোট ৫৫টি কারিগরি কোর্সে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের প্রধান শর্ত হিসেবে ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, জার্মান ও আরবি ভাষার ওপর বিশেষায়িত ভাষাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।