সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের রাবার ড্যামের আওতাধীন জিয়া খাল পুন: খনন কাজের উদ্বোধন করলেন কক্সবাজার -৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল। আজ শনিবার(২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় এই কমসূর্চির উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় জিয়া খাল পুন: খননের কাজে কোদাল হাতে নামেন এমপি কাজল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জিয়া খালের পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানি।সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি।

এসময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর, জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ জনি, ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম, সাবেক মেম্বার মোজাম্মেল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের রাবার ড্যামের আওতাধীন জিয়া খাল পুন: খনন কাজের উদ্বোধন করলেন কক্সবাজার -৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল। আজ শনিবার(২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় এই কমসূর্চির উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় জিয়া খাল পুন: খননের কাজে কোদাল হাতে নামেন এমপি কাজল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জিয়া খালের পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানি।সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি।

এসময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর, জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ জনি, ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম, সাবেক মেম্বার মোজাম্মেল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।