দি ক্রাইম ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনার আয়োজন করতে পারবে না।”

অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।”
মন্ত্রী জানান, তিনি যেখানে যাবেন, সেখানে শিক্ষার্থীদের রাস্তা দাঁড় করাতে নিষেধ করেছেন। কোনো শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রাস্তায় তার জন্য দাঁড়াতে পারবে না। ফুলের তোড়া, ফুলের মালা, এগুলো শতভাগ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি শিথিল করা হয়নি। এটি ধাপে ধাপে করা যায় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।”
এ সময় তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।”

পরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

এদিন শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুরের কচুয়ায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানায় চেক বিতরণ এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ কমিটি ও রোগী কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চেক বিতরণ ও হুইলচেয়ার বিতরণ করেন। এর পর তিনি কচুয়া প্রাথমিক শিক্ষা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

দি ক্রাইম ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনার আয়োজন করতে পারবে না।”

অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।”
মন্ত্রী জানান, তিনি যেখানে যাবেন, সেখানে শিক্ষার্থীদের রাস্তা দাঁড় করাতে নিষেধ করেছেন। কোনো শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রাস্তায় তার জন্য দাঁড়াতে পারবে না। ফুলের তোড়া, ফুলের মালা, এগুলো শতভাগ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি শিথিল করা হয়নি। এটি ধাপে ধাপে করা যায় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।”
এ সময় তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।”

পরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

এদিন শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুরের কচুয়ায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানায় চেক বিতরণ এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ কমিটি ও রোগী কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চেক বিতরণ ও হুইলচেয়ার বিতরণ করেন। এর পর তিনি কচুয়া প্রাথমিক শিক্ষা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।