দি ক্রাইম ডেস্ক: মঙ্গলবার সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম কাঁদতে কাঁদতে ছুটে এসে তার ছেলেকে অপহরণের ঘটনা জানালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তখনই পুলিশকে ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন।

সচিবালয়ের এক কর্মচারী তার ছেলেকে অপহরণের ঘটনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে তিনি পুলিশকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন, যার এক ঘণ্টার মধ্যে ছেলেটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অপহরণের শিকার হয় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, তার বাবা খন্দকার শামীম সচিবালয়ের একজন কর্মচারী।

পুলিশের রমনা বিভাগ থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে অপহৃত হয় ওই শিক্ষার্থী। খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর এলাকা থেকে চার-পাঁচজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে আটকে রাখে।

অপহরণকারীরা ছাত্রটিকে মারধর করে এবং তার বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। না হলে তাকে হত্যা করা হবে বলে তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, বিকেলে খন্দকার শামীম সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। তখন তিনি বের হচ্ছিলেন। শামীম তার ছেলেকে অপহরণের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানালে তিনি তখনই পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পুলিশের রমনা বিভাগ (ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে) প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এবং কৌশলে অপহরণকারীদের সঙ্গে দরকষাকষি করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে। উদ্ধার অভিযান শুরুর ১ ঘণ্টার মধ্যে খিলগাঁওয়ের ওই ভবন থেকে ছাত্রটিকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে খিলগাঁও থানার ওসি (অপারেশন) মো. জিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনাটি পল্টন থানা এলাকায় ঘটেছে। তবে ওই শিক্ষার্থী আমাদের থানা এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে। এ বিষয়ে পল্টন থানা পুলিশ বিস্তারিত বলতে পারবে।”

দি ক্রাইম ডেস্ক: মঙ্গলবার সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম কাঁদতে কাঁদতে ছুটে এসে তার ছেলেকে অপহরণের ঘটনা জানালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তখনই পুলিশকে ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন।

সচিবালয়ের এক কর্মচারী তার ছেলেকে অপহরণের ঘটনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে তিনি পুলিশকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন, যার এক ঘণ্টার মধ্যে ছেলেটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অপহরণের শিকার হয় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, তার বাবা খন্দকার শামীম সচিবালয়ের একজন কর্মচারী।

পুলিশের রমনা বিভাগ থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে অপহৃত হয় ওই শিক্ষার্থী। খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর এলাকা থেকে চার-পাঁচজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে আটকে রাখে।

অপহরণকারীরা ছাত্রটিকে মারধর করে এবং তার বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। না হলে তাকে হত্যা করা হবে বলে তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, বিকেলে খন্দকার শামীম সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। তখন তিনি বের হচ্ছিলেন। শামীম তার ছেলেকে অপহরণের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানালে তিনি তখনই পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পুলিশের রমনা বিভাগ (ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে) প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এবং কৌশলে অপহরণকারীদের সঙ্গে দরকষাকষি করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে। উদ্ধার অভিযান শুরুর ১ ঘণ্টার মধ্যে খিলগাঁওয়ের ওই ভবন থেকে ছাত্রটিকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে খিলগাঁও থানার ওসি (অপারেশন) মো. জিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনাটি পল্টন থানা এলাকায় ঘটেছে। তবে ওই শিক্ষার্থী আমাদের থানা এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে। এ বিষয়ে পল্টন থানা পুলিশ বিস্তারিত বলতে পারবে।”