নিজস্ব প্রতিনিধি : দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ফসলী জমির মাটি ও পাহাড় কাটা হচ্ছে অবাধে। প্রশাসনিক অভিযান স্বত্ত্বেও পাহাড় ও জমির মাটি কাটা প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানের ফসলী জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কাটা হয় এস্কেভেটর দিয়ে। এ মাটি ডাম্প ট্রাক ও পিকআপ ভর্তি করে পৌঁছানো হয় এলাকার বিভিন্ন ইটভাটায়, বসতভিটা ভরাট ও ডোবা ভরাটসহ পাড়া-মহল্লার রাস্তা নির্মাণ কাজে। কৃষকদের অনেকেই তাদের জমির মাটি বিক্রি করছে অর্থের প্রয়োজনে, আবার কেউবা বিক্রি করছে বাধ্য হয়ে।

শুধু জমির মাটি নয়, সাতকানিয়া উপজেলায় পাহাড় কেটে সাবাড় করার অভিযোগও রয়েছে। পাহাড় কাটার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে ইতোমধ্যে। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এক ইটভাটার ম্যানেজারকে ২লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকার পাহাড় কাটা মাটি ইটভাটার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে উক্ত অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নেই মাটিদস্যুদের পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট রয়েছে। শুকনা মৌসমের শুরু থেকে আরম্ভ হয় মাটি কাটা। কৃষকদের মতে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূল উপাদান জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল)। এ মাটি কেটে নিলে ফসল উৎপাদন হ্রাস পায়। অভিজ্ঞ মহলের মতে চাষাবাদের জমির মাটি ও পাহাড় কাটা হলে ভূগর্ভের পানি স্তর নিচে নেমে যায়। ফলে শুকনা মৌসমে পানির অভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সর্বসাধারণকে। পাহাড় কাটার ফলে বিনষ্ট হয় প্রাকৃতিক পরিবেশ।

নিজস্ব প্রতিনিধি : দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ফসলী জমির মাটি ও পাহাড় কাটা হচ্ছে অবাধে। প্রশাসনিক অভিযান স্বত্ত্বেও পাহাড় ও জমির মাটি কাটা প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানের ফসলী জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কাটা হয় এস্কেভেটর দিয়ে। এ মাটি ডাম্প ট্রাক ও পিকআপ ভর্তি করে পৌঁছানো হয় এলাকার বিভিন্ন ইটভাটায়, বসতভিটা ভরাট ও ডোবা ভরাটসহ পাড়া-মহল্লার রাস্তা নির্মাণ কাজে। কৃষকদের অনেকেই তাদের জমির মাটি বিক্রি করছে অর্থের প্রয়োজনে, আবার কেউবা বিক্রি করছে বাধ্য হয়ে।

শুধু জমির মাটি নয়, সাতকানিয়া উপজেলায় পাহাড় কেটে সাবাড় করার অভিযোগও রয়েছে। পাহাড় কাটার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে ইতোমধ্যে। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এক ইটভাটার ম্যানেজারকে ২লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকার পাহাড় কাটা মাটি ইটভাটার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে উক্ত অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নেই মাটিদস্যুদের পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট রয়েছে। শুকনা মৌসমের শুরু থেকে আরম্ভ হয় মাটি কাটা। কৃষকদের মতে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূল উপাদান জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল)। এ মাটি কেটে নিলে ফসল উৎপাদন হ্রাস পায়। অভিজ্ঞ মহলের মতে চাষাবাদের জমির মাটি ও পাহাড় কাটা হলে ভূগর্ভের পানি স্তর নিচে নেমে যায়। ফলে শুকনা মৌসমে পানির অভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সর্বসাধারণকে। পাহাড় কাটার ফলে বিনষ্ট হয় প্রাকৃতিক পরিবেশ।