নিজস্ব প্রতিবেদক: সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক এস এম পিন্টুর ”অনুপ্রেরণা ” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে দৈনিক সকালের সময়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি এবং দৈনিক সকালের সময় সম্পাদক ও প্রকাশক মো. নূর হাকিম।

সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি ও রুবাব পাবলিকেশনের প্রকাশন উপদেষ্টা সাহাব উদ্দীন হাসান বাবুর সভাপতিত্বে এবং সকালের সময়ের নিজস্ব প্রতিবেদক বিউটি রানীর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনতার সংবাদ সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মহিউদ্দীন আহমেদ, দৈনিক নিরপেক্ষ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ খান, লাখোকন্ঠ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ বাঙালি, ভোরের সংলাপ সম্পাদক লুৎফর রহমান, তরুণ কন্ঠ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শান্ত, গল্পকার এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মহিউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান, দৈনিক সকালের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক কমল চৌধুরী।

বক্তারা অনুপ্রেরণা বইয়ের কবিতার ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের মতো ভালো লেখকের বড়ই অভাব। সাহিত্যে যেন বিশাল এক শুন্যতা। আমরা চাই তরুণরা লেখালেখিতে এগিয়ে আসুক, সাহিত্যভান্ডার আরো স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক।

মোড়ক উন্মোচনে অনুপ্রেরণা বই সম্পর্কে অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে দৈনিক সকালের সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কবি এস এম পিন্টু বলেন, বইটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তরুণদের উৎসাহ দেওয়া। তাদেরকে বুঝানো যে, সুখ-দুঃখ, আনন্দ- বেদনা, আশা- হতাশা, প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তি এই নিয়ে আমাদের জীবন। জীবনে এগুলো ছিল,আছে এবং থাকবেও। তবুও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে হবে এই ক্ষুদ্র জীবনের শেষ প্রান্তে। তাই দুঃখ-কষ্ট-হতাশা ও অপ্রাপ্তিকে প্রাধান্য না দিয়ে অনুপ্রেরণা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সুখ-শান্তির চাদরে ঢাকা পড়ুক সকল দুশ্চিন্তা। প্রাপ্তির খাতায় লেখা হোক সফলতার গান। বইটিতে উৎসাহ, মা বাবার প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসা এবং সমাজের কিছু বাস্তবতা কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে। চট্টগ্রামের রুবাব পাবলিকেশন বইটি প্রকাশ করেছেন।

উপস্থিত ছিলেন, সকালের সময়ের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন, হরিৎপত্র প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী কবি ফারুকী ওমর, কলি প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী এস এম মহির উদ্দিন কলি, প্রিয়মুখ প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী আহমেদ ফারুক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর বিশেষ প্রতিবেদক আজহার মাহমুদ, সংগঠক, কবি নজরুল ইসলাম খান, মাহবুব পাটোয়ারী, সাংবাদিক শাহেদ ফেরদৌস হিরু, মোস্তফা জাহেদ, আশিক আরেফিন।

উল্লেখ্য, কবি এস এম পিন্টু পেশায় সাংবাদিক। ২০০৫ সাল থেকে দৈনিক বাংলার রূপ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় পথচলা। সেই থেকে নানা বাধা-বিপত্তি পাড়ি দিয়ে আজকে তিনি কবি, সাহিত্যিক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক হিসেবে সমাজে পরিচিতি লাভ করেছেন। দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক নিরপেক্ষ, দৈনিক করতোয়া, দৈনিক ভোরের দর্পণসহ অনেক গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৮ থেকে দৈনিক সকালের সময়ে কর্মরত আছেন। বর্তমানে পত্রিকাটির বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় একাধিকবার দৈনিক সকালের সময়ের বর্ষসেরা প্রতিবেদকের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এছাড়াও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সাউথ এশিয়া গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা পদক, শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড এবং সর্বশেষ সমাজ পরিবর্তনে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২৫ সালে অর্জনের ঝুলিতে জমা হয়েছে ‘প্রথম বাংলাদেশ সম্মাননা’ পদক। ‘অনুপ্রেরণা’ লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। আ-তে আলো নামের একটি প্রবন্ধের কাজ চলমান আছে। এটিও থুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক এস এম পিন্টুর ”অনুপ্রেরণা ” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে দৈনিক সকালের সময়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি এবং দৈনিক সকালের সময় সম্পাদক ও প্রকাশক মো. নূর হাকিম।

সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি ও রুবাব পাবলিকেশনের প্রকাশন উপদেষ্টা সাহাব উদ্দীন হাসান বাবুর সভাপতিত্বে এবং সকালের সময়ের নিজস্ব প্রতিবেদক বিউটি রানীর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনতার সংবাদ সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মহিউদ্দীন আহমেদ, দৈনিক নিরপেক্ষ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ খান, লাখোকন্ঠ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ বাঙালি, ভোরের সংলাপ সম্পাদক লুৎফর রহমান, তরুণ কন্ঠ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শান্ত, গল্পকার এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মহিউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান, দৈনিক সকালের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক কমল চৌধুরী।

বক্তারা অনুপ্রেরণা বইয়ের কবিতার ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের মতো ভালো লেখকের বড়ই অভাব। সাহিত্যে যেন বিশাল এক শুন্যতা। আমরা চাই তরুণরা লেখালেখিতে এগিয়ে আসুক, সাহিত্যভান্ডার আরো স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক।

মোড়ক উন্মোচনে অনুপ্রেরণা বই সম্পর্কে অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে দৈনিক সকালের সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কবি এস এম পিন্টু বলেন, বইটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তরুণদের উৎসাহ দেওয়া। তাদেরকে বুঝানো যে, সুখ-দুঃখ, আনন্দ- বেদনা, আশা- হতাশা, প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তি এই নিয়ে আমাদের জীবন। জীবনে এগুলো ছিল,আছে এবং থাকবেও। তবুও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে হবে এই ক্ষুদ্র জীবনের শেষ প্রান্তে। তাই দুঃখ-কষ্ট-হতাশা ও অপ্রাপ্তিকে প্রাধান্য না দিয়ে অনুপ্রেরণা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সুখ-শান্তির চাদরে ঢাকা পড়ুক সকল দুশ্চিন্তা। প্রাপ্তির খাতায় লেখা হোক সফলতার গান। বইটিতে উৎসাহ, মা বাবার প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসা এবং সমাজের কিছু বাস্তবতা কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে। চট্টগ্রামের রুবাব পাবলিকেশন বইটি প্রকাশ করেছেন।

উপস্থিত ছিলেন, সকালের সময়ের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন, হরিৎপত্র প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী কবি ফারুকী ওমর, কলি প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী এস এম মহির উদ্দিন কলি, প্রিয়মুখ প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী আহমেদ ফারুক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর বিশেষ প্রতিবেদক আজহার মাহমুদ, সংগঠক, কবি নজরুল ইসলাম খান, মাহবুব পাটোয়ারী, সাংবাদিক শাহেদ ফেরদৌস হিরু, মোস্তফা জাহেদ, আশিক আরেফিন।

উল্লেখ্য, কবি এস এম পিন্টু পেশায় সাংবাদিক। ২০০৫ সাল থেকে দৈনিক বাংলার রূপ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় পথচলা। সেই থেকে নানা বাধা-বিপত্তি পাড়ি দিয়ে আজকে তিনি কবি, সাহিত্যিক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক হিসেবে সমাজে পরিচিতি লাভ করেছেন। দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক নিরপেক্ষ, দৈনিক করতোয়া, দৈনিক ভোরের দর্পণসহ অনেক গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৮ থেকে দৈনিক সকালের সময়ে কর্মরত আছেন। বর্তমানে পত্রিকাটির বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় একাধিকবার দৈনিক সকালের সময়ের বর্ষসেরা প্রতিবেদকের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এছাড়াও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সাউথ এশিয়া গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা পদক, শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড এবং সর্বশেষ সমাজ পরিবর্তনে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২৫ সালে অর্জনের ঝুলিতে জমা হয়েছে ‘প্রথম বাংলাদেশ সম্মাননা’ পদক। ‘অনুপ্রেরণা’ লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। আ-তে আলো নামের একটি প্রবন্ধের কাজ চলমান আছে। এটিও থুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।