দি ক্রাইম ডেস্ক: কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতা আটক হয়েছেন। শনিবার (৯ মে) রাতে মিরপুর থানায় পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে চারজন জামায়াত নেতা এবং একজন বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে ৮ পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটক রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রবিউল ইসলাম নামে মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতা আটক হয়েছেন। শনিবার (৯ মে) রাতে মিরপুর থানায় পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে চারজন জামায়াত নেতা এবং একজন বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে ৮ পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটক রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রবিউল ইসলাম নামে মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।