উত্তরা প্রতিনিধি: “উত্তরায় বনমন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে লাবন্য টিম্বারের অবৈধ কাঠের রমরমা বানিজ্য শিরোনামে” গতকাল শনিবার (০৯ মে) রাতে দি ক্রাইম পত্রিকার ডিজিটাল ভার্সনে তথ্যসংবলিত ভিডিও সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ঠ বনবিভাগের টনক নড়ে। বনবিভাগের সংশ্লিষ্ঠ রেন্জ অফিসার তারেক আজ রবিবার(১০ মে) দুপুরে লাবন্য টিম্বারে অভিযান পরিচালনা করে মালিক পক্ষের সাথে গোপন আঁতাত করে অবৈধ কাঠ জব্দ না করে চলে আসেন। এহেন লোক দেখানো অভিযানের বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বনমন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে উত্তরার দক্ষিনখান মেম্বারবাড়ীর রেল গেইট এলাকায় লাবন্য টিম্বার মালিক কাঠ পাচারকারী চক্রের হোতা বাশারের নেতৃত্বে চলছে রমরমা চোরাই কাঠের বানিজ্য। তাকে এ ব্যবসায় পরোক্ষভাবে সহয়তা করছে সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের কর্মকর্তারা।
আমাদের প্রতিনিধি সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান যে, মধুপুর,টাংগাইল এবং গাজীপুর রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে অবৈধভাবে চোরাইপথে আনা টিপি বিহীন সেগুন কাঠ চিড়াই এবং বিক্রি হচ্ছে দোদার্সে। যেগুলোর কোন বৈধ পারমিট তার কাছে নেই।
লাবন্য টিম্বারের মালিক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো বনমন্ত্রীর বোনের কাঠ। আপনারা কে? আপনাদের কেন কৈফিয়ত দিতে হবে। এই বলে তারা প্রতিনিধির উপর মারমূখী হয়ে উঠে।
বাশারের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক আগে থেকেই। আমাদের প্রতিনিধি অনেকের কাছ থেকেই তথ্য পেয়েছেন। বাশার নিজের “স” মিলের সাথে সাথে অন্য স’মিল, উত্তরারসহ গোটা রাজধানী জুড়ে অনেক ফ্যাক্টরীতে নিয়মিত অবৈধ পথে তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আনা কাঠ সরবরাহ করে থাকে। মূলত রিজার্ভ বন উজার করে সেগুন,গামারী, শালসহ নানান জাতের মূল্যবান কাঠ চোরাই পথে এনে সরবরাহ করে আসছে বাশার।
এই ব্যাপারে আমাদের প্রতিনিধি স্থানীয় বন সংরক্ষক,বনকর্মকর্তা ও রেঞ্জ অফিসার তারেককে ফোন দিলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
চোরাই কাঠের বিষয়ে কথা বললে দক্ষিনখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, আপনার অভিযোগের বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিব।
অভিযানের ব্যপারে রেঞ্জ অফিসার তারেক বলেন,ভাই আমার লোক গিয়া কাঠ পায়নি তবে, তারা আপনাকে ভয় পেছে। পরে ঐ প্রতিবেদক তাকে অবৈধ কাঠের প্রমান দিতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিক আছে আমি ব্যবস্থা নিব।




