বিনোদন ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হচ্ছে—মা দিবস। বিশেষ এই দিনে গভীর অনূভূতি প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কোনাল। বাবাকে হারিয়ে মর্মাহত এই শিল্পী, তবে মায়ের মুখের হাসি তার হৃদয়ে আনন্দের ঢেউ তুলেছে।

২০২০ সালে করোনা মহামারির ভয়াবহ সময়ে জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, বাবাকে হারান কোনাল। বাবার চলে যাওয়ায় তার জীবনে তৈরি হয়েছে বিশাল শূন্যতা, হৃদয়ে জমেছে আফসোস।

কোনাল বলেন, “সব সন্তানের মতোই আমার খুব আফসোস হয়। কারণ আমি আমার বাবার জন্য কিছুই করতে পারিনি। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিটাও আমার বাবা দেখে যেতে পারেননি।”

বাবার জন্য কিছু করতে না পারার সেই আক্ষেপ অনেকটাই মিটেছে মায়ের হাসি মুখ দেখে। কোনালের মা এবার পেতে যাচ্ছেন সম্মানজনক ‘গরবিণী মা’ অ্যাওয়ার্ড। মায়ের এই বিশাল অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত-গর্বিত এই সংগীতশিল্পী।

মায়ের এই প্রাপ্তি নিয়ে নিজের ভালো লাগার কথা জানিয়ে কোনাল বলেন, “আমার এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, মাকে আমি কিছুটা হলেও সেই আনন্দটা দিতে পেরেছি। সন্তান হিসেবে আমার মনে হচ্ছে, জীবনে অন্তত কিছুটা তো করতে পারলাম। মাকে হয়তো একটু আনন্দ দিতে পেরেছি—এই ভেবেই আমার খুব ভালো লাগছে।”

মায়ের বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্তির মুহূর্তে বাবাকে ভীষণভাবে মিস করছেন কোনাল। তবু মায়ের জীবনের এই সাফল্য আর আনন্দই এখন তার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। কোনালের এমন সহজ স্বীকারোক্তি আর মায়ের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ মা দিবসে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিনোদন ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হচ্ছে—মা দিবস। বিশেষ এই দিনে গভীর অনূভূতি প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কোনাল। বাবাকে হারিয়ে মর্মাহত এই শিল্পী, তবে মায়ের মুখের হাসি তার হৃদয়ে আনন্দের ঢেউ তুলেছে।

২০২০ সালে করোনা মহামারির ভয়াবহ সময়ে জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, বাবাকে হারান কোনাল। বাবার চলে যাওয়ায় তার জীবনে তৈরি হয়েছে বিশাল শূন্যতা, হৃদয়ে জমেছে আফসোস।

কোনাল বলেন, “সব সন্তানের মতোই আমার খুব আফসোস হয়। কারণ আমি আমার বাবার জন্য কিছুই করতে পারিনি। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিটাও আমার বাবা দেখে যেতে পারেননি।”

বাবার জন্য কিছু করতে না পারার সেই আক্ষেপ অনেকটাই মিটেছে মায়ের হাসি মুখ দেখে। কোনালের মা এবার পেতে যাচ্ছেন সম্মানজনক ‘গরবিণী মা’ অ্যাওয়ার্ড। মায়ের এই বিশাল অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত-গর্বিত এই সংগীতশিল্পী।

মায়ের এই প্রাপ্তি নিয়ে নিজের ভালো লাগার কথা জানিয়ে কোনাল বলেন, “আমার এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, মাকে আমি কিছুটা হলেও সেই আনন্দটা দিতে পেরেছি। সন্তান হিসেবে আমার মনে হচ্ছে, জীবনে অন্তত কিছুটা তো করতে পারলাম। মাকে হয়তো একটু আনন্দ দিতে পেরেছি—এই ভেবেই আমার খুব ভালো লাগছে।”

মায়ের বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্তির মুহূর্তে বাবাকে ভীষণভাবে মিস করছেন কোনাল। তবু মায়ের জীবনের এই সাফল্য আর আনন্দই এখন তার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। কোনালের এমন সহজ স্বীকারোক্তি আর মায়ের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ মা দিবসে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।