রাঙামাটি প্রতিনিধি: ‘বন বিভাগ পাহাড়ের বন রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটি চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ’ভিলেজ কমন ফরেস্ট’ (ভিসিএফ) কমিটির পুনর্গঠন অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

ব্যারিস্টার দেবাশীষ বলেন, ‘বন রক্ষায় সাধারণ মানুষ সফল হয়েছে। বন বিভাগের সব বন অনেক আগে উজাড় হয়ে গেছে। এখন যেসব বন চোখে পড়ে এগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পাহাড়ের মানুষকে বন রক্ষার কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। না হলে বন রক্ষা হবে না’।

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ৪২১ টি ভিসিএফ রক্ষা করছে সাধারণ মানুষ’ এমন তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসব বনে গাছ-বাঁশ, বন্যপ্রাণীর বিচরণ আছে। পানির স্তরগুলো রক্ষিত আছে। এগুলো রক্ষা করতে হবে। সাধারণ মানুষকে বুঝাতে হবে মানুষের জন্য বন। তাদেরকে ভয় দেখিয়ে বন রক্ষা করা যাবে না’। ‘বন বিভাগ বন রক্ষায়

সভাপতির বক্তব্যে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, ‘ভিসিএফ নিয়ে একটি মহলের ভ্রান্ত ধারণা আছে। মহলটি মনে করে ভিসিএফ শুধু পাহাড়িদের স্বার্থ রক্ষা করে। এ ধারণা রাখা ঠিক নয়। এটি দেশের সমগ্র পরিবেশ রক্ষায় ভুমিকা রাখছে’।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক ঐশর্য খীসা, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুবীর কুমার চাকমা, সিএইচটি ভিসিএফ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি থোয়াই অং মারমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, জুরাছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমাসহ তিন পার্বত্য জেলা থেকে আসা ভিসিএফ কমিটির সদস্যরা।

 

রাঙামাটি প্রতিনিধি: ‘বন বিভাগ পাহাড়ের বন রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটি চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ’ভিলেজ কমন ফরেস্ট’ (ভিসিএফ) কমিটির পুনর্গঠন অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

ব্যারিস্টার দেবাশীষ বলেন, ‘বন রক্ষায় সাধারণ মানুষ সফল হয়েছে। বন বিভাগের সব বন অনেক আগে উজাড় হয়ে গেছে। এখন যেসব বন চোখে পড়ে এগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পাহাড়ের মানুষকে বন রক্ষার কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। না হলে বন রক্ষা হবে না’।

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ৪২১ টি ভিসিএফ রক্ষা করছে সাধারণ মানুষ’ এমন তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসব বনে গাছ-বাঁশ, বন্যপ্রাণীর বিচরণ আছে। পানির স্তরগুলো রক্ষিত আছে। এগুলো রক্ষা করতে হবে। সাধারণ মানুষকে বুঝাতে হবে মানুষের জন্য বন। তাদেরকে ভয় দেখিয়ে বন রক্ষা করা যাবে না’। ‘বন বিভাগ বন রক্ষায়

সভাপতির বক্তব্যে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, ‘ভিসিএফ নিয়ে একটি মহলের ভ্রান্ত ধারণা আছে। মহলটি মনে করে ভিসিএফ শুধু পাহাড়িদের স্বার্থ রক্ষা করে। এ ধারণা রাখা ঠিক নয়। এটি দেশের সমগ্র পরিবেশ রক্ষায় ভুমিকা রাখছে’।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক ঐশর্য খীসা, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুবীর কুমার চাকমা, সিএইচটি ভিসিএফ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি থোয়াই অং মারমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, জুরাছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমাসহ তিন পার্বত্য জেলা থেকে আসা ভিসিএফ কমিটির সদস্যরা।