নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে মাতৃভাষার উপর আন্তর্জাতিক সেমিনারে নওরয়ে থেকে আগত নরওয়ের উন্নয়নমূলক সংস্থা ‘কমন ইমিগ্রেশন কাউন্সিল’র সম্পাদক কবি ভায়লেট হালদার বলেছেন, মাতৃভাষা সকল মানুষের জন্য প্রিয়, শ্রদ্ধা ও অতি পবিত্র। মাতৃভাষার প্রতি আমাদের সকলের দরদ ও সম্মান থাকা খুবই প্রয়োজন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী রোববার সন্ধ্যায় জিইসি’র মোড়স্থ দি পেনিনসুলা চিটাগাং-এর অডিটরিয়ামে আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র (সিএইচআরসি)।

সংবাদ সাময়িকী পত্রিকার সম্পাদক ভায়লেট হালদার আরো বলেন, বায়ান্ন সালে বাংলা ভাষা রক্ষার জন্য মাতৃভাষা আন্দোলন ও শহীদদের আত্মদানের ইতিহাস সারা পৃথিবীতে পরিচিতি রয়েছে। ঘটনাবহুল এই ইতিহাসটিকে এখন সমগ্র বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে। এটি বাঙালির জন্য গৌরবের বিষয়। কবি ভায়লেট হালদার বলেন, স্ব-স্ব দেশের নবপ্রজন্মের অসচেতনতার কারণে পৃথিবীর অনেক মাতৃভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আধুনিকতার নামে তারা ভিনদেশীয় ভাষাচর্চাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। তিনি মাতৃভাষার প্রতি সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নবপ্রজন্মকে মাতৃভাষা চর্চায় ধাবিত করার আহ্বান জানান। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা প্রাবন্ধিক ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়ুয়া।

সেমিনার উদ্বোধন করেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক স্মৃতি বড়ুয়া।

আন্তর্জাতিক এই সেমিনারে “মাতৃভাষা ও নবপ্রজন্মের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস” বিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ করেন চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি ইতিহাসবেত্তা সোহেল মো. ফখরুদ-দীন।

প্রধান আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ ভারত থেকে আগত কবি ও সাংবাদিক লিটন রাকিব, প্রকৌশলী শংকর বড়ুয়া, প্রফেসর ড. অর্থদর্শী বড়ুয়া, অধ্যাপক মিয়া মুহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী, ভাষা আন্দোলন গবেষক ডা. মআআ মুক্তাদীর, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের সংগীতশিল্পী শহীদ ফারুকী, অধ্যক্ষ রিদুয়ানুল হক,প্রাক্তন এডিসি অরবিন্দ বড়ুয়া,শেখ আরিফুর রহমান, ভাস্কর শিল্পী ডিকে দাশ মামুন, প্রাবন্ধিক নাজমুল হক শামীম, কবি অরূপ কুমার বড়ুয়া, লায়ন উজ্জ্বল কান্তি বড়ুয়া, প্রাবন্ধিক এ কে জাহেদ চৌধুরী, অধ্যাপক মুছাকলিমুল্লাহ,সাফাত বিন সানাউল্লাহ, পাপড়ি বড়ুয়া,শংকর বড়ুয়া, সৈয়দ শাহাজাহান আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের সন্মাননা জানানো হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে মাতৃভাষার উপর আন্তর্জাতিক সেমিনারে নওরয়ে থেকে আগত নরওয়ের উন্নয়নমূলক সংস্থা ‘কমন ইমিগ্রেশন কাউন্সিল’র সম্পাদক কবি ভায়লেট হালদার বলেছেন, মাতৃভাষা সকল মানুষের জন্য প্রিয়, শ্রদ্ধা ও অতি পবিত্র। মাতৃভাষার প্রতি আমাদের সকলের দরদ ও সম্মান থাকা খুবই প্রয়োজন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী রোববার সন্ধ্যায় জিইসি’র মোড়স্থ দি পেনিনসুলা চিটাগাং-এর অডিটরিয়ামে আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র (সিএইচআরসি)।

সংবাদ সাময়িকী পত্রিকার সম্পাদক ভায়লেট হালদার আরো বলেন, বায়ান্ন সালে বাংলা ভাষা রক্ষার জন্য মাতৃভাষা আন্দোলন ও শহীদদের আত্মদানের ইতিহাস সারা পৃথিবীতে পরিচিতি রয়েছে। ঘটনাবহুল এই ইতিহাসটিকে এখন সমগ্র বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে। এটি বাঙালির জন্য গৌরবের বিষয়। কবি ভায়লেট হালদার বলেন, স্ব-স্ব দেশের নবপ্রজন্মের অসচেতনতার কারণে পৃথিবীর অনেক মাতৃভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আধুনিকতার নামে তারা ভিনদেশীয় ভাষাচর্চাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। তিনি মাতৃভাষার প্রতি সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নবপ্রজন্মকে মাতৃভাষা চর্চায় ধাবিত করার আহ্বান জানান। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা প্রাবন্ধিক ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়ুয়া।

সেমিনার উদ্বোধন করেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক স্মৃতি বড়ুয়া।

আন্তর্জাতিক এই সেমিনারে “মাতৃভাষা ও নবপ্রজন্মের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস” বিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ করেন চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি ইতিহাসবেত্তা সোহেল মো. ফখরুদ-দীন।

প্রধান আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ ভারত থেকে আগত কবি ও সাংবাদিক লিটন রাকিব, প্রকৌশলী শংকর বড়ুয়া, প্রফেসর ড. অর্থদর্শী বড়ুয়া, অধ্যাপক মিয়া মুহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী, ভাষা আন্দোলন গবেষক ডা. মআআ মুক্তাদীর, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের সংগীতশিল্পী শহীদ ফারুকী, অধ্যক্ষ রিদুয়ানুল হক,প্রাক্তন এডিসি অরবিন্দ বড়ুয়া,শেখ আরিফুর রহমান, ভাস্কর শিল্পী ডিকে দাশ মামুন, প্রাবন্ধিক নাজমুল হক শামীম, কবি অরূপ কুমার বড়ুয়া, লায়ন উজ্জ্বল কান্তি বড়ুয়া, প্রাবন্ধিক এ কে জাহেদ চৌধুরী, অধ্যাপক মুছাকলিমুল্লাহ,সাফাত বিন সানাউল্লাহ, পাপড়ি বড়ুয়া,শংকর বড়ুয়া, সৈয়দ শাহাজাহান আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের সন্মাননা জানানো হয়।