খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা উদ্দেশ্যে আসা সাজেক থেকে ফেরার পথে দুই পর্যটককে জিম্মি করে ৫০লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করেছে। পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার জোরদার করা হয়েছে। সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি ফেরার পথে দু’পর্যটক ও তাদের গাড়ি চালককে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের কক্ষে সাংবাদিককের কাছে অপহরণ চের্ষ্টার বর্ণনা দেন ভিকটিম ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বাসিন্দা এসএম নাহিদ উজ্জমামান ও মামুন ফকির।

তারা বলেন, মঙ্গলবার সকালে সাজেক থেকে ফেরার পথে দীঘিনালার জামতলী এলাকায় পৌঁছালে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কিছু অচেনা ব্যক্তি আমাদের ব্যক্তিগত গাড়ির গতিরোধ করে। পরে আমাদের রাস্তা থেকে একটু ভেতরে পাশ্ববর্তী করাত কলের পাশে নিয়ে মোবাইল,জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে ফেলে। আমাদে কাছে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে। এসময় তারা আমাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে দরকষাকষিতে ২০লক্ষ টাকায় রাজি হয়। পরে সাজেকে রির্সোট কেনার কথা বলে পরিবারের কাছে ২০লক্ষ টাকা চাইতে বলে। বিষয়টি আমার এক স্বজনকে(মামা)জানায়। পরে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপারকে অবগত করে।

পুলিশ সুপার আমার ব্যক্তিগত নাম্বারে যোগাযোগ করলে অপহরণকারীরা নাম্বারটি ট্রুকলারয়ে চেক করে। ট্রু কলারয়ে পুলিশের সুপারের নাম দেখে অপহরণকারীরা আমাদের ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দেওয়ার সময় অপহরণকারীরা পুলিশকে কিছু না বলার ভয়ভীতি দেখান। দুপুর দেড় টার দিকে তারা আমাদের ছেড়ে দেয়। জিম্মিদশা থেকে বেরিয়ে তারা দ্রুুত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে চলে আসে।

তিনি আরো বলেন, অপহরণকারীরা সাজেকে আমরা কোন রির্সোটে ছিলাম তাও অবগত ছিল। তাদের কথাবার্তায় মনে হয়েছে তারা আমাদেরকে আগে থেকেই অনুসরণ করেছে এবং পূর্ব পরিকল্পিত। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলে জানায় তারা।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েল বলেন,আমরা অপহরণের মামলা নিব। বিষয়টা তদন্ত করব। পাহাড়ে কারা কিডন্যাপিং বা অপহরণের সাথে জড়িত তাদেরকে আমরা খুঁজে বের করব এবং আইনের আওতায় নিয়ে আনব।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা উদ্দেশ্যে আসা সাজেক থেকে ফেরার পথে দুই পর্যটককে জিম্মি করে ৫০লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করেছে। পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার জোরদার করা হয়েছে। সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি ফেরার পথে দু’পর্যটক ও তাদের গাড়ি চালককে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের কক্ষে সাংবাদিককের কাছে অপহরণ চের্ষ্টার বর্ণনা দেন ভিকটিম ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বাসিন্দা এসএম নাহিদ উজ্জমামান ও মামুন ফকির।

তারা বলেন, মঙ্গলবার সকালে সাজেক থেকে ফেরার পথে দীঘিনালার জামতলী এলাকায় পৌঁছালে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কিছু অচেনা ব্যক্তি আমাদের ব্যক্তিগত গাড়ির গতিরোধ করে। পরে আমাদের রাস্তা থেকে একটু ভেতরে পাশ্ববর্তী করাত কলের পাশে নিয়ে মোবাইল,জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে ফেলে। আমাদে কাছে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে। এসময় তারা আমাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে দরকষাকষিতে ২০লক্ষ টাকায় রাজি হয়। পরে সাজেকে রির্সোট কেনার কথা বলে পরিবারের কাছে ২০লক্ষ টাকা চাইতে বলে। বিষয়টি আমার এক স্বজনকে(মামা)জানায়। পরে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপারকে অবগত করে।

পুলিশ সুপার আমার ব্যক্তিগত নাম্বারে যোগাযোগ করলে অপহরণকারীরা নাম্বারটি ট্রুকলারয়ে চেক করে। ট্রু কলারয়ে পুলিশের সুপারের নাম দেখে অপহরণকারীরা আমাদের ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দেওয়ার সময় অপহরণকারীরা পুলিশকে কিছু না বলার ভয়ভীতি দেখান। দুপুর দেড় টার দিকে তারা আমাদের ছেড়ে দেয়। জিম্মিদশা থেকে বেরিয়ে তারা দ্রুুত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে চলে আসে।

তিনি আরো বলেন, অপহরণকারীরা সাজেকে আমরা কোন রির্সোটে ছিলাম তাও অবগত ছিল। তাদের কথাবার্তায় মনে হয়েছে তারা আমাদেরকে আগে থেকেই অনুসরণ করেছে এবং পূর্ব পরিকল্পিত। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলে জানায় তারা।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েল বলেন,আমরা অপহরণের মামলা নিব। বিষয়টা তদন্ত করব। পাহাড়ে কারা কিডন্যাপিং বা অপহরণের সাথে জড়িত তাদেরকে আমরা খুঁজে বের করব এবং আইনের আওতায় নিয়ে আনব।