নগর প্রতিবেদক: গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় দেশের মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। তেল, বিদ্যুৎ, পানির মুল্য বৃদ্ধি করে দেশে একটি হরিলুট সৃষ্টি করছে। এরপরেও প্রতি মাসে মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য করতেছে শুধু। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে পড়েছে। সরকারের লুটপাট দুর্নীতির কারণে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে আওয়ামী লীগ চায় না। আজ রোববার (০৩ মার্চ)সকাল ১০টায় মেহেদীবাগ বাসভবনে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাতকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তাই মানুষের ভোট অধিকার, মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ইতিমধ্যে মানুষ বিভিন্ন সংস্থা, সমিতি ও ফোরামগুলোতে একটু করে ভোট দেওয়ার সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দেয়। তাই সেখানেও তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ফলাফল ছিনিয়ে নেয়। যার প্রমাণ ঢাকা আইনজীবীদের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু চৌধুরীর সাথে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক বাকা উল্লাহ চৌধুরী ইরানের সৌজন্য সাক্ষাতকালে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন কর আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ- সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কর আইনজীবী ফোরামের সভাপতি, কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ মুছা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কর আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, নব নির্বাচিত কর আইনজীবী সমিতির সহ- সভাপতি এহেতেসামুল আলম চৌধুরী পাপ্পুর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশে মানুষের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার না হলে মানুষকে যে কতো কষ্ট পেতে হয় তা বর্তমানে শাসন ব্যবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে- এটাই প্রমাণ। এই সরকার একমাত্র অসাধু কিছু প্রশাসনের ছত্রছায়ায় আর ভারত, চীন, রাশিয়া লেজুরভিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর অন্যদিকে বিদেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা কিনে নিচ্ছে। জনগণের মেনডেন্ট নিয়ে এরা ক্ষমতায় আসতে পারে নাই, ভবিষ্যতে ও পারবে না। তাই মানুষের ভোটের অধিকার বার বার কেড়ে নিচ্ছে।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও আমরা ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্টতার ভিত্তিতে ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা আমরা সমিতির নির্বাচনে বিজয় করে আনতে পেরেছি। এরই ধারাবাহিকতায় ডিস্ট্রিক বারসহ প্রত্যের বারগুলোতে যখন বিজয় ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে ঢাকায়ও আমরা বিপুল ভোটে আমার প্রার্থীরা যখন জয়ী হয়েছে ভোট গণনার মাধ্যমে দেখতে পেরে আওয়ামী অবৈধ শাসকের লোকেরা রেজাল্ট বন্ধ করে ভোট চুরি করে ফলাফল ছিনিয়ে নেয়। আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পুনরায় আমরা ভোটের অধিকার দাবি করছি।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, পেশাজীবি নেতা জাহেদুল করিম কচি, সাবেক সভাপতি মোস্তাফা কামাল মনসুর, সাবেক সভাপতি, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, সাবেক সভাপতি, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল কালাম, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কর আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী খালেদ বিন সারোয়ার জনি, সনজয় আচার্য্য, কোষাধ্যক্ষ রিংকু দত্ত, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক কুতুবউদ্দিন আহমেদ, লাইব্রেরি ও ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, দিদারুল আলম রনি, নির্বাহী সদস্য মো ইউসুফ। এছাড়াও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ইমামুদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, জনাব শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

নগর প্রতিবেদক: গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় দেশের মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। তেল, বিদ্যুৎ, পানির মুল্য বৃদ্ধি করে দেশে একটি হরিলুট সৃষ্টি করছে। এরপরেও প্রতি মাসে মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য করতেছে শুধু। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে পড়েছে। সরকারের লুটপাট দুর্নীতির কারণে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে আওয়ামী লীগ চায় না। আজ রোববার (০৩ মার্চ)সকাল ১০টায় মেহেদীবাগ বাসভবনে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাতকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তাই মানুষের ভোট অধিকার, মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ইতিমধ্যে মানুষ বিভিন্ন সংস্থা, সমিতি ও ফোরামগুলোতে একটু করে ভোট দেওয়ার সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দেয়। তাই সেখানেও তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ফলাফল ছিনিয়ে নেয়। যার প্রমাণ ঢাকা আইনজীবীদের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু চৌধুরীর সাথে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক বাকা উল্লাহ চৌধুরী ইরানের সৌজন্য সাক্ষাতকালে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন কর আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ- সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কর আইনজীবী ফোরামের সভাপতি, কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ মুছা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কর আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, নব নির্বাচিত কর আইনজীবী সমিতির সহ- সভাপতি এহেতেসামুল আলম চৌধুরী পাপ্পুর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশে মানুষের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার না হলে মানুষকে যে কতো কষ্ট পেতে হয় তা বর্তমানে শাসন ব্যবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে- এটাই প্রমাণ। এই সরকার একমাত্র অসাধু কিছু প্রশাসনের ছত্রছায়ায় আর ভারত, চীন, রাশিয়া লেজুরভিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর অন্যদিকে বিদেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা কিনে নিচ্ছে। জনগণের মেনডেন্ট নিয়ে এরা ক্ষমতায় আসতে পারে নাই, ভবিষ্যতে ও পারবে না। তাই মানুষের ভোটের অধিকার বার বার কেড়ে নিচ্ছে।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও আমরা ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্টতার ভিত্তিতে ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা আমরা সমিতির নির্বাচনে বিজয় করে আনতে পেরেছি। এরই ধারাবাহিকতায় ডিস্ট্রিক বারসহ প্রত্যের বারগুলোতে যখন বিজয় ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে ঢাকায়ও আমরা বিপুল ভোটে আমার প্রার্থীরা যখন জয়ী হয়েছে ভোট গণনার মাধ্যমে দেখতে পেরে আওয়ামী অবৈধ শাসকের লোকেরা রেজাল্ট বন্ধ করে ভোট চুরি করে ফলাফল ছিনিয়ে নেয়। আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পুনরায় আমরা ভোটের অধিকার দাবি করছি।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, পেশাজীবি নেতা জাহেদুল করিম কচি, সাবেক সভাপতি মোস্তাফা কামাল মনসুর, সাবেক সভাপতি, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, সাবেক সভাপতি, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল কালাম, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কর আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী খালেদ বিন সারোয়ার জনি, সনজয় আচার্য্য, কোষাধ্যক্ষ রিংকু দত্ত, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক কুতুবউদ্দিন আহমেদ, লাইব্রেরি ও ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, দিদারুল আলম রনি, নির্বাহী সদস্য মো ইউসুফ। এছাড়াও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ইমামুদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, জনাব শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।