প্রদীপ দাশ,কক্সবাজার (সদর) প্রতিনিধি: দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা গাণিতিক হারে বেড়েছে। রাতদিন কুকুরের আক্রমন এখন দ্বীপের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেওয়ারিশ এসব কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ দ্বীপে বেড়াতে আসা পর্যটকও স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ রয়েছে অনেক অভিভাবক, তাদের সন্তানকে স্কুল- মাদ্রাসায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে কুকুরের ভয়ে। প্রায় ৯ বর্গ কিলোমিটারের সেন্টমার্টিনে আনুমানিক ৮ হাজার কুকুর রয়েছে বলে দাবি করছেন সেন্টমার্টিন ‘বিচ ইকো রিসোর্ট ‘ তত্ত্বাবধানকারী জসিম উদ্দিন শুভ।
তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের কুকুরগুলো প্রতিদিন কাউকে না কাউকে কামড়ে দিচ্ছে। ক্ষুধার্ত কুকুরগুলো সাগর পাড়ে কিংবা গ্রামের ভেতরে প্রতিদিন স্থানীয় কিংবা পর্যটক কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না। রাতে বা সকালে বীচে নামলে বেশিরভাগ লোকজনকে কুকুরের আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আক্রমণের ভয়ে ইতিমধ্যে অনেক মা -বাবা তাদের সন্তানদের স্কুল- মাদ্রাসায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, সেন্টমার্টিনে প্রায় দশ হাজার মানুষের বসবাস। অপরদিকে, দ্বীপটিতে প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক কুকুর রয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণের জন্য বিকল্প ব্যবস্থায় বেওয়ারিশ এসব কুকুর নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরী বলে মনে করেছেন এই জন প্রতিনিধি।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্টেট মোঃ ইয়াসমিন হোসেন বলেন, সেন্টমার্টিনের কুকুরগুলো যাতে মানুষের ক্ষতি করতে না পারে সে ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। কুকুরের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ রাখার বিষয় পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। শীঘ্রই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




