উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউন এলাকা জুড়ে চলছে রমরমা চাঁদা বানিজ্য। ভৌগলিক কারণে এ অঞ্চলটি ঢাকা উত্তর সিটি- কর্পোরেশন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেগা সিটির ১ নং অঞ্চলে অবস্থিত। উত্তরার কিছু গুরুত্বপূর্ন ভেনুর জন্য অঞ্চলটিতে চাঁদাবাজ চক্রের জাল তৈরী হয়েছে। মেগা সিটির প্রতিটি পয়েন্টে চাঁদাবাজ চক্রের জাল তৈরী করে রেখেছে চক্রটি। দীর্ঘদীনের তৈরী হওয়া চক্রটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী কাউন্সিরলর এর মদদে।

তথ্য সূত্রে উঠে আসে চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতা আফসার উদ্দিন খান। আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, হাউজ বিল্ডিং লেগুনা স্ট্যান্ড জিপি নামক চাঁদা বাজি, বিডিআর বাজার ফুটপাত নিয়ন্ত্রন করতে সব পয়েন্টে আফসার উদ্দিন তার নিজস্ব লোক সেট-আপ করে রেখেছেন। আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ডে নুরু বাহিনীর কোটি টাকার চাঁদাবাজির ছত্রছায়ায় তিনি। কালেকশন ম্যানেজার কথিত ভূঁইফোড় সংগঠনের নেতা হলেও নুরু মূলত কাউন্সিলর এর লোক। হাউজ বিল্ডিং এলাকার অবৈধ লেগুনা স্ট্যান্ডে প্রতিটি লেগুনা থেকে ৭৫০ টাকা করে দৈনিক প্রায় দু’শতাধিক গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলন করছে।

কাউন্সিলর আফছারের নেতৃত্বে রাজধানীর সোনারগাঁও রোড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ লেগুনা

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/55885/

লেগুনা চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজু, সালাউদ্দিন, আমিন ও রুবেল প্রতিনিয়ত চাঁদার টাকা উত্তোলন করছে। এছাড়াও রাজউকের জায়গায় গড়ে উঠা বিডিআর কাঁচা বাজার এর নামধারী সমবায় সমিতির ব্যানারেও চলছে চাঁদাবাজি। আর এখানে সভাপতি হিসাবে আছে আব্দুল খালেক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অঞ্চলটির বিভিন্ন সড়কে হাজার ফুটপাত দোকানীর নিকট থেকে দোকান প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ শত টাকা চাঁদা নেওয়া হয়।

আজমপুরের এক ফুটপাত দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকান চালাই, এতো ঝামেলা নাই।

এবিষয়ে জানতে কাউন্সিলর আফসার উদ্দিনকে ফোন করে ও মেসেজ করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

লেগুনা ও বাসে চাঁদাবাজির বিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক জোনের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল দি ক্রাইমকে বলেন, এসব বিষয়ে আপনি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিব।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউন এলাকা জুড়ে চলছে রমরমা চাঁদা বানিজ্য। ভৌগলিক কারণে এ অঞ্চলটি ঢাকা উত্তর সিটি- কর্পোরেশন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেগা সিটির ১ নং অঞ্চলে অবস্থিত। উত্তরার কিছু গুরুত্বপূর্ন ভেনুর জন্য অঞ্চলটিতে চাঁদাবাজ চক্রের জাল তৈরী হয়েছে। মেগা সিটির প্রতিটি পয়েন্টে চাঁদাবাজ চক্রের জাল তৈরী করে রেখেছে চক্রটি। দীর্ঘদীনের তৈরী হওয়া চক্রটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী কাউন্সিরলর এর মদদে।

তথ্য সূত্রে উঠে আসে চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতা আফসার উদ্দিন খান। আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, হাউজ বিল্ডিং লেগুনা স্ট্যান্ড জিপি নামক চাঁদা বাজি, বিডিআর বাজার ফুটপাত নিয়ন্ত্রন করতে সব পয়েন্টে আফসার উদ্দিন তার নিজস্ব লোক সেট-আপ করে রেখেছেন। আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ডে নুরু বাহিনীর কোটি টাকার চাঁদাবাজির ছত্রছায়ায় তিনি। কালেকশন ম্যানেজার কথিত ভূঁইফোড় সংগঠনের নেতা হলেও নুরু মূলত কাউন্সিলর এর লোক। হাউজ বিল্ডিং এলাকার অবৈধ লেগুনা স্ট্যান্ডে প্রতিটি লেগুনা থেকে ৭৫০ টাকা করে দৈনিক প্রায় দু’শতাধিক গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলন করছে।

কাউন্সিলর আফছারের নেতৃত্বে রাজধানীর সোনারগাঁও রোড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ লেগুনা

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/55885/

লেগুনা চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজু, সালাউদ্দিন, আমিন ও রুবেল প্রতিনিয়ত চাঁদার টাকা উত্তোলন করছে। এছাড়াও রাজউকের জায়গায় গড়ে উঠা বিডিআর কাঁচা বাজার এর নামধারী সমবায় সমিতির ব্যানারেও চলছে চাঁদাবাজি। আর এখানে সভাপতি হিসাবে আছে আব্দুল খালেক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অঞ্চলটির বিভিন্ন সড়কে হাজার ফুটপাত দোকানীর নিকট থেকে দোকান প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ শত টাকা চাঁদা নেওয়া হয়।

আজমপুরের এক ফুটপাত দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকান চালাই, এতো ঝামেলা নাই।

এবিষয়ে জানতে কাউন্সিলর আফসার উদ্দিনকে ফোন করে ও মেসেজ করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

লেগুনা ও বাসে চাঁদাবাজির বিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক জোনের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল দি ক্রাইমকে বলেন, এসব বিষয়ে আপনি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিব।