উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তর মহানগরের রামপুরা থানা আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি পদ- প্রার্থী ইউনুছ আলীর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি এগিয়ে থাকায় প্রতিপক্ষের প্রত্যক্ষ মদদে তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক লেলিয়ে দেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ইউনুছ আলী রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন, যার জিডি ট্র্যাকিং নম্বর ১৫৪৭। গত ২৭-১-২০২৪ ইং তারিখে মেজবাউল আলম মোহন নামের জনৈক সাংবাদিক দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পরিচয়ে আওমীলীগ নেতা ইউনুছ আলীকে ভূমিদস্য আখ্যা দিয়ে নিউজ করবে বলে চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবারও হুমকি দেয়। পরে তিনি সংশ্লিষ্ঠ জেলাপ্রশাসকের সাথে পরামার্শ করে থানায় জিডি করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ এই অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা পেশাকে আমরা যথেষ্ঠ সম্মান করি। দলীয় সমন্বয় আর রাজনৈতিক নির্দেশনায় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছি। আমি একজন মিডিয়া বান্ধব ব্যাক্তিত্ব। তার আচরণ সাংবাদিকের মতো না। তিনি আমাকে প্রাণ নাশকের হুমকি দিয়েছেন।একদল স্থানীয় কুচক্রীরা দলের বদনাম করতেই দীর্ঘদিন যাবৎ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে, তার পরও আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে পারেনি বা সামনে পারবেও না। এলাকার মানুষের জন্য আমি সবসময় কাজ করি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার সামাজিক ও রাজনৈতিক গঠনমূলক কর্মকান্ড একজন মানবতার ফেরিওয়ালার মতই।সম্প্রতি সময়ে তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

এবিষয়ে থানার এস আই কামরুল হোক জাহান দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নিব।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তর মহানগরের রামপুরা থানা আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি পদ- প্রার্থী ইউনুছ আলীর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি এগিয়ে থাকায় প্রতিপক্ষের প্রত্যক্ষ মদদে তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক লেলিয়ে দেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ইউনুছ আলী রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন, যার জিডি ট্র্যাকিং নম্বর ১৫৪৭। গত ২৭-১-২০২৪ ইং তারিখে মেজবাউল আলম মোহন নামের জনৈক সাংবাদিক দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পরিচয়ে আওমীলীগ নেতা ইউনুছ আলীকে ভূমিদস্য আখ্যা দিয়ে নিউজ করবে বলে চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবারও হুমকি দেয়। পরে তিনি সংশ্লিষ্ঠ জেলাপ্রশাসকের সাথে পরামার্শ করে থানায় জিডি করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ এই অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা পেশাকে আমরা যথেষ্ঠ সম্মান করি। দলীয় সমন্বয় আর রাজনৈতিক নির্দেশনায় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছি। আমি একজন মিডিয়া বান্ধব ব্যাক্তিত্ব। তার আচরণ সাংবাদিকের মতো না। তিনি আমাকে প্রাণ নাশকের হুমকি দিয়েছেন।একদল স্থানীয় কুচক্রীরা দলের বদনাম করতেই দীর্ঘদিন যাবৎ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে, তার পরও আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে পারেনি বা সামনে পারবেও না। এলাকার মানুষের জন্য আমি সবসময় কাজ করি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার সামাজিক ও রাজনৈতিক গঠনমূলক কর্মকান্ড একজন মানবতার ফেরিওয়ালার মতই।সম্প্রতি সময়ে তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

এবিষয়ে থানার এস আই কামরুল হোক জাহান দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নিব।