নগর প্রতিবেদক: ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রামে আরো একটি ওজন স্কেল স্থাপন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে শাহ আমানত সেতুর পাশে স্থাপিত এই ওজন স্কেলটি নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দেশের সড়ক মহাসড়ক রক্ষা করতেই মূলত এই ওজন স্কেল স্থাপন করা হয়েছে। সারা দেশে ২১টি পয়েন্টে নতুন ২৮টা ওজন স্কেল স্থাপনের সরকারি উদ্যোগের অংশ এটা। চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে উভয়মুখী যানবাহনের ওজন পরিমাপ করা হবে এই মুভিং ওজন স্কেলে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশের সড়ক মহাসড়কের স্থায়িত্ব রক্ষায় যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে অনেকদিন ধরে। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা খরচ করে যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হলেও মূলত তা কার্যকর হয় না। বরং এর মাধ্যমে গুটিকয়েক মানুষের টাকা কামানোর মেশিন স্থাপন করে দেয়া হয়। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বড়দারোগার হাটে স্থাপিত ওজন স্কেল নিয়ে রয়েছে ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পাহাড়। এই স্কেল দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতানো বেশি হয় বলেও তারা বহুবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাদেশে ইচ্ছেমতো পণ্য নিয়ে ট্রাক কাভার্ডভ্যান বা কন্টেনার মুভার চলাচল করলেও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য ওজন স্কেল বসানো হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের হয়রানির পাশাপাশি বড় ধরণের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। তারা অনেকদিন ধরে এই ওজন স্কেল সরিয়ে নেয়ারও দাবি জানিয়ে আসছেন।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওজন স্কেল নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তির কোনো সুরাহা হওয়ার আগে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে নতুন করে এই ওজন স্কেল চালু করা হলো। বেশ কিছুদিন পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর পর গত কয়েকদিন ধরে পুরোদমে ওজন স্কেলের কার্যক্রম চলছে।

শাহ আমানত সেতুর পাশে স্থাপিত মুভিং ওজন স্কেলের উপর দিয়ে গাড়ি চলে যাওয়ার সময়ই ওজন রেকর্ড হচ্ছে। বাড়তি ওজনের গাড়িগুলো থেকে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। স্কেলের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ঘিরে ইতোমধ্যে যানজট শুরু হতে শুরু করেছে। পণ্যবাহী গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় যানজট প্রকট হওয়ারও আশংকা রয়েছে।

তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা গণমাধ্যমকে জানান, যানজটের কোনো আশংকা নেই। গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। সড়ক মহাসড়ক রক্ষার জন্য সরকারের নেয়া এই উদ্যোগে অবশ্যই সুফল মিলবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ বলেন, ওজন স্কেল শুধু চট্টগ্রামের মহাসড়কে রয়েছে কথাটি ঠিক নয়। বঙ্গবন্ধু সেতুর আগেও ওজনস্কেল রয়েছে। দেশের আরো ২১টি পয়েন্টে ২৮টি ওজন স্কেল স্থাপিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

সূত্র বলেছে, মোটরযান এঙেল লোড নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে ওজন স্কেল স্থাপিত হচ্ছে। নতুন আইনে ছয় চাকার যানবাহনে সর্বোচ্চ ওজনসীমা ২২ টন, ১০ চাকার ওজনসীমা ৩০ এবং ১৪ চাকার ওজনসীমা সর্বোচ্চ ৪০ টন, ১৮ চাকার ৪৭ টন, ২২ চাকার ৪৯ টন এবং ২৬ চাকার গাড়িতে ৫২ টন পণ্য পরিবহন করা যাবে। এর বাড়তি ওজনের গাড়ি ওভারলোড গাড়ি হিসেবে বিবেচিত হবে। বাড়তি ওজনের ক্ষেত্রে প্রথম টন কিংবা ভগ্নাংশের জন্য ৫ হাজার টাকা, পরবর্তী প্রতি টন এবং ভগ্নাংশের জন্য ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।

এই জরিমানা আদায়ের ব্যাপারটি নিয়েই কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য চলে বলে অভিযোগ। বলা হয়, ওভারলোড গাড়ি টাকার বিনিময়ে স্বাভাবিক ওজন দেখিয়ে ছাড় দেয়ার মাধ্যমে পরিবহন মালিকসহ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হয়ে থাকে।

কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু টোল প্লাজার অপারেশনাল ডিরেক্টর অপূর্ব সাহা গণমাধ্যমকে বলেন, ওজন স্কেলে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে এমন নজির নেই। বাড়তি ওজনের গাড়ি থেকে জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু এই রুটে তেমন কোনো বাড়তি ওজনের গাড়ি চলাচল করে না। স্বাভাবিক ওজনের গাড়িগুলো মুভিং স্কেলের উপর দিয়ে চলে যায়। তাদের থামতেও হয় না। তাদেরকে কোনো ফি দিতে হয় না। অপূর্ব সাহা বলেন, সড়ক মহাসড়ক রক্ষায় সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

নগর প্রতিবেদক: ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রামে আরো একটি ওজন স্কেল স্থাপন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে শাহ আমানত সেতুর পাশে স্থাপিত এই ওজন স্কেলটি নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দেশের সড়ক মহাসড়ক রক্ষা করতেই মূলত এই ওজন স্কেল স্থাপন করা হয়েছে। সারা দেশে ২১টি পয়েন্টে নতুন ২৮টা ওজন স্কেল স্থাপনের সরকারি উদ্যোগের অংশ এটা। চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে উভয়মুখী যানবাহনের ওজন পরিমাপ করা হবে এই মুভিং ওজন স্কেলে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশের সড়ক মহাসড়কের স্থায়িত্ব রক্ষায় যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে অনেকদিন ধরে। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা খরচ করে যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হলেও মূলত তা কার্যকর হয় না। বরং এর মাধ্যমে গুটিকয়েক মানুষের টাকা কামানোর মেশিন স্থাপন করে দেয়া হয়। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বড়দারোগার হাটে স্থাপিত ওজন স্কেল নিয়ে রয়েছে ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পাহাড়। এই স্কেল দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতানো বেশি হয় বলেও তারা বহুবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাদেশে ইচ্ছেমতো পণ্য নিয়ে ট্রাক কাভার্ডভ্যান বা কন্টেনার মুভার চলাচল করলেও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য ওজন স্কেল বসানো হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের হয়রানির পাশাপাশি বড় ধরণের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। তারা অনেকদিন ধরে এই ওজন স্কেল সরিয়ে নেয়ারও দাবি জানিয়ে আসছেন।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওজন স্কেল নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তির কোনো সুরাহা হওয়ার আগে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে নতুন করে এই ওজন স্কেল চালু করা হলো। বেশ কিছুদিন পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর পর গত কয়েকদিন ধরে পুরোদমে ওজন স্কেলের কার্যক্রম চলছে।

শাহ আমানত সেতুর পাশে স্থাপিত মুভিং ওজন স্কেলের উপর দিয়ে গাড়ি চলে যাওয়ার সময়ই ওজন রেকর্ড হচ্ছে। বাড়তি ওজনের গাড়িগুলো থেকে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। স্কেলের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ঘিরে ইতোমধ্যে যানজট শুরু হতে শুরু করেছে। পণ্যবাহী গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় যানজট প্রকট হওয়ারও আশংকা রয়েছে।

তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা গণমাধ্যমকে জানান, যানজটের কোনো আশংকা নেই। গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। সড়ক মহাসড়ক রক্ষার জন্য সরকারের নেয়া এই উদ্যোগে অবশ্যই সুফল মিলবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ বলেন, ওজন স্কেল শুধু চট্টগ্রামের মহাসড়কে রয়েছে কথাটি ঠিক নয়। বঙ্গবন্ধু সেতুর আগেও ওজনস্কেল রয়েছে। দেশের আরো ২১টি পয়েন্টে ২৮টি ওজন স্কেল স্থাপিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

সূত্র বলেছে, মোটরযান এঙেল লোড নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে ওজন স্কেল স্থাপিত হচ্ছে। নতুন আইনে ছয় চাকার যানবাহনে সর্বোচ্চ ওজনসীমা ২২ টন, ১০ চাকার ওজনসীমা ৩০ এবং ১৪ চাকার ওজনসীমা সর্বোচ্চ ৪০ টন, ১৮ চাকার ৪৭ টন, ২২ চাকার ৪৯ টন এবং ২৬ চাকার গাড়িতে ৫২ টন পণ্য পরিবহন করা যাবে। এর বাড়তি ওজনের গাড়ি ওভারলোড গাড়ি হিসেবে বিবেচিত হবে। বাড়তি ওজনের ক্ষেত্রে প্রথম টন কিংবা ভগ্নাংশের জন্য ৫ হাজার টাকা, পরবর্তী প্রতি টন এবং ভগ্নাংশের জন্য ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।

এই জরিমানা আদায়ের ব্যাপারটি নিয়েই কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য চলে বলে অভিযোগ। বলা হয়, ওভারলোড গাড়ি টাকার বিনিময়ে স্বাভাবিক ওজন দেখিয়ে ছাড় দেয়ার মাধ্যমে পরিবহন মালিকসহ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হয়ে থাকে।

কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু টোল প্লাজার অপারেশনাল ডিরেক্টর অপূর্ব সাহা গণমাধ্যমকে বলেন, ওজন স্কেলে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে এমন নজির নেই। বাড়তি ওজনের গাড়ি থেকে জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু এই রুটে তেমন কোনো বাড়তি ওজনের গাড়ি চলাচল করে না। স্বাভাবিক ওজনের গাড়িগুলো মুভিং স্কেলের উপর দিয়ে চলে যায়। তাদের থামতেও হয় না। তাদেরকে কোনো ফি দিতে হয় না। অপূর্ব সাহা বলেন, সড়ক মহাসড়ক রক্ষায় সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।