দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদুল আলমকে (৩৮) গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন র‍্যাব সদস্যরা।

বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় নাজিরপাড়া মাঠের একটি ইফতার মাহফিল থেকে তাকে গ্রেপ্তারের সময় উত্তেজিত জনতা র‍্যাবের দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।এই ঘটনায় র‍্যাবের অন্তত সাতজন সদস্য আহত হয়েছেন।

র‍্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা জানান, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনার সময় এই হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা র‍্যাবের দুটি গাড়িতে আগুন দিলে তিনিসহ সাতজন সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক দেবাশীষ জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহত সাত র‍্যাব সদস্যকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সাইফুল ইসলাম, খালিদ হোসেন, বেলাল হোসেন, সোহেল মিয়া, মোহাম্মদ সোহেল ও মোহাম্মদ কামরুল। এদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, নাজিরপাড়া থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফরিদুল আলমকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ ও কোস্টগার্ড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গ্রেপ্তার ফরিদুলকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদুল আলমকে (৩৮) গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন র‍্যাব সদস্যরা।

বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় নাজিরপাড়া মাঠের একটি ইফতার মাহফিল থেকে তাকে গ্রেপ্তারের সময় উত্তেজিত জনতা র‍্যাবের দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।এই ঘটনায় র‍্যাবের অন্তত সাতজন সদস্য আহত হয়েছেন।

র‍্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা জানান, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনার সময় এই হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা র‍্যাবের দুটি গাড়িতে আগুন দিলে তিনিসহ সাতজন সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক দেবাশীষ জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহত সাত র‍্যাব সদস্যকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সাইফুল ইসলাম, খালিদ হোসেন, বেলাল হোসেন, সোহেল মিয়া, মোহাম্মদ সোহেল ও মোহাম্মদ কামরুল। এদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, নাজিরপাড়া থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফরিদুল আলমকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ ও কোস্টগার্ড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গ্রেপ্তার ফরিদুলকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।