স্পোর্টস ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন নির্বাহী কমিটি এরই মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে। যদিও প্রথম সভাতে যাকিছু আলোচিত হয়েছে তার সবটুকুই অবকাঠামোগত। খেলাধুলা নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি।

তবে এরই মধ্যে ২০২৪ সাল থেকে ২০২৭ সাল মেয়াদের জন্য একটি ক্রীড়াপঞ্জি প্রণয়ন করেছে। যদিও প্রয়শই এধরনের একটি কাজ করে থাকে জেলা ক্রীড়া সংস্থা। কিন্তু বছর শেষে সেটা আর বাস্তবায়িত হয়না। এই ক্রীড়াপঞ্জিও সে পথে হাটবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

জেলা ক্রীড়া সংস্থা প্রনীত ক্রীড়াপঞ্জি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০২৭ সাল পর্যন্ত জানুয়ারী থেকে মে মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে ক্রিকেটের জন্য। যেখানে প্রিমিয়ার ডিভিশন, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ এবং তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ অনুষ্ঠিত হবে। যদিও এবারের প্রিমিয়ার লিগ অক্টোবরে নিয়ে যাওয়ার দাবি করছিল বেশ কয়েকটি ক্লাব।

তবে সিজেকেএস সাধারন সম্পাদক আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের একক সিদ্ধান্তে সেটা ফেব্রুয়ারীতে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। পুরুষ এবং মহিলা বাস্কেবল হবে ফেব্রূয়ারীতে। একই সময়ে হবে জুডুও। প্রিমিয়ার এবং প্রথম বিভাগ দাবার জন্য সময় রাখা হয়েছে ফেব্রুয়ারী এবং মার্চে। টেবিল টেনিস এবং হ্যান্ডবল হবে এপ্রিলে। মে মাসে শিডিউল রাখা হয়েছে সাঁতার এবং খো খো লিগের। কারাতে এবং তায়কোয়ান্ডো হবে জুনে। আরচ্যারি এবং ক্যারম হবে জুলাইয়ে। আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত হবে ফুটবল। যেখানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ লিগ, দ্বিতীয় বিভাগ এবং তৃতীয় বিভাগ লিগ। ব্যাডমিন্টনের জন্য স্লট রাখা হয়েছে আগস্টে। যেখানে হবে প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ লিগ এবং দ্বিতীয় বিভাগ লিগ। সেপ্টেম্বরে হবে সেপাক টাকরো এবং চুকবল। অক্টোবরে রাগবি এবং উশু। নভেম্বরে কাবাডি প্রিমিয়ার এবং প্রথম বিভাগ লিগ। একই সময়ে ভলিবলের প্রিমিয়ার, প্রথম বিভাগ এবং মহিলা লিগ অনুষ্ঠিত হবে। অ্যাথলেটিক্স এবং হকির জন্য সময় নির্ধারন করা হয়েছে ডিসেম্বরে। মুলত এভাবেই এক বছরের জণ্য ক্রীড়াপঞ্জি প্রনয়ন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থায় সবচাইতে বড় যে সমস্যাটাকে ক্রীড়া সংগঠকরা চিহ্নিত করেছে তা হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ প্রনীত আইন অনুযায়ী একক এবং দলগত মিলে মোট ৭টি ইভেন্ট খেললে তিনজন করে প্রতিনিধি পাবে নিবন্ধিত ক্লাব গুলো। আর সে কারনেই অনেকের মতে খেলাধুলার মান কমে গেছে। সবার মধ্যে ঐ তিনজন কাউন্সিলরের লক্ষ্যটা কাজ করে বেশি। ফলে যেন তেন একটি দল নামিয়ে দিয়ে কোনমতে অংশ গ্রহনই বড় কথা ভেবে খেলা শেষ করে দেয় ক্লাব গুলো। আর তাতে ফুটবল এবং ক্রিকেট বাদ দিলে অন্য কোন ইভেন্টে নেই কোন প্রতিদ্বন্দ্বীতা। একটি ক্লাবের সবচাইতে বড় পরিচিতি তার জার্সি এবং লগো। অথচ বেশিরভাগ ক্লাবের নিজস্ব লগো সম্বলিত জার্সিই থাকেনা। কোনমতে স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে এক সেট জার্সি কিনে কয়েকজনকে ধরে এনে নামিয়ে দিলেই যেন কাজ শেষ।

তবে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা সে ধারা কতটা রোধ করতে পারবে সেটাই এখন দেখার। এই ক্রীড়া পঞ্জি থেকে ৪টি দলগত এবং ৩টি একক ইভেন্টে অংশ নিলে তিনজন কাউন্সিলর পাবে দল গুলো। আর সে জন্য এরই মধ্যে দল গুলোর কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে তারা একক এবং দলগত কোন কোন ইভেন্ট খেলবে।

ক্রীড়াপঞ্জিতে উল্লেখ করা হয়েছে পুরুষদের বেলায় দলগত ইভেন্টের যেকোন লিগ বা টুর্নামেন্টে কমপক্ষে দশটি দল থাকতে হবে। আর মহিলাদের বেলায় কমপক্ষে ৬টি দল অংশ নিতে হবে। যদি কোন ইভেন্টে নির্ধারিত সংখ্যার ছেয়ে দল কম অংশ নেয় তাহলে তখন ইভেন্টে নাম না দিলেও এসব লিগ এবং টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে।

বরাবরই এ ধরনের ক্রীড়াপঞ্জি প্রনয়ণ করা হলেও দেখা যায় বছরের শেষদিকে গিয়ে খেলাধুলায় জট লেগে যায়। ফলে তড়িগড়ি করে যেনতেন একটি লিগ বা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে দায় সারা হয়। তবে যেহেতু নতুন কমিটি নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে সেহেতু এই ক্রীড়াপঞ্জি কতটা বাস্তবায়িত হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

স্পোর্টস ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন নির্বাহী কমিটি এরই মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে। যদিও প্রথম সভাতে যাকিছু আলোচিত হয়েছে তার সবটুকুই অবকাঠামোগত। খেলাধুলা নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি।

তবে এরই মধ্যে ২০২৪ সাল থেকে ২০২৭ সাল মেয়াদের জন্য একটি ক্রীড়াপঞ্জি প্রণয়ন করেছে। যদিও প্রয়শই এধরনের একটি কাজ করে থাকে জেলা ক্রীড়া সংস্থা। কিন্তু বছর শেষে সেটা আর বাস্তবায়িত হয়না। এই ক্রীড়াপঞ্জিও সে পথে হাটবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

জেলা ক্রীড়া সংস্থা প্রনীত ক্রীড়াপঞ্জি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০২৭ সাল পর্যন্ত জানুয়ারী থেকে মে মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে ক্রিকেটের জন্য। যেখানে প্রিমিয়ার ডিভিশন, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ এবং তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ অনুষ্ঠিত হবে। যদিও এবারের প্রিমিয়ার লিগ অক্টোবরে নিয়ে যাওয়ার দাবি করছিল বেশ কয়েকটি ক্লাব।

তবে সিজেকেএস সাধারন সম্পাদক আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের একক সিদ্ধান্তে সেটা ফেব্রুয়ারীতে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। পুরুষ এবং মহিলা বাস্কেবল হবে ফেব্রূয়ারীতে। একই সময়ে হবে জুডুও। প্রিমিয়ার এবং প্রথম বিভাগ দাবার জন্য সময় রাখা হয়েছে ফেব্রুয়ারী এবং মার্চে। টেবিল টেনিস এবং হ্যান্ডবল হবে এপ্রিলে। মে মাসে শিডিউল রাখা হয়েছে সাঁতার এবং খো খো লিগের। কারাতে এবং তায়কোয়ান্ডো হবে জুনে। আরচ্যারি এবং ক্যারম হবে জুলাইয়ে। আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত হবে ফুটবল। যেখানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ লিগ, দ্বিতীয় বিভাগ এবং তৃতীয় বিভাগ লিগ। ব্যাডমিন্টনের জন্য স্লট রাখা হয়েছে আগস্টে। যেখানে হবে প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ লিগ এবং দ্বিতীয় বিভাগ লিগ। সেপ্টেম্বরে হবে সেপাক টাকরো এবং চুকবল। অক্টোবরে রাগবি এবং উশু। নভেম্বরে কাবাডি প্রিমিয়ার এবং প্রথম বিভাগ লিগ। একই সময়ে ভলিবলের প্রিমিয়ার, প্রথম বিভাগ এবং মহিলা লিগ অনুষ্ঠিত হবে। অ্যাথলেটিক্স এবং হকির জন্য সময় নির্ধারন করা হয়েছে ডিসেম্বরে। মুলত এভাবেই এক বছরের জণ্য ক্রীড়াপঞ্জি প্রনয়ন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থায় সবচাইতে বড় যে সমস্যাটাকে ক্রীড়া সংগঠকরা চিহ্নিত করেছে তা হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ প্রনীত আইন অনুযায়ী একক এবং দলগত মিলে মোট ৭টি ইভেন্ট খেললে তিনজন করে প্রতিনিধি পাবে নিবন্ধিত ক্লাব গুলো। আর সে কারনেই অনেকের মতে খেলাধুলার মান কমে গেছে। সবার মধ্যে ঐ তিনজন কাউন্সিলরের লক্ষ্যটা কাজ করে বেশি। ফলে যেন তেন একটি দল নামিয়ে দিয়ে কোনমতে অংশ গ্রহনই বড় কথা ভেবে খেলা শেষ করে দেয় ক্লাব গুলো। আর তাতে ফুটবল এবং ক্রিকেট বাদ দিলে অন্য কোন ইভেন্টে নেই কোন প্রতিদ্বন্দ্বীতা। একটি ক্লাবের সবচাইতে বড় পরিচিতি তার জার্সি এবং লগো। অথচ বেশিরভাগ ক্লাবের নিজস্ব লগো সম্বলিত জার্সিই থাকেনা। কোনমতে স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে এক সেট জার্সি কিনে কয়েকজনকে ধরে এনে নামিয়ে দিলেই যেন কাজ শেষ।

তবে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা সে ধারা কতটা রোধ করতে পারবে সেটাই এখন দেখার। এই ক্রীড়া পঞ্জি থেকে ৪টি দলগত এবং ৩টি একক ইভেন্টে অংশ নিলে তিনজন কাউন্সিলর পাবে দল গুলো। আর সে জন্য এরই মধ্যে দল গুলোর কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে তারা একক এবং দলগত কোন কোন ইভেন্ট খেলবে।

ক্রীড়াপঞ্জিতে উল্লেখ করা হয়েছে পুরুষদের বেলায় দলগত ইভেন্টের যেকোন লিগ বা টুর্নামেন্টে কমপক্ষে দশটি দল থাকতে হবে। আর মহিলাদের বেলায় কমপক্ষে ৬টি দল অংশ নিতে হবে। যদি কোন ইভেন্টে নির্ধারিত সংখ্যার ছেয়ে দল কম অংশ নেয় তাহলে তখন ইভেন্টে নাম না দিলেও এসব লিগ এবং টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে।

বরাবরই এ ধরনের ক্রীড়াপঞ্জি প্রনয়ণ করা হলেও দেখা যায় বছরের শেষদিকে গিয়ে খেলাধুলায় জট লেগে যায়। ফলে তড়িগড়ি করে যেনতেন একটি লিগ বা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে দায় সারা হয়। তবে যেহেতু নতুন কমিটি নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে সেহেতু এই ক্রীড়াপঞ্জি কতটা বাস্তবায়িত হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।