জনাব,
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী আপনার গত ৫/১১/২০২৫ তারিখে দায়ের কৃত কোতোয়ালি থানার জি আর মামলা নং ০৯/৪৮৮ তারিখ০৫/১১/২৫ নং মামলার ২নং আসামী। গত ৫/১১/২০২৫ তারিখে আপনি আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যাক্তি সহ কতেক ব্যাক্তিবর্গকে শুনানির উদ্দেশ্যে নোটিশ মারফত ডেকেছিলেন। আমি ঐদিন উক্ত আনোয়ারুল হক এর সাথে শুনানিতে ছিলাম। আপনার সামনে বসে থাকা এক ব্যাক্তির একটি আমমোক্তারনামা দলিলের সাথে আনোয়ারুল হক এর স্বাক্ষর যাচাই করে উক্ত আনোয়ারুল হকের সাথে আমাকে সহ গ্রেফতার করেন। ঐ দিন তাকে কি কারনে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল?

যাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল তারা কারাছিল? শুনানি সংক্রান্ত কিছুই বুঝতে বা জানতে পারলাম না। তার আগেই আমি গ্রেফতার হয়ে গেলাম। মনে হয়েছিল এই শুনানিতে প্রশাসন কর্তৃপক্ষ নয় যেন প্রতিপক্ষ, গ্রেফতারের পরিকল্পনা আগেই নির্ধারণ করা, নোটিশ দিয়ে ডাকা হয়েছে মুলত গ্রেফতার করানোর জন্যই। স্যার আমি জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম এর কার্যালয়ে ২০০৪ সালে প্রতিবন্ধী কোটায় অতি ক্ষুদ্র একজন কর্মচারী হিসাবে চাকুরিতে যোগদান করি। ২০০৭ সালে আমাকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় বদলী করা হলে শারিরীক প্রতিবন্ধকতার কারনে ২০১০ সালের পর থেকে আমি আর কর্মস্থলে যায় নাই।

স্যার আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি। ছোটবেলায় ক্লাস টু’তে পড়ার সময় দুর্ঘটনায় আমার বামহাত হারানোর পর অনেক প্রতিকুলতার মাঝে বড় হয়েছি। চাকুরিকালীন সময়ে কয়েক বছর জেলা রেকর্ড রুমে আমার কাজ করার সুযোগ হয়। ঐ সময় আমি জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে অল্প কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করি। ফলে ২০১০ সাল থেকে অন্যান্য ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের জমির কাগজ সংক্রান্ত কাজে পরামর্শ দান সহ বিভিন্ন আইন গত সহযোগিতা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। যেদিন আপনি আমাকে জেলা প্রশাসনের কথেক ভুমি দস্যুদের সাথে রহস্যজনক আঁতাতে গ্রেফতার করে মামলা দিয়েছেন সেদিন ও আমি আমার জিবিকার তাগিদে ৩য় একজন ব্যক্তির অনুরোধে আনোয়ারুল হক নামের ঐ ব্যাক্তির সাথে সহযোগি হিসাবে তার সাথে শুনানি রুমে প্রবেশ করেছিলাম।

May be an image of one or more people and beard

অথচ উক্ত আনোয়ারুল হকের সাথে গ্রেফতার হওয়ার আনুমানিক আধাঘন্টা আগে প্রথমবারেরমতো তার সাথে দেখা ও পরিচয় হয়। স্যার আপনি আমাকে গ্রেফতার করার সময় একটুও চিন্তা করলেন না একজন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি পারিবারিক সহযোগিতা ছাড়া দৈনন্দিন প্রয়োজনীয স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না সে জেল হাজতে কিভাবে চলবে? বিগত ৩০ বছর আমি প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি হওয়া বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমের যুক্ত ছিলাম, গত ১৭ বছর দলের চরম দুঃসময়ে থাকা কালীন পুলিশ আমাকে ১দিনের জন্য ও গ্রেফতার করেনি, তারা প্রতিবন্ধী হিসাবে আমাকে বারবার দয়া দেখিয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন আমার উপর অত্যাচার করলে পুলিশ আমাকে দয়া দেখিয়ে বারবার সহযোগিতা করেছে। আমরা অনেকে মনেকরি পুলিশ অমানবিক নিষ্ঠুর, কিন্তু স্যার আপনার মানবতা তো পুলিশের সমানও নাই। স্যার আপনি আমাকে গ্রেফতার করার পর ৭৬ দিন জেল খেটেছি। ৭/৮ বার সি এম এম কোর্টে জামিন চেয়েছি। প্রতিবারই আপনার দপ্তর থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে আমাকে জামিন দেওয়া না হয়। পুলিশের কথায় মনে হয়েছে তাদের উপর আপনার দপ্তরের বিশেষ চাপ রয়েছে।

পরবর্তীতে মিসকেচ করে জজ কোর্ট থেকে জামিন নিতে হয়েছে। আমি আগেও বলেছি ১নং আসামির সাথে আমার গ্রেফতারের দিনই প্রথম পরিচয় তার পরও আদালতে আপনার তরফ থেকে বারবার বুঝানো হয়েছে আমিই মুল অপরাধী। স্যার আপনি সরকারের অতি উচ্চ পদের অধিকারি একজন, তারপরও কেন আপনি আমার উপর এমন অবিচার করলেন জানিনা, উক্ত জমির উপর আপনি বা বিশেষ কারো স্বার্থ জড়িত আছে কিনা তা ও জানিনা। নাকি আপনার অধস্তন কেউ আপনাকে ব্যবহার করেছে সেটা ও বুঝতে পারছি না। অন্য স্বাভাবিক মানুষের কারাভোগ আর একজন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির কারাভোগ এক নয়।

স্যার কারাভোগের সময় আমি যে কষ্ট ভোগ করেছি তার চাইতেও বেশি নির্যাতিত হয়েছে আমার ২টি জমজ দুধের শিশু সহ ৪টি শিশু কন্যা ও আমার স্ত্রী। ৭৬ দিন আমার স্ত্রীকে ২টি জমজ দুগ্ধপোষ্য শিশু নিয়ে কারাগারের ফটকে আর আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে। যে আইডি কার্ড ষড়যন্ত্রের কারনে আমাকে মামলা দিয়েছেন আমি জামিনে বের হয়ে মামলার কাগজপত্র দেখে আমার মনে হয়েছে সরকারি দপ্তরের ভিতরেই আইডি কার্ড ষড়যন্ত্রকারিরা লুকায়িত আছে। সেটা হতে পারে আপনাদের মত উর্ধতন কর্মকর্তারা বা আত্মীয় স্বজনদের নামে ১সনা লিজ নেওয়া আপনাদের কর্মচারীরা।

এই বিষয়ে প্রশাসনের প্রভাবমুক্ত কোন কর্তৃপক্ষ দ্বারা বিশেষ তদন্তের ব্যবস্থা করলে হয়ত আসল সত্য বের হতেও পারে। স্যার আমাকে গ্রেফতার করেছেন জালিয়াতি মামলায়, যে মামলায় শুধুমাত্র আমি শুনানিতে উপস্থিতি ছাড়া আমার সম্পৃক্ততার কোন ডকুমেন্টস আপনার কাছে নাই। তারপরও দেশের প্রথম সারির একাধিক পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বিষয়টি এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন আমি একজন বিরাট ভূমিদস্যু, জালিয়াতি চক্রের গডফাদার, স্যোসাল মিডিয়ায় বিষয়টি খুবই খারাপভাবে প্রচার করা হয়েছ।

আমার রাজনৈতিক অঙ্গন, সমাজ, পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব সহ সব জায়গায় আমাকে চরমভাবে অপদস্থ করা হয়েছে। স্যার, আমি একজন ভুমিহীন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি। পৈত্রিক সুত্রে ২শতক জমি পেয়েছিলাম অভাবের তারানায় সেটাও বিক্রি করে দিয়েছি ১৬ বছর আগে, এ অবস্থায় স্যার আপনি কিভাবে প্রচার করেন যে আমি একজন বিরাট ভূমিদস্যু বা জলিয়াত চক্রের মুল হোতা?

এই মামলায় আমার সংশ্লিষ্টতা থাকুক বা না থাকুক মামলার সত্যতা প্রমান হওয়ার আগেই এই ধরনের প্রচারণা চালানোর মধ্যে কি বিশেষ কারো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে? তারা কি কাউকে ভয় দেখাতে চাচ্ছে? হয়তো বুঝাতে চাচ্ছে এই জমির মালিকানা যেই দাবী করতে আসবে তাদেরও একই পরিনতি হবে। বিষয়টি তদন্তের যোগ্য।

স্যার প্রতিটি মানুষের আত্মমর্যাদা আছে, আমি কি পরিমানে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি সেটা আমিই জানি, আমার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমি আইনগত প্রতিকার চাই। আপনি মামলার বাদী তারপরও আপনার নিকট আইনি পরামর্শ চাই। আপনার মতো একজন অতি উচ্চ পদের অধিকারি একজনের বিরুদ্ধে আমার মতো একজন অতি সাধারণ মানুষের আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার আছে কিনা দয়াকরে সেটাও জানাবেন।

মোঃ তসলিম হোসেন
উজিরপুর, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
(চোখ রাখুন দি ক্রাইমে। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে)

জনাব,
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী আপনার গত ৫/১১/২০২৫ তারিখে দায়ের কৃত কোতোয়ালি থানার জি আর মামলা নং ০৯/৪৮৮ তারিখ০৫/১১/২৫ নং মামলার ২নং আসামী। গত ৫/১১/২০২৫ তারিখে আপনি আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যাক্তি সহ কতেক ব্যাক্তিবর্গকে শুনানির উদ্দেশ্যে নোটিশ মারফত ডেকেছিলেন। আমি ঐদিন উক্ত আনোয়ারুল হক এর সাথে শুনানিতে ছিলাম। আপনার সামনে বসে থাকা এক ব্যাক্তির একটি আমমোক্তারনামা দলিলের সাথে আনোয়ারুল হক এর স্বাক্ষর যাচাই করে উক্ত আনোয়ারুল হকের সাথে আমাকে সহ গ্রেফতার করেন। ঐ দিন তাকে কি কারনে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল?

যাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল তারা কারাছিল? শুনানি সংক্রান্ত কিছুই বুঝতে বা জানতে পারলাম না। তার আগেই আমি গ্রেফতার হয়ে গেলাম। মনে হয়েছিল এই শুনানিতে প্রশাসন কর্তৃপক্ষ নয় যেন প্রতিপক্ষ, গ্রেফতারের পরিকল্পনা আগেই নির্ধারণ করা, নোটিশ দিয়ে ডাকা হয়েছে মুলত গ্রেফতার করানোর জন্যই। স্যার আমি জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম এর কার্যালয়ে ২০০৪ সালে প্রতিবন্ধী কোটায় অতি ক্ষুদ্র একজন কর্মচারী হিসাবে চাকুরিতে যোগদান করি। ২০০৭ সালে আমাকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় বদলী করা হলে শারিরীক প্রতিবন্ধকতার কারনে ২০১০ সালের পর থেকে আমি আর কর্মস্থলে যায় নাই।

স্যার আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি। ছোটবেলায় ক্লাস টু’তে পড়ার সময় দুর্ঘটনায় আমার বামহাত হারানোর পর অনেক প্রতিকুলতার মাঝে বড় হয়েছি। চাকুরিকালীন সময়ে কয়েক বছর জেলা রেকর্ড রুমে আমার কাজ করার সুযোগ হয়। ঐ সময় আমি জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে অল্প কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করি। ফলে ২০১০ সাল থেকে অন্যান্য ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের জমির কাগজ সংক্রান্ত কাজে পরামর্শ দান সহ বিভিন্ন আইন গত সহযোগিতা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। যেদিন আপনি আমাকে জেলা প্রশাসনের কথেক ভুমি দস্যুদের সাথে রহস্যজনক আঁতাতে গ্রেফতার করে মামলা দিয়েছেন সেদিন ও আমি আমার জিবিকার তাগিদে ৩য় একজন ব্যক্তির অনুরোধে আনোয়ারুল হক নামের ঐ ব্যাক্তির সাথে সহযোগি হিসাবে তার সাথে শুনানি রুমে প্রবেশ করেছিলাম।

May be an image of one or more people and beard

অথচ উক্ত আনোয়ারুল হকের সাথে গ্রেফতার হওয়ার আনুমানিক আধাঘন্টা আগে প্রথমবারেরমতো তার সাথে দেখা ও পরিচয় হয়। স্যার আপনি আমাকে গ্রেফতার করার সময় একটুও চিন্তা করলেন না একজন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি পারিবারিক সহযোগিতা ছাড়া দৈনন্দিন প্রয়োজনীয স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না সে জেল হাজতে কিভাবে চলবে? বিগত ৩০ বছর আমি প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি হওয়া বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমের যুক্ত ছিলাম, গত ১৭ বছর দলের চরম দুঃসময়ে থাকা কালীন পুলিশ আমাকে ১দিনের জন্য ও গ্রেফতার করেনি, তারা প্রতিবন্ধী হিসাবে আমাকে বারবার দয়া দেখিয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন আমার উপর অত্যাচার করলে পুলিশ আমাকে দয়া দেখিয়ে বারবার সহযোগিতা করেছে। আমরা অনেকে মনেকরি পুলিশ অমানবিক নিষ্ঠুর, কিন্তু স্যার আপনার মানবতা তো পুলিশের সমানও নাই। স্যার আপনি আমাকে গ্রেফতার করার পর ৭৬ দিন জেল খেটেছি। ৭/৮ বার সি এম এম কোর্টে জামিন চেয়েছি। প্রতিবারই আপনার দপ্তর থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে আমাকে জামিন দেওয়া না হয়। পুলিশের কথায় মনে হয়েছে তাদের উপর আপনার দপ্তরের বিশেষ চাপ রয়েছে।

পরবর্তীতে মিসকেচ করে জজ কোর্ট থেকে জামিন নিতে হয়েছে। আমি আগেও বলেছি ১নং আসামির সাথে আমার গ্রেফতারের দিনই প্রথম পরিচয় তার পরও আদালতে আপনার তরফ থেকে বারবার বুঝানো হয়েছে আমিই মুল অপরাধী। স্যার আপনি সরকারের অতি উচ্চ পদের অধিকারি একজন, তারপরও কেন আপনি আমার উপর এমন অবিচার করলেন জানিনা, উক্ত জমির উপর আপনি বা বিশেষ কারো স্বার্থ জড়িত আছে কিনা তা ও জানিনা। নাকি আপনার অধস্তন কেউ আপনাকে ব্যবহার করেছে সেটা ও বুঝতে পারছি না। অন্য স্বাভাবিক মানুষের কারাভোগ আর একজন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির কারাভোগ এক নয়।

স্যার কারাভোগের সময় আমি যে কষ্ট ভোগ করেছি তার চাইতেও বেশি নির্যাতিত হয়েছে আমার ২টি জমজ দুধের শিশু সহ ৪টি শিশু কন্যা ও আমার স্ত্রী। ৭৬ দিন আমার স্ত্রীকে ২টি জমজ দুগ্ধপোষ্য শিশু নিয়ে কারাগারের ফটকে আর আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে। যে আইডি কার্ড ষড়যন্ত্রের কারনে আমাকে মামলা দিয়েছেন আমি জামিনে বের হয়ে মামলার কাগজপত্র দেখে আমার মনে হয়েছে সরকারি দপ্তরের ভিতরেই আইডি কার্ড ষড়যন্ত্রকারিরা লুকায়িত আছে। সেটা হতে পারে আপনাদের মত উর্ধতন কর্মকর্তারা বা আত্মীয় স্বজনদের নামে ১সনা লিজ নেওয়া আপনাদের কর্মচারীরা।

এই বিষয়ে প্রশাসনের প্রভাবমুক্ত কোন কর্তৃপক্ষ দ্বারা বিশেষ তদন্তের ব্যবস্থা করলে হয়ত আসল সত্য বের হতেও পারে। স্যার আমাকে গ্রেফতার করেছেন জালিয়াতি মামলায়, যে মামলায় শুধুমাত্র আমি শুনানিতে উপস্থিতি ছাড়া আমার সম্পৃক্ততার কোন ডকুমেন্টস আপনার কাছে নাই। তারপরও দেশের প্রথম সারির একাধিক পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বিষয়টি এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন আমি একজন বিরাট ভূমিদস্যু, জালিয়াতি চক্রের গডফাদার, স্যোসাল মিডিয়ায় বিষয়টি খুবই খারাপভাবে প্রচার করা হয়েছ।

আমার রাজনৈতিক অঙ্গন, সমাজ, পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব সহ সব জায়গায় আমাকে চরমভাবে অপদস্থ করা হয়েছে। স্যার, আমি একজন ভুমিহীন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি। পৈত্রিক সুত্রে ২শতক জমি পেয়েছিলাম অভাবের তারানায় সেটাও বিক্রি করে দিয়েছি ১৬ বছর আগে, এ অবস্থায় স্যার আপনি কিভাবে প্রচার করেন যে আমি একজন বিরাট ভূমিদস্যু বা জলিয়াত চক্রের মুল হোতা?

এই মামলায় আমার সংশ্লিষ্টতা থাকুক বা না থাকুক মামলার সত্যতা প্রমান হওয়ার আগেই এই ধরনের প্রচারণা চালানোর মধ্যে কি বিশেষ কারো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে? তারা কি কাউকে ভয় দেখাতে চাচ্ছে? হয়তো বুঝাতে চাচ্ছে এই জমির মালিকানা যেই দাবী করতে আসবে তাদেরও একই পরিনতি হবে। বিষয়টি তদন্তের যোগ্য।

স্যার প্রতিটি মানুষের আত্মমর্যাদা আছে, আমি কি পরিমানে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি সেটা আমিই জানি, আমার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমি আইনগত প্রতিকার চাই। আপনি মামলার বাদী তারপরও আপনার নিকট আইনি পরামর্শ চাই। আপনার মতো একজন অতি উচ্চ পদের অধিকারি একজনের বিরুদ্ধে আমার মতো একজন অতি সাধারণ মানুষের আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার আছে কিনা দয়াকরে সেটাও জানাবেন।

মোঃ তসলিম হোসেন
উজিরপুর, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
(চোখ রাখুন দি ক্রাইমে। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে)