নগর প্রতিবেদক: রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুমনের লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন এবং হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ খুনীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত খুনীরা হলেন- মফিজুর রহমান দুলু, মোঃ মামুন ও নুর হাসান রিটু। এদের বাড়ী চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকা ও চন্দনাইশ থানার ৫নং বরমা ইউনিয়নে।

পুলিশ জানায়, ভিকটিম সুমনকে কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী রোড মুরগীহাটা লেইনস্থ সুপার মার্কেট ২য় তলা মুজিবুল হক এর ঘরে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লোহার রড, পাইপ, লোহার প্লাস দিয়ে এলোপাতাড়ী মারধর করে হত্যা করে।

এ সংক্রান্তে প্রাথমিক সংবাদ প্রাপ্তির পর উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বর্তমানে এডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এর সার্বিক নির্দেশনায় এডিসি (দক্ষিণ)নোবেল চাকমা এসি (কোতোয়ালী জোন) অতনু চক্রবর্ত্তী, অফিসার ইনচার্জ, এস. এম ওবায়েদুল হক দের নেতৃত্বে এসআই এইচ এম এরশাদ উল্লাহ, এসআই মোঃ মোমিনুল হাসান, এসআই মোঃ মেহেদী হাসান, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, এএসআই রণেশ বড়ুয়া, এএসআই সাইফুল আলম, এএসআই রুবেল মজুমদার সহ কোতোয়ালী থানার অফিসারদের নিয়ে একাধিক চৌকস টিম গঠন করা হয়।

ভিকটিমের মামার দেওয়া বর্ণনার ভিত্তিতে ভিকটিমকে হত্যাকারী আসামী দুলু, মামুন দেরকে সনাক্ত করা হয়। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর)গভীর রাতে কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার, জামালখান ও হেমসেন লেইন, আসকারদিঘীর পাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভিকটিম সুমন দীর্ঘদিন ধরে আসামী দুলুর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ ভাড়াকৃত রুমে আসা যাওয়া করত এবং সেখানে গিয়ে তারা সবাই একসাথে মাদক সেবন করে, আড্ডা দিত। আসামী দুলু ও ভিকটিম সুমন স্বর্ণ চোরাচালান ও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ছিল। এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে লেনদেন হয়। লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। সুমনের কাছ থেকে আসামী দুলু টাকা পাওনা থাকলেও টাকা না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। আসামী দুলু বাকবিতন্ডার জের ধরে নিজে ভিকটিম সুমনকে আসামী মামুন, নুর হাসান রিটুদের সহায়তায় লোহার রড,প্লাস্টিকের পাইপ, লোহার প্লাস, দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।

ভিকটিম সুমন মাদক সেবনরত অবস্থায় দুলুকে স্বর্ণ ক্রয়ের জন্য টেকনাফ নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। বিষয়টি মামুন জানতে পেরে দুলুর মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয় যে, সুমন দুলুকে মারার জন্য লোক ঠিক করেছে, তাকে টেকনাফ নিয়ে যাবে বলেছে, তার জন্য কয়েকজন লোক ঠিক করেছে এবং ইতিমধ্যে কয়েকজন লোককে দিয়ে দুলুর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ অফিস রেকি করিয়েছে। এই বিষয়ে সন্দেহ ঢুকায় ভিকটিম সুমন গত শনিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে দুলুর ভাড়াকৃত রুমে মাদক সেবন করতে গেলে সেখানে তাকে আটক করে তাকে মারার জন্য কাকে ঠিক করেছে এবং দু’জন লোক দিয়ে তার বাসা রেকি করার বিষয়ে বারংবার জিজ্ঞেস করে।

এই বিষয়ে সুমন কোন তথ্য না দেওয়াতে দুলু ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি, লোহার রড, প্লাস্টিকের পাইপ, লোহার প্লাস দিয়ে মারধর করে সুমনের কাছ থেকে তথ্য বের করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মামুন ও নুর হাসান রিটুদেরকে দিয়ে মারধর করে তথ্য বের করার চেষ্টা করেও না পেয়ে সুমনকে হাত বেধে উলঙ্গ করে এলোপাতাড়ী মারধর করে ‍হত্যা করে।
উল্লেখ্য যে, উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৪৭,তাং ২৮/১১/২৩, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়।

নগর প্রতিবেদক: রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুমনের লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন এবং হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ খুনীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত খুনীরা হলেন- মফিজুর রহমান দুলু, মোঃ মামুন ও নুর হাসান রিটু। এদের বাড়ী চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকা ও চন্দনাইশ থানার ৫নং বরমা ইউনিয়নে।

পুলিশ জানায়, ভিকটিম সুমনকে কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী রোড মুরগীহাটা লেইনস্থ সুপার মার্কেট ২য় তলা মুজিবুল হক এর ঘরে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লোহার রড, পাইপ, লোহার প্লাস দিয়ে এলোপাতাড়ী মারধর করে হত্যা করে।

এ সংক্রান্তে প্রাথমিক সংবাদ প্রাপ্তির পর উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বর্তমানে এডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এর সার্বিক নির্দেশনায় এডিসি (দক্ষিণ)নোবেল চাকমা এসি (কোতোয়ালী জোন) অতনু চক্রবর্ত্তী, অফিসার ইনচার্জ, এস. এম ওবায়েদুল হক দের নেতৃত্বে এসআই এইচ এম এরশাদ উল্লাহ, এসআই মোঃ মোমিনুল হাসান, এসআই মোঃ মেহেদী হাসান, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, এএসআই রণেশ বড়ুয়া, এএসআই সাইফুল আলম, এএসআই রুবেল মজুমদার সহ কোতোয়ালী থানার অফিসারদের নিয়ে একাধিক চৌকস টিম গঠন করা হয়।

ভিকটিমের মামার দেওয়া বর্ণনার ভিত্তিতে ভিকটিমকে হত্যাকারী আসামী দুলু, মামুন দেরকে সনাক্ত করা হয়। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর)গভীর রাতে কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার, জামালখান ও হেমসেন লেইন, আসকারদিঘীর পাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভিকটিম সুমন দীর্ঘদিন ধরে আসামী দুলুর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ ভাড়াকৃত রুমে আসা যাওয়া করত এবং সেখানে গিয়ে তারা সবাই একসাথে মাদক সেবন করে, আড্ডা দিত। আসামী দুলু ও ভিকটিম সুমন স্বর্ণ চোরাচালান ও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ছিল। এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে লেনদেন হয়। লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। সুমনের কাছ থেকে আসামী দুলু টাকা পাওনা থাকলেও টাকা না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। আসামী দুলু বাকবিতন্ডার জের ধরে নিজে ভিকটিম সুমনকে আসামী মামুন, নুর হাসান রিটুদের সহায়তায় লোহার রড,প্লাস্টিকের পাইপ, লোহার প্লাস, দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।

ভিকটিম সুমন মাদক সেবনরত অবস্থায় দুলুকে স্বর্ণ ক্রয়ের জন্য টেকনাফ নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। বিষয়টি মামুন জানতে পেরে দুলুর মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয় যে, সুমন দুলুকে মারার জন্য লোক ঠিক করেছে, তাকে টেকনাফ নিয়ে যাবে বলেছে, তার জন্য কয়েকজন লোক ঠিক করেছে এবং ইতিমধ্যে কয়েকজন লোককে দিয়ে দুলুর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ অফিস রেকি করিয়েছে। এই বিষয়ে সন্দেহ ঢুকায় ভিকটিম সুমন গত শনিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে দুলুর ভাড়াকৃত রুমে মাদক সেবন করতে গেলে সেখানে তাকে আটক করে তাকে মারার জন্য কাকে ঠিক করেছে এবং দু’জন লোক দিয়ে তার বাসা রেকি করার বিষয়ে বারংবার জিজ্ঞেস করে।

এই বিষয়ে সুমন কোন তথ্য না দেওয়াতে দুলু ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি, লোহার রড, প্লাস্টিকের পাইপ, লোহার প্লাস দিয়ে মারধর করে সুমনের কাছ থেকে তথ্য বের করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মামুন ও নুর হাসান রিটুদেরকে দিয়ে মারধর করে তথ্য বের করার চেষ্টা করেও না পেয়ে সুমনকে হাত বেধে উলঙ্গ করে এলোপাতাড়ী মারধর করে ‍হত্যা করে।
উল্লেখ্য যে, উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৪৭,তাং ২৮/১১/২৩, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়।