দি ক্রাইম ডেস্ক: দেশের সর্বদক্ষিণের দুই সীমান্ত উপজেলা উখিয়া ও টেকনাফ নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা শিগগিরই সমাধান করা হবে, ২০২৭ সালের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গুডবাই জানানো হবে। সরকার এ বিষয়ে তৎপর আছে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই কমিটি করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,পররাষ্ট্রমন্ত্রীও কাজ করছেন।

শনিবার (২ মে) দুপুরে উখিয়ার পালংখালীতে স্টেশনে আয়োজিত উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ৭ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয়রা চাকরি করবে এটা আমাদের অধিকার। আজকের এই সমাবেশ থেকে আমি স্থানীয়দের আরও চাকরি ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে দাবি আদায় করতে হবে।’

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোছাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয়দের পক্ষে ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

রবিউল হোছাইন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল বন্ধ, মাদক চোরাচালান বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, চাকরিতে ৫০ শতাংশ স্থানীয় নিয়োগ নিশ্চিতকরণের মতো জনদাবিগুলোর বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টদের সে বার্তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার আজাদের সঞ্চালনায় এ সময় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরোয়ার জাহান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম.এ মোক্তার আহমদ, কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি এড. রেজাউল করিমসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। নতুন পুরাতন মিলিয়ে প্রায় ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে বর্তমানে বাস করছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: দেশের সর্বদক্ষিণের দুই সীমান্ত উপজেলা উখিয়া ও টেকনাফ নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা শিগগিরই সমাধান করা হবে, ২০২৭ সালের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গুডবাই জানানো হবে। সরকার এ বিষয়ে তৎপর আছে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই কমিটি করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,পররাষ্ট্রমন্ত্রীও কাজ করছেন।

শনিবার (২ মে) দুপুরে উখিয়ার পালংখালীতে স্টেশনে আয়োজিত উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ৭ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয়রা চাকরি করবে এটা আমাদের অধিকার। আজকের এই সমাবেশ থেকে আমি স্থানীয়দের আরও চাকরি ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে দাবি আদায় করতে হবে।’

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোছাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয়দের পক্ষে ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

রবিউল হোছাইন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল বন্ধ, মাদক চোরাচালান বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, চাকরিতে ৫০ শতাংশ স্থানীয় নিয়োগ নিশ্চিতকরণের মতো জনদাবিগুলোর বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টদের সে বার্তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার আজাদের সঞ্চালনায় এ সময় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরোয়ার জাহান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম.এ মোক্তার আহমদ, কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি এড. রেজাউল করিমসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। নতুন পুরাতন মিলিয়ে প্রায় ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে বর্তমানে বাস করছে।