নগর প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

আজ রবিবার(০৩ মে) নগরীর চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোঃ আবু সুফিয়ান এই সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী বন্ধু আনামুল হক ইকবালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে একটি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে-এটা আমাদের পরম পাওনা। পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ডায়ালাইসিস ইউনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল দু’টির সমস্যা পুঙ্খানুপঙ্খরূপে ফাইল আকারে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র সাথেও হাসপাতালগুলোর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। সমস্যা সমাধানসহ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে যত বরাদ্ধ লাগবে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন করবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার চেহারা পাল্টে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, চিকিৎসাসেবায় মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। প্রাইভেট সেক্টরে যে সকল হাসপাতালগুলো গড়ে উঠেছে সেগুলোতে চিকিৎসা থাকলেও চিকিৎসা নিতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা নেই। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে অনেকে চিকিৎসার জন্য যায়, কিন্তু বের হওয়ার সময় সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বের হতে হয়। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই-যাতে আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। সরকারী হাসপাতালে গিয়ে মানুষ যাতে সেবাগুলো পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন এমপি।

এনেস্থেসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশ ও সার্জারী ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন,প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নগর প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

আজ রবিবার(০৩ মে) নগরীর চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোঃ আবু সুফিয়ান এই সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী বন্ধু আনামুল হক ইকবালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে একটি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে-এটা আমাদের পরম পাওনা। পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ডায়ালাইসিস ইউনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল দু’টির সমস্যা পুঙ্খানুপঙ্খরূপে ফাইল আকারে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র সাথেও হাসপাতালগুলোর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। সমস্যা সমাধানসহ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে যত বরাদ্ধ লাগবে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন করবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার চেহারা পাল্টে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, চিকিৎসাসেবায় মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। প্রাইভেট সেক্টরে যে সকল হাসপাতালগুলো গড়ে উঠেছে সেগুলোতে চিকিৎসা থাকলেও চিকিৎসা নিতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা নেই। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে অনেকে চিকিৎসার জন্য যায়, কিন্তু বের হওয়ার সময় সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বের হতে হয়। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই-যাতে আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। সরকারী হাসপাতালে গিয়ে মানুষ যাতে সেবাগুলো পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন এমপি।

এনেস্থেসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশ ও সার্জারী ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন,প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।