নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সংরক্ষিত বনভূমি হতে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করার দায়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার জন্য গত ২৩ নভেম্বর লোহাগাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের রিসার্চ অফিসার মোঃ আশরাফ উদ্দীন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির লম্বাশিয়া এলাকা হতে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করে আসছেন অন্তত ১০ মাস ধরে। লম্বাশিয়া এলাকার কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় কেটে এবং সমতল স্থানে ড্রেজিং বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ১০-১২টি বিশালাকার স্তুপে আনুমানিক ২০ লাখ ঘনফুট বালু রাখা হয়েছে।

মামলার এজাহারকারী কর্মকর্তা কর্তৃক পরিদর্শন ও তদন্তের সময় অভিযুক্তগণ তদন্তকারী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গত ২২ নভেম্বর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের সময় খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অভিযুক্তগণ সরাসরি এবং তাদের নির্দেশে কিছু অজ্ঞাত শ্রমিক প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলনের কাজ করেছেন। তারা অবৈধভাবে পাহাড় কেটে এবং ছড়া থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেন।

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৩ মার্চ তারিখে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি), লোহাগাড়া ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লাখ ঘনফুট বালু ও ৭টি বালুর স্তুপ এবং ডাম্প ট্রাক জব্দ করেন। কিন্তু অভিযুক্তগণ এরপরেও প্রায় প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রয় করে আসছেন। ফলে পাশ্ববর্তী বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধ্বস ও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এবং কৃষিজমি বর্ষা মৌসুমে বিলিন হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। বনবিভাগের সংরক্ষিত বনভূমি ধ্বংস করায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বন আইনেও একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।

অপরাধীরা একই অপরাধ বারবার সংগঠন করে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে, লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহের আবু, শহিদুল ইসলাম দুলু, মোঃ মিনহাজ, আব্দুল করিম, রশিদ আহমদ বানু, শফিক আহমদ, কায়সার, রিয়াদ, মামুন ও ইসমাইল।

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সংরক্ষিত বনভূমি হতে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করার দায়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার জন্য গত ২৩ নভেম্বর লোহাগাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের রিসার্চ অফিসার মোঃ আশরাফ উদ্দীন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির লম্বাশিয়া এলাকা হতে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করে আসছেন অন্তত ১০ মাস ধরে। লম্বাশিয়া এলাকার কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় কেটে এবং সমতল স্থানে ড্রেজিং বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ১০-১২টি বিশালাকার স্তুপে আনুমানিক ২০ লাখ ঘনফুট বালু রাখা হয়েছে।

মামলার এজাহারকারী কর্মকর্তা কর্তৃক পরিদর্শন ও তদন্তের সময় অভিযুক্তগণ তদন্তকারী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গত ২২ নভেম্বর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের সময় খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অভিযুক্তগণ সরাসরি এবং তাদের নির্দেশে কিছু অজ্ঞাত শ্রমিক প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলনের কাজ করেছেন। তারা অবৈধভাবে পাহাড় কেটে এবং ছড়া থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেন।

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৩ মার্চ তারিখে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি), লোহাগাড়া ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লাখ ঘনফুট বালু ও ৭টি বালুর স্তুপ এবং ডাম্প ট্রাক জব্দ করেন। কিন্তু অভিযুক্তগণ এরপরেও প্রায় প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রয় করে আসছেন। ফলে পাশ্ববর্তী বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধ্বস ও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এবং কৃষিজমি বর্ষা মৌসুমে বিলিন হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। বনবিভাগের সংরক্ষিত বনভূমি ধ্বংস করায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বন আইনেও একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।

অপরাধীরা একই অপরাধ বারবার সংগঠন করে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে, লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহের আবু, শহিদুল ইসলাম দুলু, মোঃ মিনহাজ, আব্দুল করিম, রশিদ আহমদ বানু, শফিক আহমদ, কায়সার, রিয়াদ, মামুন ও ইসমাইল।