সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়ায় শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে অফিসে বসে গল্পে মশগুল থাকার অভিযোগে পাঁচ শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করেছেন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। কেন অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না তার জন্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর ওই কৈফিয়তের জবাব দিতে বলা হয়। গত বুধবার (১৫ নভেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কৈফিয়ত তলব করেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, সহকারি শিক্ষক অর্পণা দত্ত, জহির আহমদ, মৌসুমী দাশগুপ্তা, সিদ্দিকা আফরোজ ও জান্নাতুল ফেরদৌস।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের কথা অমান্য ও সরকারি চাকুরিবিধি লংঘন করে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে গল্পে মশগুল থাকার অভিযোগ পায় শিক্ষা কর্মকর্তা। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মাহবুব স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পায়।

কৈফিয়ত পত্র থেকে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় উল্লিখিত শিক্ষকরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করে গল্পরত অবস্থায় ছিল বলে কৈফিয়তে শিক্ষা কর্মকর্তা উল্লেখ করেন। যা সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল ২ এর খ (আ)ধারা মোতাবেক জঘন্য অপরাধ।

কৈফিয়ত থেকে আরও জানা যায়, শিক্ষকরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছেন এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে মারাত্মকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন। ওই পত্রে তিন কার্য দিবসের মধ্যে সশরীরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে হাজির হয়ে জবাব দাখিল করতে বলা হয়।
জানাযায়, বিদ্যালয়টিতে প্রাক—প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২১৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষক রয়েছেন ছয়জন। সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদান শুরু হওয়ার নিয়ম রয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক অর্পণা দত্ত ও জহির আহমদসহ অন্যান্য শিক্ষকরা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয় উল্লেখ করে বলেন, স্যার (গোলাম মাহাবুব) যেদিন বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান সেদিন আমরা শ্রেণি কার্যক্রম শেষে অফিসে বসে স্কুল সংক্রান্ত একটি বিষয়ে আলাপ করছিলাম। স্যার তো দুই মিনিটও ছিলেন না। তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষকের সাথে পূর্বের প্রধান শিক্ষকের মানসিক দ্বন্দ্ব ছিল। বিষয়টি তিনি আমাদের উপর চাপিয়ে স্যার কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। কৈফিয়তের জবাবে তারা সব উল্লেখ করবেন বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল মালেক বলেন, শিক্ষকরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বসে প্রায় সময় গল্পে মশগুল থাকেন। তাদের অনুরোধ করার পরও আমার কথা না শুনায় বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মাহবুব বলেন, বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে সরকারি চাকুরী বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়ায় শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে অফিসে বসে গল্পে মশগুল থাকার অভিযোগে পাঁচ শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করেছেন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। কেন অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না তার জন্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর ওই কৈফিয়তের জবাব দিতে বলা হয়। গত বুধবার (১৫ নভেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কৈফিয়ত তলব করেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, সহকারি শিক্ষক অর্পণা দত্ত, জহির আহমদ, মৌসুমী দাশগুপ্তা, সিদ্দিকা আফরোজ ও জান্নাতুল ফেরদৌস।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের কথা অমান্য ও সরকারি চাকুরিবিধি লংঘন করে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে গল্পে মশগুল থাকার অভিযোগ পায় শিক্ষা কর্মকর্তা। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মাহবুব স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পায়।

কৈফিয়ত পত্র থেকে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় উল্লিখিত শিক্ষকরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করে গল্পরত অবস্থায় ছিল বলে কৈফিয়তে শিক্ষা কর্মকর্তা উল্লেখ করেন। যা সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল ২ এর খ (আ)ধারা মোতাবেক জঘন্য অপরাধ।

কৈফিয়ত থেকে আরও জানা যায়, শিক্ষকরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছেন এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে মারাত্মকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন। ওই পত্রে তিন কার্য দিবসের মধ্যে সশরীরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে হাজির হয়ে জবাব দাখিল করতে বলা হয়।
জানাযায়, বিদ্যালয়টিতে প্রাক—প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২১৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষক রয়েছেন ছয়জন। সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদান শুরু হওয়ার নিয়ম রয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক অর্পণা দত্ত ও জহির আহমদসহ অন্যান্য শিক্ষকরা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয় উল্লেখ করে বলেন, স্যার (গোলাম মাহাবুব) যেদিন বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান সেদিন আমরা শ্রেণি কার্যক্রম শেষে অফিসে বসে স্কুল সংক্রান্ত একটি বিষয়ে আলাপ করছিলাম। স্যার তো দুই মিনিটও ছিলেন না। তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষকের সাথে পূর্বের প্রধান শিক্ষকের মানসিক দ্বন্দ্ব ছিল। বিষয়টি তিনি আমাদের উপর চাপিয়ে স্যার কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। কৈফিয়তের জবাবে তারা সব উল্লেখ করবেন বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল মালেক বলেন, শিক্ষকরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বসে প্রায় সময় গল্পে মশগুল থাকেন। তাদের অনুরোধ করার পরও আমার কথা না শুনায় বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মাহবুব বলেন, বড়দুয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে সরকারি চাকুরী বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।