উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর মেগা সিটি উত্তরার প্রাণ কেন্দ্র হাউস বিল্ডিং এলাকার জনসাধারণ লেগুনা স্যান্ড যানজটে নাকাল।টোকেন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে সড়কগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ লেগুনা। উত্তরা হাউস বিল্ডিং এর পূর্ব পাশে মাস্কট প্লাজা সংলগ্ন সবচেয়ে ব্যাস্ততম রোড় সোনারগাঁও জনপথ রোড।

উত্তরার ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে এই লেগুনা স্টান্ড। হাউজ বিল্ডিং থেকে দিয়াবাড়ি এই এক রুটেই চলে ৫০০ লেগুনা। রোডটির পূর্বপাশে ও পশ্চিম পাশে দু’টি ট্রাফিক পুলিশ বক্স এর পর দিয়াবাড়ি বিআরটিএ অফিস এসবের কোন তোয়াক্কা না করে অবাধে চলছে এসব অবৈধ লেগুনা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফিটনেসবিহীন লক্করঝক্কর এক একটা সিরিয়ালের লেগুনা সিটি পরিবহন নামে লাল রং দিয়ে লিখেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নাই কোন ফিটনেস,রোড পার্মিট ও রেজিষ্ট্রেশন। দি ক্রাইমের অনুসন্ধানে উঠে আসে এই লেগুনা স্টান্ডে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজির চিত্র। প্রতিটি লেগুনা থেকে কথিত জিপি বাবদ নেওয়া হয় প্রতি প্রতিদিন ৭০০ টাকা।

লেগুনা চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজু সালাউদ্দিন আমিন ও রুবেল চাঁদার টাকা উত্তোলন করছে। আর এদের সেল্টার দিচ্ছে ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বর্তমানে ১৮ আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী আফছার উদ্দিন।

এবিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক জোনের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, এসব বিষয়ে আপনি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিবো। আপনি একটু থানায়ও কথা বলেন, ওদেরকে তো মামলা দিয়ে থানায় দিতে হবে। তবে ভাড়াসহ সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় ঢাকায় লেগুনা-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অভিযোগ জানানোর সুযোগও নেই। বেশ আগে সরকারিভাবে ঢাকার সড়ক থেকে লেগুনা তুলে দেওয়ার ঘোষণা এসেছিল। কিন্তু সেই ঘোষণা বেশি দিন কার্যকর থাকেনি।

অধিক যাত্রী আর ফিটনেস বিহীন লক্করঝক্কর মার্কা গাড়ি গুলোর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন কোন বিধি সম্মত ব্যবস্থা না নেয়ায় হর হামেশা সড়ক দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে মারা যাচ্ছে। তদুপরি কিশোরা এসব গাড়ীগুলো চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধিও পাচ্ছে।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর মেগা সিটি উত্তরার প্রাণ কেন্দ্র হাউস বিল্ডিং এলাকার জনসাধারণ লেগুনা স্যান্ড যানজটে নাকাল।টোকেন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে সড়কগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ লেগুনা। উত্তরা হাউস বিল্ডিং এর পূর্ব পাশে মাস্কট প্লাজা সংলগ্ন সবচেয়ে ব্যাস্ততম রোড় সোনারগাঁও জনপথ রোড।

উত্তরার ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে এই লেগুনা স্টান্ড। হাউজ বিল্ডিং থেকে দিয়াবাড়ি এই এক রুটেই চলে ৫০০ লেগুনা। রোডটির পূর্বপাশে ও পশ্চিম পাশে দু’টি ট্রাফিক পুলিশ বক্স এর পর দিয়াবাড়ি বিআরটিএ অফিস এসবের কোন তোয়াক্কা না করে অবাধে চলছে এসব অবৈধ লেগুনা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফিটনেসবিহীন লক্করঝক্কর এক একটা সিরিয়ালের লেগুনা সিটি পরিবহন নামে লাল রং দিয়ে লিখেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নাই কোন ফিটনেস,রোড পার্মিট ও রেজিষ্ট্রেশন। দি ক্রাইমের অনুসন্ধানে উঠে আসে এই লেগুনা স্টান্ডে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজির চিত্র। প্রতিটি লেগুনা থেকে কথিত জিপি বাবদ নেওয়া হয় প্রতি প্রতিদিন ৭০০ টাকা।

লেগুনা চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজু সালাউদ্দিন আমিন ও রুবেল চাঁদার টাকা উত্তোলন করছে। আর এদের সেল্টার দিচ্ছে ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বর্তমানে ১৮ আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী আফছার উদ্দিন।

এবিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক জোনের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, এসব বিষয়ে আপনি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিবো। আপনি একটু থানায়ও কথা বলেন, ওদেরকে তো মামলা দিয়ে থানায় দিতে হবে। তবে ভাড়াসহ সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় ঢাকায় লেগুনা-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অভিযোগ জানানোর সুযোগও নেই। বেশ আগে সরকারিভাবে ঢাকার সড়ক থেকে লেগুনা তুলে দেওয়ার ঘোষণা এসেছিল। কিন্তু সেই ঘোষণা বেশি দিন কার্যকর থাকেনি।

অধিক যাত্রী আর ফিটনেস বিহীন লক্করঝক্কর মার্কা গাড়ি গুলোর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন কোন বিধি সম্মত ব্যবস্থা না নেয়ায় হর হামেশা সড়ক দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে মারা যাচ্ছে। তদুপরি কিশোরা এসব গাড়ীগুলো চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধিও পাচ্ছে।