সোহরাব হোসেন: কি অদ্ভুত নিয়ম চালু হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়েতে! স্টেশনের চলতি টিকেট কাউন্টারে আন্তঃনগর ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকেট কিনতে গেলে বলল, আসনের ২৫% কোটা পুরন হয়ে গেছে স্ট্যান্ডিং টিকেট নেই। যাত্রীর সেবার মান বৃদ্ধির কারনে নাকি আসনের ২৫ ভাগের বেশি স্ট্যান্ডিং টিকেট দেওয়া হয় না। কিন্তু টিসি অফিস নামক কাউন্টারে টিসিরা অতিরিক্ত চার্জ রেখে অবাধে স্ট্যান্ডিং টিকেট দিচ্ছেন। টিসিরা স্টেশনের গেইটের সামনেও দাড়িয়েও স্ট্যান্ডিং টিকেট দেন।
সে দিন ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের টিসি অফিস থেকে ঢাকা থেকে ভৈরবের স্ট্যান্ডিং টিকেট নিলাম। মূল ভাড়া ৮৫ টাকা, অতিরিক্ত ভাড়া বাবদ টিকেটের দাম নেওয়া হলো ১৩০ টাকা। অর্থাৎ ৪৫ টাকা অতিরিক্ত। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে স্ট্যান্ডিং টিকেট তো দেওয়া হচ্ছেই তাহলে যাত্রীরা সেবা পাচ্ছে কোথায়? কৌশলে রেলওয়ে তো ঠিকই লাভ করে নিচ্ছে। সেদিন এগারসিন্ধুর প্রভাতী ট্রেনে অনেককে দেখলাম চলতি কাউন্টার থেকে টিকিট না পেয়ে পরে ট্রেনে থাকা অ্যাটেনডেন্সকে প্রকৃত ভাড়ার চেয়ে অর্ধেক টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে টিকেট ছাড়াই ভ্রমন করেছে।
আসনের ২৫ ভাগ স্ট্যান্ডিং টিকেট দেওয়ার নিয়মকে সাধুবাদ জানাই। তবে এই নিয়ম শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। বাড়তি টাকার বিনিময়ে যদি স্ট্যান্ডিং টিকেট পাওয়া যায় তাহলে তো হলো না। চলতি কাউন্টার থেকে টিকিট দিবে না কিন্তু টিসি অফিস থেকে অবাধে স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া এবং বিনা টিকিটে যাত্রী উঠা বন্ধ করতে না পারলে যাত্রীরা সেবাটি ভোগ করতে পারবে না। এসব অদ্ভুত নিয়ম করে যাত্রীদের সাথে প্রতারণা না করে সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করে যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ রেলওয়েকে অনুরোধ করছি।




