ঢাকা ব্যুরো: আমরা যেদিন কর্মসূচি পালন করি ওই দিন শান্তি সমাবেশের নামে সরকার সারাদেশে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে। আওয়ামী লীগ শান্তি নয়, অশান্তিতে বিশ্বাসী। আজ বুধবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর পূর্ব পান্থপথস্থ এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলডিপি আয়োজিত পদযাত্রা শুরুর আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এসব কথা বলেন।
কর্নেল অলি বলেন, অতীতে যেমন কোনো স্বৈরাচার সরকারই দমন-পীড়ন চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারেনি বর্তমান ক্ষমতাসীনরাও গায়ের জোরে ক্ষমতা আকড়ে রাখতে পারবে না। তাদের পতন হবেই।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করে আওয়ামী স্বৈরশাসক বাকশাল কায়েম করতে যা করার সবই করেছে। তাই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প কিছু ভাবছি না।
এলডিপি প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, সাধারণ মানুষের আয়ের চেয়ে ব্যয় তিন থেকে চার গুণ বেড়েছে। মানুষদের বাচার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। মানবাধিকার বলে দেশে কিছু নেই। সরকারি দলের সদস্যরা প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করছে। বিএনপি-এলডিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করে মানুষ খুন করছে।
পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন এলডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর নেয়ামূল বশির, ডক্টর আওরঙ্গজেব বেলাল, অ্যাডভোকেট এসএম মোরশেদ, অধ্যক্ষ সাকলায়েন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাহে আলম চৌধুরী, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন, যুগ্ম মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিলু প্রমুখ।
ঢাকা ব্যুরো: আমরা যেদিন কর্মসূচি পালন করি ওই দিন শান্তি সমাবেশের নামে সরকার সারাদেশে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে। আওয়ামী লীগ শান্তি নয়, অশান্তিতে বিশ্বাসী। আজ বুধবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর পূর্ব পান্থপথস্থ এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলডিপি আয়োজিত পদযাত্রা শুরুর আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এসব কথা বলেন।
কর্নেল অলি বলেন, অতীতে যেমন কোনো স্বৈরাচার সরকারই দমন-পীড়ন চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারেনি বর্তমান ক্ষমতাসীনরাও গায়ের জোরে ক্ষমতা আকড়ে রাখতে পারবে না। তাদের পতন হবেই।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করে আওয়ামী স্বৈরশাসক বাকশাল কায়েম করতে যা করার সবই করেছে। তাই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প কিছু ভাবছি না।
এলডিপি প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, সাধারণ মানুষের আয়ের চেয়ে ব্যয় তিন থেকে চার গুণ বেড়েছে। মানুষদের বাচার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। মানবাধিকার বলে দেশে কিছু নেই। সরকারি দলের সদস্যরা প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করছে। বিএনপি-এলডিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করে মানুষ খুন করছে।
পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন এলডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর নেয়ামূল বশির, ডক্টর আওরঙ্গজেব বেলাল, অ্যাডভোকেট এসএম মোরশেদ, অধ্যক্ষ সাকলায়েন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাহে আলম চৌধুরী, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন, যুগ্ম মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিলু প্রমুখ।