দি ক্রাইম ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে প্রশাসকদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। আর সেই প্রক্রিয়ার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে।

ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচনি ব্যবস্থার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পর্ক রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদের পদাধিকারবলে সদস্য এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটারও। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ছাড়া উপজেলা বা জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর নির্বাচনযোগ্য হবে ৩ হাজার ৭৫৫টি। পাশাপাশি ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ১২টি সিটি করপোরেশন এবং ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা এবং পাঁচটি নতুন উপজেলা অনুমোদনের ফলে স্থানীয় সরকার কাঠামো আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। আলোচনায় থাকা প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা বাতিল এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ প্রত্যাহার। একই সঙ্গে পোস্টারভিত্তিক প্রচার সীমিত করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারের বিষয়ে নতুন বিধিনিষেধ এবং সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন আচরণবিধি প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো যেহেতু দলীয় প্রতীক ছাড়া আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সে কারণে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানীয় কর্মকাণ্ড বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। এ কারণে আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার ও প্রার্থীদের ঘোষণাপত্রে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নির্বাচন কমিশন এবার অংশীজনদের নিয়ে প্রচলিত ধারার সংলাপে যাচ্ছে না। পরিবর্তে আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকারের ভোটের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। আইন ও বিধিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।”

তিনি আরো বলেন, “স্থানীয় সরকার কাঠামোর বাস্তবতা বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবার পৌরসভা ও ইউনিয়ন দুটো একসঙ্গে হতে পারে।”

দি ক্রাইম ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে প্রশাসকদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। আর সেই প্রক্রিয়ার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে।

ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচনি ব্যবস্থার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পর্ক রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদের পদাধিকারবলে সদস্য এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটারও। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ছাড়া উপজেলা বা জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর নির্বাচনযোগ্য হবে ৩ হাজার ৭৫৫টি। পাশাপাশি ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ১২টি সিটি করপোরেশন এবং ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা এবং পাঁচটি নতুন উপজেলা অনুমোদনের ফলে স্থানীয় সরকার কাঠামো আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। আলোচনায় থাকা প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা বাতিল এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ প্রত্যাহার। একই সঙ্গে পোস্টারভিত্তিক প্রচার সীমিত করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারের বিষয়ে নতুন বিধিনিষেধ এবং সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন আচরণবিধি প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো যেহেতু দলীয় প্রতীক ছাড়া আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সে কারণে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানীয় কর্মকাণ্ড বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। এ কারণে আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার ও প্রার্থীদের ঘোষণাপত্রে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নির্বাচন কমিশন এবার অংশীজনদের নিয়ে প্রচলিত ধারার সংলাপে যাচ্ছে না। পরিবর্তে আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকারের ভোটের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। আইন ও বিধিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।”

তিনি আরো বলেন, “স্থানীয় সরকার কাঠামোর বাস্তবতা বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবার পৌরসভা ও ইউনিয়ন দুটো একসঙ্গে হতে পারে।”