আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জীবনযাত্রার ব্যয় এবং কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে তিন দিন ধরে চলা বিক্ষোভের কারণে কেনিয়ার রাজধানী এবং অন্যান্য দুটি অঞ্চলে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। বুধবার আল-জাজিরা অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে দুই দফা বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছিল। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও তাজা গুলি ছুঁড়েছিল। ওই ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং শতাধিক গ্রেপ্তার হন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার সময় পুলিশ তাদের স্কুল প্রাঙ্গনে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করার পরে নাইরোবির উপকণ্ঠে কাঙ্গেমির হাসপাতালে তিন স্কুলছাত্রীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
কেনিয়ার বিরোধীরা গত মাসে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর সরকারের গৃহীত কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। গত বছরের আগস্টে দরিদ্রদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তার সরকারের আমলে মৌলিক পণ্যগুলোর দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে।
রুটোর সরকার জানিয়েছে, জ্বালানি ও আবাসন শুল্ক বছরে অতিরিক্ত ১৪০ কোটি ডলার বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগে অর্থায়নের জন্য এই কর বাড়ানো প্রয়োজন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সরকার জ্বালানি তেলের ওপর থেকে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করে।
প্রেসিডেন্ট রুটো সাফ জানিয়েছেন, তিনি কোনো ধরনের বিক্ষোভ হতে দেবেন না। কারণ তিনি উত্তরাধিকার হিসেবে সাবেক সরকারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা পেয়েছেন।




