বাশঁখালি থেকে ঘুরে এসে রতন বড়ুয়া: বাঁশখালী উপজেলার ঋষিধামে চলছে দশ দিনব্যাপী কুম্ভমেলা। তিন বছর অন্তর অন্তর অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি বাংলাদেশের একমাত্র কুম্ভমেলা হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের সাধু-সন্ন্যাসী, বৈষ্ণব ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে ঋষিধাম পরিণত হয়েছে আধ্যাত্মিক মিলনমেলায়। এই কুম্ভমেলার মূল লক্ষ্য পূণ্যস্নান বা আচার নয়; বরং ধ্যান, সত্সঙ্গ, যোগসাধনা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও মানসিক প্রশান্তি অর্জন। মন্ত্রপাঠ, বেদপাঠ ও কীর্তনের মধ্য দিয়ে এখানে মানুষের ভেতরের বিশ্বাস ও আত্ম অনুসন্ধান জোরদার হয়।

ভারতের কুম্ভমেলার ঐতিহাসিক ধারার অনুপ্রেরণায় হলেও বাঁশখালীর কুম্ভমেলা স্থানীয় ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঋষি-সাধকদের সাধনাকেন্দ্রিক দর্শনে গড়ে উঠেছে। বাণিজ্যিকতা ও উৎসবমুখরতার বদলে এখানে গুরুত্ব পায় ধর্মীয় গাম্ভীর্য ও শৃঙ্খলা।

গতকাল শনিবার(৩১ জানুয়ারী) নবম দিনেও অসংখ্য ভক্তদের পদচারনায় মুখর ছিল কুম্ভমেলা।এদিন সন্ধ্যায় এক আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বাঁশখালী শ্রীগুরু সংঘের সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দেব এর সভাপতিত্বে আর্শীবাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঋষিধাম ও তুলসীধামের মোহন্ত শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিতানন্দ পুরী মহারাজ ।

২২তম কুম্ভমেলা উদযাপন পরিষদের অর্থসচিব তড়িৎ কান্তি গুহ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- ঋষি অদ্বৈতানন্দ পরিষদ এর সভাপতি অলক দাশ,ঋষিকুম্ভ মেলার দপ্তর সম্পাদক সুভাষ মল্লিক,প্রচার সম্পাদক নারায়ন মল্লিক,মঞ্চ সদস্য সচিব রতন দেবনাথ,সাংগঠনিক সদস্য সচিব মিলটন দাশ,গণসংযোগ আহবায়ক দিলিপ দত্ত ও সাধু প্রনামী উপকমিটির সদস্য বিজয় সরকার সহ আরো অনেকে ।

বক্তার বলেন এই মেলা শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থানেরও প্রতীক। আধুনিক জীবনের অস্থিরতার মাঝে বাঁশখালীর কুম্ভমেলা মানুষের অন্তর্লোকের শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাশঁখালি থেকে ঘুরে এসে রতন বড়ুয়া: বাঁশখালী উপজেলার ঋষিধামে চলছে দশ দিনব্যাপী কুম্ভমেলা। তিন বছর অন্তর অন্তর অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি বাংলাদেশের একমাত্র কুম্ভমেলা হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের সাধু-সন্ন্যাসী, বৈষ্ণব ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে ঋষিধাম পরিণত হয়েছে আধ্যাত্মিক মিলনমেলায়। এই কুম্ভমেলার মূল লক্ষ্য পূণ্যস্নান বা আচার নয়; বরং ধ্যান, সত্সঙ্গ, যোগসাধনা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও মানসিক প্রশান্তি অর্জন। মন্ত্রপাঠ, বেদপাঠ ও কীর্তনের মধ্য দিয়ে এখানে মানুষের ভেতরের বিশ্বাস ও আত্ম অনুসন্ধান জোরদার হয়।

ভারতের কুম্ভমেলার ঐতিহাসিক ধারার অনুপ্রেরণায় হলেও বাঁশখালীর কুম্ভমেলা স্থানীয় ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঋষি-সাধকদের সাধনাকেন্দ্রিক দর্শনে গড়ে উঠেছে। বাণিজ্যিকতা ও উৎসবমুখরতার বদলে এখানে গুরুত্ব পায় ধর্মীয় গাম্ভীর্য ও শৃঙ্খলা।

গতকাল শনিবার(৩১ জানুয়ারী) নবম দিনেও অসংখ্য ভক্তদের পদচারনায় মুখর ছিল কুম্ভমেলা।এদিন সন্ধ্যায় এক আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বাঁশখালী শ্রীগুরু সংঘের সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দেব এর সভাপতিত্বে আর্শীবাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঋষিধাম ও তুলসীধামের মোহন্ত শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিতানন্দ পুরী মহারাজ ।

২২তম কুম্ভমেলা উদযাপন পরিষদের অর্থসচিব তড়িৎ কান্তি গুহ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- ঋষি অদ্বৈতানন্দ পরিষদ এর সভাপতি অলক দাশ,ঋষিকুম্ভ মেলার দপ্তর সম্পাদক সুভাষ মল্লিক,প্রচার সম্পাদক নারায়ন মল্লিক,মঞ্চ সদস্য সচিব রতন দেবনাথ,সাংগঠনিক সদস্য সচিব মিলটন দাশ,গণসংযোগ আহবায়ক দিলিপ দত্ত ও সাধু প্রনামী উপকমিটির সদস্য বিজয় সরকার সহ আরো অনেকে ।

বক্তার বলেন এই মেলা শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থানেরও প্রতীক। আধুনিক জীবনের অস্থিরতার মাঝে বাঁশখালীর কুম্ভমেলা মানুষের অন্তর্লোকের শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের স্মরণ করিয়ে দেয়।