বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বিরতিহীনভাবে নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। চকরিয়া ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকায় তার এই গণসংযোগ স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার অষ্টম দিনে তিনি চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগ করেন। দিনের শুরুতে চকরিয়া পৌরসভা এলাকার প্রখ্যাত আলেম মরহুম মাওলানা মাহমুদুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এরপর বিমানবন্দর পাড়া, জালিয়া পাড়া, হিন্দু পাড়া, আমাইন্নারচর, হালকাকারাসহ পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে গণসংযোগ চালান।

গণসংযোগকালে নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

পরে চকরিয়া পৌরসভার কাজী পাড়ায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায় তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি। আপনারা দয়া করে ধানের শীষে ভোট দিলে এবার দেশে এমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যাতে আর কখনো কারও ভোটাধিকার হরণ করা না যায়। গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার যেন আর কেউ কেড়ে নিতে না পারে—সেই নিশ্চয়তা আমরা দিতে চাই।”

তিনি আরও বলেন,“একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আমাদের সন্তানরা ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে। ভবিষ্যতে যেন আর কখনো ভোটাধিকার আদায়ে রক্ত দিতে না হয়, সেজন্য এবার আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে—বাংলাদেশের পক্ষের শক্তির পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির পক্ষে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও উন্নয়নের পরীক্ষিত দল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শিক্ষা, নারী উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. ফখরুদ্দীন ফরায়জী, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বিরতিহীনভাবে নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। চকরিয়া ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকায় তার এই গণসংযোগ স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার অষ্টম দিনে তিনি চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগ করেন। দিনের শুরুতে চকরিয়া পৌরসভা এলাকার প্রখ্যাত আলেম মরহুম মাওলানা মাহমুদুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এরপর বিমানবন্দর পাড়া, জালিয়া পাড়া, হিন্দু পাড়া, আমাইন্নারচর, হালকাকারাসহ পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে গণসংযোগ চালান।

গণসংযোগকালে নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

পরে চকরিয়া পৌরসভার কাজী পাড়ায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায় তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি। আপনারা দয়া করে ধানের শীষে ভোট দিলে এবার দেশে এমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যাতে আর কখনো কারও ভোটাধিকার হরণ করা না যায়। গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার যেন আর কেউ কেড়ে নিতে না পারে—সেই নিশ্চয়তা আমরা দিতে চাই।”

তিনি আরও বলেন,“একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আমাদের সন্তানরা ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে। ভবিষ্যতে যেন আর কখনো ভোটাধিকার আদায়ে রক্ত দিতে না হয়, সেজন্য এবার আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে—বাংলাদেশের পক্ষের শক্তির পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির পক্ষে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও উন্নয়নের পরীক্ষিত দল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শিক্ষা, নারী উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. ফখরুদ্দীন ফরায়জী, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।