একটা দেশ সেই পঞ্চাশ বছর ধরে হাঁটতে হাঁটতে হটাৎ এসে এখন ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে পড়ে যাচ্ছে, আর এ দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীগণ কেন ম্যানহোলের ঢাকনা নাই এই বিষয়ে কথা না বলে উল্টা দেশকে দোষারূপ করে বলছে এই যে দেশ মাতৃকা আপনার চোখ নাই, দেখে চলতে পারেন না।

দেশ রসাতলে যাচ্ছে আর বালপাকনা বুদ্ধিজীবিরা সব সংস্কৃতির রুচি চানাচুর নিয়ে হৈ চৈ করছে। সানি লিওন যখন এই দেশে এসে বুক ফুলিয়ে নেচে যায় তখন এই সকল রুচিবান বুদ্ধিজীবিরা সেই অনুষ্ঠানে যেতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করে। নিরীহ পেয়ে হিরো আলমকে রুচীবানরা রীতিমত “প্যান্থার” ছাড়া গণ ধর্ষণ করছে। এগুলো করলে কি হবে সেটা তারা চিন্তা করছেন না, আপনারা যত হিরো আলমকে ধর্ষণ করবেন, ততই সমাজে আরো বেশী বেশী রুচী বিবর্জিত বেজন্মা হিরো আলমদের(হিরো আলমকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নয়, রূপক অর্থে বলা) জন্ম হবে। তাবেদারী করে, চাটুকারী করে, চোখে কাঠের চশমা পড়ে কমবয়সী তরুনীদের ইজ্জত নষ্ট করে, সেন্সরবিহীন নোংরা ভাষায় আচরণে নাটক সিনেমা প্রচার করে রুচীবান হওয়ার মিথ্যা অহমিকা দেখাতে আপনাদের লজ্জা করেনা?

হিরো আলম আমাদের সমাজেরই একজন যে সঠিক পৃষ্ঠপোশকতা বঞ্চিত, সুবিধা বঞ্চিত সমাজের কঠিন বাস্তবতা থেকে উঠে আসা একজন মানুষ যে কিনা আপ্রাণ চেষ্টা করেছে নিজেকে এই নিষ্ঠুর রুচীবান সমাজে নিজের অবস্থান তৈরী করার। একের পর এক বাধা বিপত্তি পার করে, লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করে অত্যাচার নিপীড়নের স্বীকার হয়েও অদম্য সাহসের সাথে একাই লড়ে যাচ্ছেন, কই আমরা তাকে আলোর পথ দেখাবো, না উল্টা তাকে সমাজচ্যুত করতে রুচীবান এলিটরা খড়গ হস্তে উঠে পরে লেগেছেন।

আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, আইনি ব্যাবস্থা, সামাজিক অর্থনৈতিক বৈষম্য যতদিন সঠিক রাস্তায় না আসবে, ততদিন অরুচি আর রুচীর দ্বন্ধ চলতেই থাকবে। আজকে মামুনুর রশীদ স্যার একটা বক্তব্য দিলেন আর আমরা তাকে মহান, সংস্কৃতির বাতিঘর ইত্যাদি ভূষনে ভূষিত করছি, কই যখন অনৈতিক ভাবে দলীয় ছত্রছায়ায় একদল নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত মানুষ গায়ের জোরে সাধারণ মানুষের পথরোধ করে মোবাইল চেক করছিল, বিকাশের মাধ্যমে টাকা পয়সা নিয়ে নিচ্ছিল কই তখনতো তথাকথিতরা ঐ ঘটনাকে কুরুচীপূর্ন কাজ বলে কোন বানী দেননাই। যখন একজন নোবেল বিজয়ী সম্মানিত মানুষকে পদ্মা নদীতে ফেলে পানিতে চুবানো হয়(আক্ষরিক অর্থে নয়) কই তখনতো এই দেশের রুচীবানদের রুচীবোধে ঐ সকল ঘটনা দাগ কাটেনি।

আসলে স্বার্থপরতা এবং অনৈতিকতার চর্চা যখন সমাজে বেড়ে যায় তখন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচারক্ষমতা এক পেশে হয়ে পড়ে, তখন আমরা আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ন উল্ল্যেখযোগ্য অনিয়মগুলোকে উপেক্ষা করে কম গুরুত্বপূর্ন বিষয়কে হাইলাইট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হই।

একটা দেশ সেই পঞ্চাশ বছর ধরে হাঁটতে হাঁটতে হটাৎ এসে এখন ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে পড়ে যাচ্ছে, আর এ দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীগণ কেন ম্যানহোলের ঢাকনা নাই এই বিষয়ে কথা না বলে উল্টা দেশকে দোষারূপ করে বলছে এই যে দেশ মাতৃকা আপনার চোখ নাই, দেখে চলতে পারেন না।

দেশ রসাতলে যাচ্ছে আর বালপাকনা বুদ্ধিজীবিরা সব সংস্কৃতির রুচি চানাচুর নিয়ে হৈ চৈ করছে। সানি লিওন যখন এই দেশে এসে বুক ফুলিয়ে নেচে যায় তখন এই সকল রুচিবান বুদ্ধিজীবিরা সেই অনুষ্ঠানে যেতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করে। নিরীহ পেয়ে হিরো আলমকে রুচীবানরা রীতিমত “প্যান্থার” ছাড়া গণ ধর্ষণ করছে। এগুলো করলে কি হবে সেটা তারা চিন্তা করছেন না, আপনারা যত হিরো আলমকে ধর্ষণ করবেন, ততই সমাজে আরো বেশী বেশী রুচী বিবর্জিত বেজন্মা হিরো আলমদের(হিরো আলমকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নয়, রূপক অর্থে বলা) জন্ম হবে। তাবেদারী করে, চাটুকারী করে, চোখে কাঠের চশমা পড়ে কমবয়সী তরুনীদের ইজ্জত নষ্ট করে, সেন্সরবিহীন নোংরা ভাষায় আচরণে নাটক সিনেমা প্রচার করে রুচীবান হওয়ার মিথ্যা অহমিকা দেখাতে আপনাদের লজ্জা করেনা?

হিরো আলম আমাদের সমাজেরই একজন যে সঠিক পৃষ্ঠপোশকতা বঞ্চিত, সুবিধা বঞ্চিত সমাজের কঠিন বাস্তবতা থেকে উঠে আসা একজন মানুষ যে কিনা আপ্রাণ চেষ্টা করেছে নিজেকে এই নিষ্ঠুর রুচীবান সমাজে নিজের অবস্থান তৈরী করার। একের পর এক বাধা বিপত্তি পার করে, লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করে অত্যাচার নিপীড়নের স্বীকার হয়েও অদম্য সাহসের সাথে একাই লড়ে যাচ্ছেন, কই আমরা তাকে আলোর পথ দেখাবো, না উল্টা তাকে সমাজচ্যুত করতে রুচীবান এলিটরা খড়গ হস্তে উঠে পরে লেগেছেন।

আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, আইনি ব্যাবস্থা, সামাজিক অর্থনৈতিক বৈষম্য যতদিন সঠিক রাস্তায় না আসবে, ততদিন অরুচি আর রুচীর দ্বন্ধ চলতেই থাকবে। আজকে মামুনুর রশীদ স্যার একটা বক্তব্য দিলেন আর আমরা তাকে মহান, সংস্কৃতির বাতিঘর ইত্যাদি ভূষনে ভূষিত করছি, কই যখন অনৈতিক ভাবে দলীয় ছত্রছায়ায় একদল নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত মানুষ গায়ের জোরে সাধারণ মানুষের পথরোধ করে মোবাইল চেক করছিল, বিকাশের মাধ্যমে টাকা পয়সা নিয়ে নিচ্ছিল কই তখনতো তথাকথিতরা ঐ ঘটনাকে কুরুচীপূর্ন কাজ বলে কোন বানী দেননাই। যখন একজন নোবেল বিজয়ী সম্মানিত মানুষকে পদ্মা নদীতে ফেলে পানিতে চুবানো হয়(আক্ষরিক অর্থে নয়) কই তখনতো এই দেশের রুচীবানদের রুচীবোধে ঐ সকল ঘটনা দাগ কাটেনি।

আসলে স্বার্থপরতা এবং অনৈতিকতার চর্চা যখন সমাজে বেড়ে যায় তখন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচারক্ষমতা এক পেশে হয়ে পড়ে, তখন আমরা আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ন উল্ল্যেখযোগ্য অনিয়মগুলোকে উপেক্ষা করে কম গুরুত্বপূর্ন বিষয়কে হাইলাইট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হই।