একটি ছোট্ট শিশুকে মাত্র ১০ টাকা হাতে তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা গল্প সাজিয়ে দেশের স্বাধীনতা দিবসে জনমনে একটি বিরূপ ধারণা তৈরির চেষ্টা করেছিল “প্রথম আলো”। কিন্ত, সচেতন মানুষদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে সেই মিথ্যাটি আর প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি “প্রথম আলো”।

১৯৭২-৭৫ সালে পুরো সময় ধরে এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল সাম্রাজ্যবাদের বাংলাদেশী দালাল গং। মিথ্যা গুজব চালিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা অবশ্যই অপরাধ। কিন্তু তার চেয়েও বড় অপরাধ ‘child exploitation’।

একটা অবুঝ ও নিরপরাধ শিশুর হাতে ১০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে একটি শিশুকে ব্যবহার শুধু অনৈতিকই নয়, আইন বিরুদ্ধও বটে। Child Exploitation এর অপরাধে অপরাধী “প্রথম আলো”। Child Exploitation যে কোনো আন্তর্জাতিক আইনেরও লঙ্ঘন।

এই পত্রিকার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে একটি শিশু মারা গিয়েছিল। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান সেই শিশু হত্যা মামলার আসামী। প্রথমে শিশু হত্যা এবং এবার Child Exploitation, এর দায় কার?

যে কোন সংবাদ প্রকাশ করা যেকোনো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। কিন্তু এধরনের স্বাধীনতা কোন ভাবেই কাম্য নয়। বলীর পাঁঠা বানানো হল একজন সাধারণ চাকুজীবি সাংবাদিককে। এই সাংবাদিককে এই সংবাদ তৈরীর জন্য কে বা কারা ইন্ধন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখে বিধি সম্মতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হউক।

কিন্তু সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার অপব্যবহার করে ছোট শিশুকে টাকা দিয়ে ছবি তুলে, দেশের স্বাধীনতাকে ছোট করার অধিকার কাউকে দেয়নি রাষ্ট্র। এটি অবশ্যই একটি রাষ্ট্রদোহী ফৌজদারি অপরাধ। সংবাদের নামে গুজব অপপ্রচার করে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা কোন সুস্থধারার সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে না। সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে কলঙ্কিত করার জন্য প্রথম আলোর সম্পাদককে এ দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু ফটো সাংবাদিক নয়, প্রথম আলোর সম্পাদককে আইনের আওতায় আনা হোক এটাই নাগরিক দাবী।

একটি ছোট্ট শিশুকে মাত্র ১০ টাকা হাতে তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা গল্প সাজিয়ে দেশের স্বাধীনতা দিবসে জনমনে একটি বিরূপ ধারণা তৈরির চেষ্টা করেছিল “প্রথম আলো”। কিন্ত, সচেতন মানুষদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে সেই মিথ্যাটি আর প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি “প্রথম আলো”।

১৯৭২-৭৫ সালে পুরো সময় ধরে এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল সাম্রাজ্যবাদের বাংলাদেশী দালাল গং। মিথ্যা গুজব চালিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা অবশ্যই অপরাধ। কিন্তু তার চেয়েও বড় অপরাধ ‘child exploitation’।

একটা অবুঝ ও নিরপরাধ শিশুর হাতে ১০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে একটি শিশুকে ব্যবহার শুধু অনৈতিকই নয়, আইন বিরুদ্ধও বটে। Child Exploitation এর অপরাধে অপরাধী “প্রথম আলো”। Child Exploitation যে কোনো আন্তর্জাতিক আইনেরও লঙ্ঘন।

এই পত্রিকার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে একটি শিশু মারা গিয়েছিল। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান সেই শিশু হত্যা মামলার আসামী। প্রথমে শিশু হত্যা এবং এবার Child Exploitation, এর দায় কার?

যে কোন সংবাদ প্রকাশ করা যেকোনো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। কিন্তু এধরনের স্বাধীনতা কোন ভাবেই কাম্য নয়। বলীর পাঁঠা বানানো হল একজন সাধারণ চাকুজীবি সাংবাদিককে। এই সাংবাদিককে এই সংবাদ তৈরীর জন্য কে বা কারা ইন্ধন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখে বিধি সম্মতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হউক।

কিন্তু সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার অপব্যবহার করে ছোট শিশুকে টাকা দিয়ে ছবি তুলে, দেশের স্বাধীনতাকে ছোট করার অধিকার কাউকে দেয়নি রাষ্ট্র। এটি অবশ্যই একটি রাষ্ট্রদোহী ফৌজদারি অপরাধ। সংবাদের নামে গুজব অপপ্রচার করে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা কোন সুস্থধারার সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে না। সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে কলঙ্কিত করার জন্য প্রথম আলোর সম্পাদককে এ দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু ফটো সাংবাদিক নয়, প্রথম আলোর সম্পাদককে আইনের আওতায় আনা হোক এটাই নাগরিক দাবী।