ঢাকা ব্যুরো: চীনের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বৈঠক শেষে রাত ২টা ৫০ মিনিটে আফ্রিকার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকের পর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি কিন গ্যাংকে অবহিত করা হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সেই সুবিধা পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয়েছে। পদ্মাসেতুসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে চীনের সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, আমরা এক চায়নায় বিশ্বাস করি। এটা আমাদের মূলনীতি। এটা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। আমাদের সবাইকে নিয়েই চলতে হয়। সুতরাং আমরা চীনকে টাইম টু টাইম সাপোর্ট দেব।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় অর্থ সহায়তার বেশ কিছু চুক্তি সই হয়েছিল। কিন্তু সবগুলো এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। সেই বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে আমরাও তাকে আরও বেশি সময়ের জন্য বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দিয়েছি।
বৈঠকে বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৫৮ মিনিটে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এরপর দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটি বৈঠক শুরু হয়।




