ঢাকা ব্যুরো: ইতালি সরকার নিরাপদ অভিবাসনের প্রসার এবং অভিবাসনের প্রতিকূলতা মোকাবেলায় বিশেষ মনোযোগ দিয়ে অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে একটি সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে, বাংলাদেশ সরকারের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসনকারীদের তাদের সামাজিকতায় পুনরায় একত্রিত হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। যা বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (IOM) কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে।

ইতালি সরকারের এই সহযোগিতাকে স্বীকৃতি দিতে অদ্য ১২ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয় যেখানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইতালি দূতাবাস এবং IOM-এর উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ কয়েক দশক ধরে নিরাপদ এবং নিয়মিত অভিবাসনের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন যে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে অভিবাসী এবং প্রত্যাবর্তনকারীদের পুনর্মিলন এবং কল্যাণ পরিষেবা সহ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, নিয়মিত এবং দায়িত্বশীল অভিবাসনের সুবিধার্থে সহায়তা করতে আগ্রহী সমস্ত অংশীদারকে মন্ত্রণালয় স্বাগত জানায়। মন্ত্রী নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে জোর দেন এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের এ ব্যাপারে সমবেত উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

মাননীয় রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনিজাতা অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন যে, ইতালি সরকার বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং পুনঃএকত্রীকরণ কার্যক্রমকে সহায়তা করতে পেরে সন্তুষ্ট। এই ৩ মিলিয়ন ডলার ব্যায়ের প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, ইইউ-সমর্থিত স্বেচ্ছায় মানবিক প্রত্যাবর্তন (ভিএইচআর) কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশে ফিরে আসাদের পুনর্মিলন সহায়তা এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাবিত সম্প্রদায়গুলিকে তাদের আর্থ-সামাজিক চাহিদা মোকাবেলায় সহায়তা করবে। রাষ্ট্রদূত তার আশা প্রকাশ করেন যে এই হস্তক্ষেপটি অনিবাসেনর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার একটি সূচনা মাত্র।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, বাংলাদেশ সরকার টেকসই উন্নয়নের (SDGs) লক্ষ্যমাত্রা ১০.৭ অনুযায়ী নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিত করা সহ অন্যান্য লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন ও অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকার অভিবাসনকে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের নিশ্চিতকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পশ্চিম) জনাব শাব্বির আহমদ চৌধুরী, ইতালি সরকারের সহায়তাকে প্রশংসা জানিয়ে বলেন যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসী, প্রত্যাবর্তনকারী এবং জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রয়োজনীয় সহায়তা লাভ করবে।

অনুষ্ঠানে IOM এর বাংলাদেশের মিশন প্রধান, জনাব আবদুসাত্তর এসয়েভ, উন্নত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং সমগ্র অভিবাসন ব্যবস্থা জুড়ে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের উপর গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। মিঃ এসয়েভ মানসম্পন্ন অভিবাসন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশকে তাদের নিজস্ব বাস্তবতা এবং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে অভিবাসন-সম্পর্কিত কার্যক্রম এর পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে নমনীয় মনোভাব রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ঢাকা ব্যুরো: ইতালি সরকার নিরাপদ অভিবাসনের প্রসার এবং অভিবাসনের প্রতিকূলতা মোকাবেলায় বিশেষ মনোযোগ দিয়ে অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে একটি সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে, বাংলাদেশ সরকারের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসনকারীদের তাদের সামাজিকতায় পুনরায় একত্রিত হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। যা বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (IOM) কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে।

ইতালি সরকারের এই সহযোগিতাকে স্বীকৃতি দিতে অদ্য ১২ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয় যেখানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইতালি দূতাবাস এবং IOM-এর উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ কয়েক দশক ধরে নিরাপদ এবং নিয়মিত অভিবাসনের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন যে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে অভিবাসী এবং প্রত্যাবর্তনকারীদের পুনর্মিলন এবং কল্যাণ পরিষেবা সহ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, নিয়মিত এবং দায়িত্বশীল অভিবাসনের সুবিধার্থে সহায়তা করতে আগ্রহী সমস্ত অংশীদারকে মন্ত্রণালয় স্বাগত জানায়। মন্ত্রী নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে জোর দেন এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের এ ব্যাপারে সমবেত উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

মাননীয় রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনিজাতা অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন যে, ইতালি সরকার বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং পুনঃএকত্রীকরণ কার্যক্রমকে সহায়তা করতে পেরে সন্তুষ্ট। এই ৩ মিলিয়ন ডলার ব্যায়ের প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, ইইউ-সমর্থিত স্বেচ্ছায় মানবিক প্রত্যাবর্তন (ভিএইচআর) কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশে ফিরে আসাদের পুনর্মিলন সহায়তা এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাবিত সম্প্রদায়গুলিকে তাদের আর্থ-সামাজিক চাহিদা মোকাবেলায় সহায়তা করবে। রাষ্ট্রদূত তার আশা প্রকাশ করেন যে এই হস্তক্ষেপটি অনিবাসেনর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার একটি সূচনা মাত্র।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, বাংলাদেশ সরকার টেকসই উন্নয়নের (SDGs) লক্ষ্যমাত্রা ১০.৭ অনুযায়ী নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিত করা সহ অন্যান্য লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন ও অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকার অভিবাসনকে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের নিশ্চিতকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পশ্চিম) জনাব শাব্বির আহমদ চৌধুরী, ইতালি সরকারের সহায়তাকে প্রশংসা জানিয়ে বলেন যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসী, প্রত্যাবর্তনকারী এবং জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রয়োজনীয় সহায়তা লাভ করবে।

অনুষ্ঠানে IOM এর বাংলাদেশের মিশন প্রধান, জনাব আবদুসাত্তর এসয়েভ, উন্নত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং সমগ্র অভিবাসন ব্যবস্থা জুড়ে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের উপর গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। মিঃ এসয়েভ মানসম্পন্ন অভিবাসন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশকে তাদের নিজস্ব বাস্তবতা এবং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে অভিবাসন-সম্পর্কিত কার্যক্রম এর পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে নমনীয় মনোভাব রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।