বিনোদন ডেস্ক: ভারতের আইপিএস অফিসার অমিত লোধার জীবনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘খাকি’। একজন সৎ আইপিএস অফিসার কীভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তা দমন করে, সেই গল্প এই সিরিজে বলা হয়ছে। গত ২২ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পায় এটি। দর্শকদের মাঝেও এটি বেশ সাড়া ফেলে।

দুঃখজনক বিষয় হলো— বিহারের মগধে দায়িত্ব পালনকালে অমিত লোধা অবৈধ পথে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আর সেই অর্থ দিয়েই নিজের জীবনী নিয়ে ওয়েব সিরিজ বানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইন্ডিয়া টিভি নিউজ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্প্রতি স্পেশাল ভিজিল্যান্স ইউনিটের পক্ষ থেকে অমিতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে— বেআইনি পথে অর্থ কামিয়েছেন অমিত লোধা। আর সেই অর্থ কীভাবে সাদা করা যায়, তার জন্য ষড়যন্ত্রও করেছেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় অমিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে বলা রয়েছে, অমিত লোধা কোনো পেশাদার লেখক নন। নিজের অপরাধমূলক কাজ চাপা দেওয়ার জন্য ‘বিহার ডায়েরিজ’ নামে একটি বই লিখেছেন। পাশাপাশি বেআইনি পথে রোজগার এবং তা আড়াল করার জন্য বইটি ব্যবহার করেছেন। ‘খাকি: দ্য বিহার চ্যাপ্টার’ একই উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়ছে।

অমিত লোধার স্ত্রী কৌমিদি লোধার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। কৌমিদির সঙ্গে ওই প্রোডাকশন হাউজের ১ রুপির চুক্তি হয়। তার মাধ্যমে কালো অর্থ সাদা করার চেষ্টা চলে। চুক্তি সই হওয়ার সময়ে কৌমিদির অ্যাকাউন্টে ৪৯ লাখ রুপি জমা হয়। তারপর নিয়মিত তার অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়। অমিতের কালো অর্থ সাদা করার উদ্দেশ্যেই এ কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ। এজন্য কৌমিদির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বিনোদন ডেস্ক: ভারতের আইপিএস অফিসার অমিত লোধার জীবনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘খাকি’। একজন সৎ আইপিএস অফিসার কীভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তা দমন করে, সেই গল্প এই সিরিজে বলা হয়ছে। গত ২২ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পায় এটি। দর্শকদের মাঝেও এটি বেশ সাড়া ফেলে।

দুঃখজনক বিষয় হলো— বিহারের মগধে দায়িত্ব পালনকালে অমিত লোধা অবৈধ পথে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আর সেই অর্থ দিয়েই নিজের জীবনী নিয়ে ওয়েব সিরিজ বানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইন্ডিয়া টিভি নিউজ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্প্রতি স্পেশাল ভিজিল্যান্স ইউনিটের পক্ষ থেকে অমিতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে— বেআইনি পথে অর্থ কামিয়েছেন অমিত লোধা। আর সেই অর্থ কীভাবে সাদা করা যায়, তার জন্য ষড়যন্ত্রও করেছেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় অমিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে বলা রয়েছে, অমিত লোধা কোনো পেশাদার লেখক নন। নিজের অপরাধমূলক কাজ চাপা দেওয়ার জন্য ‘বিহার ডায়েরিজ’ নামে একটি বই লিখেছেন। পাশাপাশি বেআইনি পথে রোজগার এবং তা আড়াল করার জন্য বইটি ব্যবহার করেছেন। ‘খাকি: দ্য বিহার চ্যাপ্টার’ একই উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়ছে।

অমিত লোধার স্ত্রী কৌমিদি লোধার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। কৌমিদির সঙ্গে ওই প্রোডাকশন হাউজের ১ রুপির চুক্তি হয়। তার মাধ্যমে কালো অর্থ সাদা করার চেষ্টা চলে। চুক্তি সই হওয়ার সময়ে কৌমিদির অ্যাকাউন্টে ৪৯ লাখ রুপি জমা হয়। তারপর নিয়মিত তার অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়। অমিতের কালো অর্থ সাদা করার উদ্দেশ্যেই এ কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ। এজন্য কৌমিদির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।