নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৪ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় চট্টগ্রামের উন্নয়নের নতুন সূর্য উদিত হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে উৎসব মুখর করতে আজ রবিবার (২৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসবের প্রধান অতিথি শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচীতে ঢাকায় অবস্থান করায় ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধন করতে গিয়ে উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।
ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধনী বক্তব্যে সাবেক চসিক প্রশাসক সুজন প্রথমেই বঙ্গবন্ধু টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজের সমাপ্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দরদ এবং আবেগমাখা বক্তব্যের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান।
May be an image of 11 people, people standing and balloon
সুজন বলেন, চট্টগ্রামে এতোসব বিশাল মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরেও চট্টগ্রামের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাস দেখে আমরা এ কথা অনুমান করতে পারি আগামী ৪ ডিসেম্বর পলোগ্রাউন্ড মাঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় চট্টগ্রামের উন্নয়নের নতুন সূর্য উদিত হবে।
তিনি আরো বলেন, ঘুড়ি উৎসব চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন খেলা যা নগরায়নের কারণে যা হারিয়ে যেতে বসেছিল। আজ সে ঘুড়ি উৎসবের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামের জনগনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং দেশকে যেকোন বিপর্যয়কর পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করতে চট্টগ্রামের জনগন সর্বদা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাশে আছেন। দেশের যেকোন আন্দোলন সংগ্রাম চট্টগ্রাম থেকেই সূচিত হয়েছে ঠিক তেমনি সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে অবস্থান সে অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে থেকে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করবে সেটা জানান দিতেই আজকের ঘুড়ি উৎসব।
সুজন আরো বলেন, একসময় ফ্লাইওভার দেখার আক্ষেপ থাকলেও সে আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। না চাইতেই চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিশাল উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পন্ন হওয়ার পথে। পানির নীচে সুড়ঙ্গ পথে গাড়ি চলাচলের যে স্বপ্ন ছিল তা টানেল নির্মাণের মাধ্যমে বাস্তবে রূপদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য বিশাল গৌরবের।
নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এবং সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখান না, উনি বাস্তবে রূপ দান করেন। চট্টগ্রামের এতো এতো উন্নয়ন সবই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবতার ফসল। আজ আমরা অবাক তাকিয়ে রয় যে বাংলাদেশকে একসময় ক্ষুধা ও দারিদ্রের দেশ বলে সবাই উপহাস করতো আজ সে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে এক অপার বিস্ময় এবং তা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কারণেই।
মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং ক্রীড়া সংগঠক মসিউর রহমান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামকে ঘিরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে বিশাল উন্নয়ন কর্মকান্ড তার সুফল ভোগ করবে সমগ্র চট্টগ্রামবাসী। আগামী দিনের চট্টগ্রামকে বিশ্বের বুকে একটি সমৃদ্ধশালী নগরীতে পরিণত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সেজন্য সমগ্র চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা চট্টগ্রামবাসী উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করে নিতে চাই।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বাদক দলের মনোমুগ্ধকর দেশাত্নবোধক গানের পরিবেশনার সাথে সাথে পলোগ্রাউন্ডের বুকে শতাধিকেরও বেশি ঘুড়ি উড়িয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যকে পূণরায় নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করেন ঘুড়ি প্রেমিকগণ।
May be an image of 4 people, people sitting, people standing and outdoors
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আতাউল্লাহ চৌধুরী, সাবেক কমিশনার সিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রহমান মিয়া, রুহুল আমিন তপন, সাইদুর রহমান চৌধুরী, যুবনেতা মাহবুবুল হক সুমন, শওকত হোসাইন, ফরহান আহমদ, খলিলুর রহমান নাহিদ, রেজাউল করিম কায়সার, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. আজম খাঁন, মো. ইলিয়াছ, নুরুল কবির, শফিউল আজম বাহার, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, রেজাউল করিম ইরান, মোরশেদ আলম, শাহিন সরওয়ার, ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, শেখ আহমদ জাহেদ, সাহেদ বশর, হাফেজ ওকার উদ্দিন, মো. সাজ্জাদ হোসাইন, আবুল হাসান সৈকত, এনামুল হক মিলন, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, জানে আলম, মো. সেলিম, মো. মনির উদ্দিন, এহসানুল হক চৌধুরী, খন্দকার আসাদুজ্জামান, শেখ মামুনুর রশীদ, মো. বাবলু, সিরাজদৌল্লা নিপু, মো. শাহজাহান, জমির উদ্দিন মাসুদ, অনির্বান দাশ বাবু, সমীর মহাজন লিটন, শহীদুল আলম লিটন, মো. সাইফুল্লাহ আনছারী, জাইদুল ইসলাম দুর্লভ, জাহাঙ্গীর আলম, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, শাহনেওয়াজ রাজীব, সরওয়ার্দী এলিন, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, আফগানী বাবু, পাভেল ইসলাম, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এম. ইমরান আহমেদ ইমু, নাঈম রনি, নোমান চৌধুরী, সুজন বর্মন, মো. ওয়াসিম, লোকমান হোসেন, সফি আলম বাদশা, মো. ফারুক, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইঞ্জিনিয়ার মিঠু চৌধুরী, আরাফাত রুবেল, শাহনেওয়াজ আশরাফী, মনিরুল হক মুন্নাসহ বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ওয়ার্ড যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৪ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় চট্টগ্রামের উন্নয়নের নতুন সূর্য উদিত হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে উৎসব মুখর করতে আজ রবিবার (২৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসবের প্রধান অতিথি শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচীতে ঢাকায় অবস্থান করায় ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধন করতে গিয়ে উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।
ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধনী বক্তব্যে সাবেক চসিক প্রশাসক সুজন প্রথমেই বঙ্গবন্ধু টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজের সমাপ্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দরদ এবং আবেগমাখা বক্তব্যের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান।
May be an image of 11 people, people standing and balloon
সুজন বলেন, চট্টগ্রামে এতোসব বিশাল মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরেও চট্টগ্রামের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাস দেখে আমরা এ কথা অনুমান করতে পারি আগামী ৪ ডিসেম্বর পলোগ্রাউন্ড মাঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় চট্টগ্রামের উন্নয়নের নতুন সূর্য উদিত হবে।
তিনি আরো বলেন, ঘুড়ি উৎসব চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন খেলা যা নগরায়নের কারণে যা হারিয়ে যেতে বসেছিল। আজ সে ঘুড়ি উৎসবের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামের জনগনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং দেশকে যেকোন বিপর্যয়কর পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করতে চট্টগ্রামের জনগন সর্বদা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাশে আছেন। দেশের যেকোন আন্দোলন সংগ্রাম চট্টগ্রাম থেকেই সূচিত হয়েছে ঠিক তেমনি সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে অবস্থান সে অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে থেকে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করবে সেটা জানান দিতেই আজকের ঘুড়ি উৎসব।
সুজন আরো বলেন, একসময় ফ্লাইওভার দেখার আক্ষেপ থাকলেও সে আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। না চাইতেই চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিশাল উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পন্ন হওয়ার পথে। পানির নীচে সুড়ঙ্গ পথে গাড়ি চলাচলের যে স্বপ্ন ছিল তা টানেল নির্মাণের মাধ্যমে বাস্তবে রূপদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য বিশাল গৌরবের।
নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এবং সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখান না, উনি বাস্তবে রূপ দান করেন। চট্টগ্রামের এতো এতো উন্নয়ন সবই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবতার ফসল। আজ আমরা অবাক তাকিয়ে রয় যে বাংলাদেশকে একসময় ক্ষুধা ও দারিদ্রের দেশ বলে সবাই উপহাস করতো আজ সে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে এক অপার বিস্ময় এবং তা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কারণেই।
মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং ক্রীড়া সংগঠক মসিউর রহমান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামকে ঘিরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে বিশাল উন্নয়ন কর্মকান্ড তার সুফল ভোগ করবে সমগ্র চট্টগ্রামবাসী। আগামী দিনের চট্টগ্রামকে বিশ্বের বুকে একটি সমৃদ্ধশালী নগরীতে পরিণত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সেজন্য সমগ্র চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা চট্টগ্রামবাসী উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করে নিতে চাই।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বাদক দলের মনোমুগ্ধকর দেশাত্নবোধক গানের পরিবেশনার সাথে সাথে পলোগ্রাউন্ডের বুকে শতাধিকেরও বেশি ঘুড়ি উড়িয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যকে পূণরায় নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করেন ঘুড়ি প্রেমিকগণ।
May be an image of 4 people, people sitting, people standing and outdoors
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আতাউল্লাহ চৌধুরী, সাবেক কমিশনার সিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রহমান মিয়া, রুহুল আমিন তপন, সাইদুর রহমান চৌধুরী, যুবনেতা মাহবুবুল হক সুমন, শওকত হোসাইন, ফরহান আহমদ, খলিলুর রহমান নাহিদ, রেজাউল করিম কায়সার, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. আজম খাঁন, মো. ইলিয়াছ, নুরুল কবির, শফিউল আজম বাহার, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, রেজাউল করিম ইরান, মোরশেদ আলম, শাহিন সরওয়ার, ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, শেখ আহমদ জাহেদ, সাহেদ বশর, হাফেজ ওকার উদ্দিন, মো. সাজ্জাদ হোসাইন, আবুল হাসান সৈকত, এনামুল হক মিলন, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, জানে আলম, মো. সেলিম, মো. মনির উদ্দিন, এহসানুল হক চৌধুরী, খন্দকার আসাদুজ্জামান, শেখ মামুনুর রশীদ, মো. বাবলু, সিরাজদৌল্লা নিপু, মো. শাহজাহান, জমির উদ্দিন মাসুদ, অনির্বান দাশ বাবু, সমীর মহাজন লিটন, শহীদুল আলম লিটন, মো. সাইফুল্লাহ আনছারী, জাইদুল ইসলাম দুর্লভ, জাহাঙ্গীর আলম, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, শাহনেওয়াজ রাজীব, সরওয়ার্দী এলিন, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, আফগানী বাবু, পাভেল ইসলাম, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এম. ইমরান আহমেদ ইমু, নাঈম রনি, নোমান চৌধুরী, সুজন বর্মন, মো. ওয়াসিম, লোকমান হোসেন, সফি আলম বাদশা, মো. ফারুক, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইঞ্জিনিয়ার মিঠু চৌধুরী, আরাফাত রুবেল, শাহনেওয়াজ আশরাফী, মনিরুল হক মুন্নাসহ বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ওয়ার্ড যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।