ঢাকা ব্যুরো: আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়া খুনি, খালেদা খুনি ও তারেক খুনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সব ক্ষেত্রে নারী অধিকার রক্ষা করতে হবে। আমি নারীদের বিশেষ সুবিধা দিয়েছি। খালেদা বন্ধ করে দিয়েছে। খালেদা নাকি ভেবেছে সবাই নৌকায় ভোট দেবে তাই সব বন্ধ করে দিয়েছে। নারীদের বিনা চিকিৎসার সুবিধা আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে আমরা ৬০ শতাংশ নারীদের জন্য নিদিষ্টি আওয়ামী সরকারই করেছে’।
শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল তৈরি করা হবে’।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ আছে। প্রতিটি পরিবারে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের হিসেব করেই ঘর দেওয়া হয়েছে। নারীরা সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে’।
এর আগে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সম্মেলনস্থলে সমবেত হন। নারী নেত্রীদের ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা।
উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে কাউন্সিল অধিবেশনে সংগঠনের শীর্ষ দুই নেত্রী নির্বাচন করা হবে। কাউন্সিলররা নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষমতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপর অর্পণ করবেন। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটিও ঘোষণা করা হতে পারে।
মহিলা আওয়ামী লীগ ১৯৬৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে নারীদের সবচেয়ে বড় সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ। এই সংগঠনে এবার যারা নেতৃত্বে আসবেন, তাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি সামলাতে হবে।




