মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে রাতের আঁধারে ৮টি দোকানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) রাতে পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামের মৃত জাকের আহমদের ছেলে আবদু রাজ্জাক বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম (৫০), তার তিন ভাই যথাক্রমে পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো: আজমগীর (৪০), ব্যবসায়ী মো: কাইয়ুম (৩৮), ছাত্রলীগ নেতা ওসমান সরওয়ার বাপ্পী (৩০)। এরা চারজনই সহোদর ভাই এবং পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাতবর পাড়া গ্রামের রমিজ আহমদের পুত্র। মামলার অন্যান্য আসামী হলেন, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের ব্যবসায়িক পার্টনার ও চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার কেউচিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের ছেলে ওসমান আলী (৫৫), সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম ঢেমশা গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে ইদ্রিস বাবুল (৪৪), সাতকানিয়া উপজেলার উজির আলী পাড়া গ্রামের মোজাহের মিয়ার ছেলে আবুল বশর (৪৫), পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামের ঠান্ডা মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান কাল (৫০)ু, একই গ্রামের মৃত মিয়াজানের ছেলে আবদুল মালেক (৩১), মৃত আবুল কালামের পুত্র রেজাউল করিম (৩৮)মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু ছালেক (৪০), মৃত আবদুল আলীর পুত্র ও যুবলীগ নেতা আনছার উদ্দিন (৪০), নজির আহমদের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৫০)।

এদিকে মামলার দায়েরের কয়েক ঘন্টার পর চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি মামলার এজাহার নামীয় আসামী রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতার রেজাউলকে ২ নভেম্বর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজাহারে বাদি আবদুর রাজ্জাক দাবি করেছেন, গত ২৪ অক্টোবর রাতে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে অপর আসামীসহ ৫০-৬০ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পেকুয়া বাজারের ৮টি দোকানঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ওইসময় দোকানের মালিক আবদু রাজ্জাককে মারধর করেন এবং দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন বলেও বাদি দাবি করেন।

মামলার আসামী ও উপজেলা যুবলীগের ত্রাই বিষয়ক সম্পাদক মো. আজমগীর বলেন, স্থানীয় এক প্রভাবশালী আমাদের জমি জবর দখল নিতে চাচ্ছে। মামলার বাদীও দখলবাজ চক্রের সদস্য। এরই জের ধরে আমি ও আমার ভাইদের বিরুদ্ধে হয়রানীমুলক মামলা করা হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে বারবার একটি চক্র তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। এটিও তার অংশবিশেষ।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানার ওসি মো: ফরহাদ আলী বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশ কাজ করছে। থানার এক অফিসারকে মামলার তদন্তের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে রাতের আঁধারে ৮টি দোকানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) রাতে পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামের মৃত জাকের আহমদের ছেলে আবদু রাজ্জাক বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম (৫০), তার তিন ভাই যথাক্রমে পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো: আজমগীর (৪০), ব্যবসায়ী মো: কাইয়ুম (৩৮), ছাত্রলীগ নেতা ওসমান সরওয়ার বাপ্পী (৩০)। এরা চারজনই সহোদর ভাই এবং পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাতবর পাড়া গ্রামের রমিজ আহমদের পুত্র। মামলার অন্যান্য আসামী হলেন, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের ব্যবসায়িক পার্টনার ও চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার কেউচিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের ছেলে ওসমান আলী (৫৫), সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম ঢেমশা গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে ইদ্রিস বাবুল (৪৪), সাতকানিয়া উপজেলার উজির আলী পাড়া গ্রামের মোজাহের মিয়ার ছেলে আবুল বশর (৪৫), পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামের ঠান্ডা মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান কাল (৫০)ু, একই গ্রামের মৃত মিয়াজানের ছেলে আবদুল মালেক (৩১), মৃত আবুল কালামের পুত্র রেজাউল করিম (৩৮)মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু ছালেক (৪০), মৃত আবদুল আলীর পুত্র ও যুবলীগ নেতা আনছার উদ্দিন (৪০), নজির আহমদের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৫০)।

এদিকে মামলার দায়েরের কয়েক ঘন্টার পর চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি মামলার এজাহার নামীয় আসামী রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতার রেজাউলকে ২ নভেম্বর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজাহারে বাদি আবদুর রাজ্জাক দাবি করেছেন, গত ২৪ অক্টোবর রাতে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে অপর আসামীসহ ৫০-৬০ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পেকুয়া বাজারের ৮টি দোকানঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ওইসময় দোকানের মালিক আবদু রাজ্জাককে মারধর করেন এবং দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন বলেও বাদি দাবি করেন।

মামলার আসামী ও উপজেলা যুবলীগের ত্রাই বিষয়ক সম্পাদক মো. আজমগীর বলেন, স্থানীয় এক প্রভাবশালী আমাদের জমি জবর দখল নিতে চাচ্ছে। মামলার বাদীও দখলবাজ চক্রের সদস্য। এরই জের ধরে আমি ও আমার ভাইদের বিরুদ্ধে হয়রানীমুলক মামলা করা হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে বারবার একটি চক্র তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। এটিও তার অংশবিশেষ।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানার ওসি মো: ফরহাদ আলী বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশ কাজ করছে। থানার এক অফিসারকে মামলার তদন্তের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।