প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এর সহিত তাঁর কার্যালয়ে গত ২০ অক্টোবর বিজিএমইএর নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় মূদ্রাষ্ফীতির কারণে রপ্তানী বাণিজ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। জাতীয় অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্র্থে পোশাক শিল্পকে সার্বিক সহযোগীতার মাধ্যমে টিকিয়ে রাখতে হবে। পোশাক শিল্পের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মূসকের আওতামুক্ত হলেও নগদে স্থানীয় ক্রয়ে উৎসে মূসক আদায়ে সি.এ. ফার্মের অডিট রিপোর্টসহ প্রায় এগার ধরণের বিভিন্ন দলিলাদী দাখিল করার জন্য নোটিশ প্রেরণ করা হচ্ছে। বিগত ৫ বছরের বকেয়া মূসক আদায়ের লক্ষ্যে দাবীনামা জারী করা হচ্ছে। ফলে রপ্তানিকারকগণ বিভিন্ন জটিলতা ও প্রচুর হয়রানির সম্মুখিন হতে হচ্ছে। পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকটকালীন মূহুর্তে উক্ত বিষয়ে কার্যক্রম সহজীকরণপূর্বক দাবীনামা জারী না করে পর্যাপ্ত সময় প্রদান এবং বকেয়া মুসক আদায়ে কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত রাখার জন্য তিনি ভ্যাট কমিশনারকে অনুরোধ করেন।

আলোচনা কালে বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি এস.এম. মান্নান কচি বলেন, করোনা কালীন পরিস্থিতিতে সরকারের আন্তরিক সহযোগীতার কারণে পোশাক শিল্প রপ্তানির লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করেছে। বর্তমানে বিশ্ব মন্দার প্রেক্ষিতে রপ্তানি আদেশ বাতিল ও স্থগিত হচ্ছে, এই সংকট কালীন মূহুর্তে পোশাক শিল্পের রপ্তানির ধারা অব্যহত রাখার লক্ষ্যে স্থানীয় ক্রয়ে উৎসে মূসক আদায় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য তিনি আহবান জানান।

কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে পোশাক শিল্পের অবদান বিবেচনায় সরকার কর্তৃক শুল্ক, ভ্যাট মওকুফ সহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পকে সহায়তার লক্ষে উৎসে মূসক আদায় কার্যক্রম সহজীকরণসহ ৫ বছরের পরিবর্তে ২ বছরের বকেয়া মূসক আদায় এবং দাবীনামা জারির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ণ দাখিল ও প্রযোজ্য উৎসে মূসক প্রদান সহ উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব এস.এম. মান্নান কচি, সহ-সভাপতি মোঃ শহীদুল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দীন ও  রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক মোঃ খসরু চৌধুরী, আবদুল্লাহ হিল রাকিব, হারুন-অর-রশিদ, রাজীব চৌধুরী, ব্যারিষ্টার ভিদিয়া অমৃত খান, এ.এম. শফিউল করিম (খোকন), মোঃ হাসান (জ্যাকি), এম. এহসানুল হক, বিজিএমইএর প্রাক্তন পরিচালক বৃন্দ, পোশাক শিল্পের মালিকবৃন্দ এবং বিজিএমইএর মহাসচিব মোঃ ফয়জুর রহমান সহ বিজিএমইএর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। কাস্টমস ভ্যাট এর পক্ষে অতিরিক্ত কমিশনার হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদার, ও উপ-কমিশনারগন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন-বিজিএমইএর মোঃ শহীদুল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, ও সহ-সভাপতি  রাকিবুল আলম চৌধুরী।

মতবিনিময় পরবর্তীতে বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান এর পক্ষ থেকে কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটকে বিজিএমইএ স্বারক ও বনসাই উপহার প্রদান করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এর সহিত তাঁর কার্যালয়ে গত ২০ অক্টোবর বিজিএমইএর নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় মূদ্রাষ্ফীতির কারণে রপ্তানী বাণিজ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। জাতীয় অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্র্থে পোশাক শিল্পকে সার্বিক সহযোগীতার মাধ্যমে টিকিয়ে রাখতে হবে। পোশাক শিল্পের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মূসকের আওতামুক্ত হলেও নগদে স্থানীয় ক্রয়ে উৎসে মূসক আদায়ে সি.এ. ফার্মের অডিট রিপোর্টসহ প্রায় এগার ধরণের বিভিন্ন দলিলাদী দাখিল করার জন্য নোটিশ প্রেরণ করা হচ্ছে। বিগত ৫ বছরের বকেয়া মূসক আদায়ের লক্ষ্যে দাবীনামা জারী করা হচ্ছে। ফলে রপ্তানিকারকগণ বিভিন্ন জটিলতা ও প্রচুর হয়রানির সম্মুখিন হতে হচ্ছে। পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকটকালীন মূহুর্তে উক্ত বিষয়ে কার্যক্রম সহজীকরণপূর্বক দাবীনামা জারী না করে পর্যাপ্ত সময় প্রদান এবং বকেয়া মুসক আদায়ে কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত রাখার জন্য তিনি ভ্যাট কমিশনারকে অনুরোধ করেন।

আলোচনা কালে বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি এস.এম. মান্নান কচি বলেন, করোনা কালীন পরিস্থিতিতে সরকারের আন্তরিক সহযোগীতার কারণে পোশাক শিল্প রপ্তানির লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করেছে। বর্তমানে বিশ্ব মন্দার প্রেক্ষিতে রপ্তানি আদেশ বাতিল ও স্থগিত হচ্ছে, এই সংকট কালীন মূহুর্তে পোশাক শিল্পের রপ্তানির ধারা অব্যহত রাখার লক্ষ্যে স্থানীয় ক্রয়ে উৎসে মূসক আদায় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য তিনি আহবান জানান।

কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে পোশাক শিল্পের অবদান বিবেচনায় সরকার কর্তৃক শুল্ক, ভ্যাট মওকুফ সহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পকে সহায়তার লক্ষে উৎসে মূসক আদায় কার্যক্রম সহজীকরণসহ ৫ বছরের পরিবর্তে ২ বছরের বকেয়া মূসক আদায় এবং দাবীনামা জারির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ণ দাখিল ও প্রযোজ্য উৎসে মূসক প্রদান সহ উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব এস.এম. মান্নান কচি, সহ-সভাপতি মোঃ শহীদুল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দীন ও  রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক মোঃ খসরু চৌধুরী, আবদুল্লাহ হিল রাকিব, হারুন-অর-রশিদ, রাজীব চৌধুরী, ব্যারিষ্টার ভিদিয়া অমৃত খান, এ.এম. শফিউল করিম (খোকন), মোঃ হাসান (জ্যাকি), এম. এহসানুল হক, বিজিএমইএর প্রাক্তন পরিচালক বৃন্দ, পোশাক শিল্পের মালিকবৃন্দ এবং বিজিএমইএর মহাসচিব মোঃ ফয়জুর রহমান সহ বিজিএমইএর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। কাস্টমস ভ্যাট এর পক্ষে অতিরিক্ত কমিশনার হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদার, ও উপ-কমিশনারগন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন-বিজিএমইএর মোঃ শহীদুল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, ও সহ-সভাপতি  রাকিবুল আলম চৌধুরী।

মতবিনিময় পরবর্তীতে বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান এর পক্ষ থেকে কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটকে বিজিএমইএ স্বারক ও বনসাই উপহার প্রদান করা হয়।