দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নাফ নদী ও সীমান্ত চেকপোস্টগুলোতে বিশেষ তল্লাশি এবং নৌ-টহল বৃদ্ধির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। এই নজরদারি কার্যক্রমে ড্রোন, থার্মাল ইমেজার, রাডার, বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা, আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম, নৌযান ও ডগ স্কোয়াডের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে নাফ নদীতে নৌযান তল্লাশি ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি তেলের মজুত সংরক্ষণ ও সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অসাধু চক্রের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বিজিবি এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান জানান, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি সর্বদা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নাফ নদী ও সীমান্ত চেকপোস্টগুলোতে বিশেষ তল্লাশি এবং নৌ-টহল বৃদ্ধির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। এই নজরদারি কার্যক্রমে ড্রোন, থার্মাল ইমেজার, রাডার, বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা, আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম, নৌযান ও ডগ স্কোয়াডের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে নাফ নদীতে নৌযান তল্লাশি ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি তেলের মজুত সংরক্ষণ ও সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অসাধু চক্রের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বিজিবি এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান জানান, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি সর্বদা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।