আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারায় একটি ভবন থেকে পড়ে মহিম (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার শোলকাটা এলাকায় হাসেম কমপ্লেক্স নামে একটি ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহিম কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর এলাকার মো. কামালের ছেলে। মহিম দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা মেডিকেল এলাকার পাশে নানাবাড়িতে বসবাস করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ভবনটিতে শব্দ শুনে দারোয়ান বাইরে বের হয়ে দেখেন, একজন যুবক ভবনের ওপর থেকে মাটিতে পড়েছে। পরে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, মহিম ‘কিশোর গ্যাং’ হিসেবে পরিচিত ‘জ্ঞান সম্রাট’ নামে একটি গ্রুপের সদস্য ছিল। এর আগে একাধিকবার চুরির সময় সে হাতেনাতে ধরা পড়ে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন দলবল নিয়ে স্থানীয় একটি মেডিকেল সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মহিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের খালা সানোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার বোনের ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সে ভবন থেকে পড়ে মারা যায়নি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’এদিকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার সময় পুলিশ ও স্বজনদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘ বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারায় একটি ভবন থেকে পড়ে মহিম (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার শোলকাটা এলাকায় হাসেম কমপ্লেক্স নামে একটি ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহিম কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর এলাকার মো. কামালের ছেলে। মহিম দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা মেডিকেল এলাকার পাশে নানাবাড়িতে বসবাস করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ভবনটিতে শব্দ শুনে দারোয়ান বাইরে বের হয়ে দেখেন, একজন যুবক ভবনের ওপর থেকে মাটিতে পড়েছে। পরে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, মহিম ‘কিশোর গ্যাং’ হিসেবে পরিচিত ‘জ্ঞান সম্রাট’ নামে একটি গ্রুপের সদস্য ছিল। এর আগে একাধিকবার চুরির সময় সে হাতেনাতে ধরা পড়ে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন দলবল নিয়ে স্থানীয় একটি মেডিকেল সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মহিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের খালা সানোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার বোনের ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সে ভবন থেকে পড়ে মারা যায়নি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’এদিকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার সময় পুলিশ ও স্বজনদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘ বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।